business loans, commercial loan, auto insurance quotes, motorcycle lawyer

পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার পূর্বের ঘটনা সমূহ?



আসসালামুআলাইকুম ও রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ । কেয়ামত কবে হবে সেটা একমাত্র মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই ভাল জানেন। এমনকি আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেও জানতেন না কিয়ামত কবে হবে।

তবে বিশ্বনবী মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা জানতেন যে কিয়ামত আসার আগে কি কি আলামত দেখা যাবে। আজকেরে আর্টিকেলে আমরা কেয়ামত আসার আগে কি কি ঘটনা পৃথিবীতে ঘটবে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

ইনশাল্লাহ হাদিস এবং কুরআন অনুযায়ী আমরা আর্টিকেলটি শুরু এবং শেষ করতে চাই। তাই আর্টিকেলের শুরুতেই মনোযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ রইল।

লোকেরা চুল রং করবে কাল রং দিয়ে। কিয়ামতের অন্যতম আলামত হিসেবে ধরা হয়েছে এই আলামত টি। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: যতক্ষণ না লোকেরা তাদের চুল কালো রঙের পরিবর্তন করবে ততক্ষণ কিয়ামত হবে না।

মেহেদী অথবা লাল জাতীয় রং দিয়ে চুল রাঙানো সুন্নত। কিন্তু কিয়ামতের পূর্বে লোকেরা নিজেদের চুল কালো রং দিয়ে রাঙাবে। এখন আপনি নিজেই বলুন এই আলামত টি বর্তমান সমাজে দেখা যায় কিনা? এই আলামত টি আমাদের নবী ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন প্রায় 15 বছর আগে।

যেটা আমরা বর্তমানে প্রকাশ হচ্ছে সেটা দেখতে পারছি। এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় কেয়ামত নিকটবর্তী। এ হাদীসটি আপনারা পাবেন: বুখারী শরীফে এবং আবু দাউদ হাদিসে।

ভূমিকম্প বৃদ্ধি পাবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: কিয়ামতের পূর্বে বেশি বেশি ভূমিকম্প দুনিয়াতে দেখা দিবে। যতক্ষণ না ভূমিকম্প বৃদ্ধি পাবে ততক্ষণ কেয়ামত সংঘটিত হবে না। বর্তমানে আমরা যেখানে সেখানে এই ভূমিকম্পের কথা শুনে থাকি।

তাছাড়া 2004 অথবা পাঁচ সালের ভিতর কোন কোন অঞ্চলে সুনামির ভূমিকম্প হয়েছিল। সারা বিশ্বের ভিতরে এটি ভাইরাল হয়ে রয়েছে। আপনারা চাইলে এই ঘটনা বিস্তারিত ইউটিউবে পেয়ে যাবেন সার্চ দিলেই।?


কিয়ামতের নিকটবর্তী হওয়ার পূর্বে অবশ্যই ভূমিকম্প বৃদ্ধি পাবে। এ হাদীসটি আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। এই হাদীসটি আপনারা পাবেন সহি বুখারী শরীফের কিতাবুল ফিতান অধ্যায়ে।

ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন শেষ জামানার দিকে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ স্বামীর ব্যবসা-বাণিজ্য স্ত্রীলোকেরা ও সামলাবে।

বর্তমানে আমরা দেখতে পাই গ্রাম অঞ্চল অথবা শহর এলাকায় মহিলাদের কাজকর্ম। যেকোনো জায়গায় মহিলারা নিজের স্বামীর সহযোগিতার জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যে যোগদান করে। এমনকি একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীদের কর্মকাণ্ড।

নবী স্পষ্টভাবে বলেছেন সেই জামানার এর লোকেরা ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। যতদিন না তার সংগঠন হবে ততদিন কিয়ামত হবে না। এই আলামত দ্বারা আমরা বুঝতে পারি কিয়ামত অনেক নিকটে আমাদের কিন্তু আমরা বুঝতে পারছি না। দুনিয়ার লোভ-লালসা এবং মায়াজাল আমাদেরকে ঘিরে রেখেছে।

কৃপণতা বৃদ্ধি পাবে। আলামতটি কিয়ামতের অন্যতম আলামত হিসেবে ধরা হয়েছে। নবী বলেন কিয়ামতের পূর্বে অবশ্যই কৃপণতা বৃদ্ধি পাবে। দুনিয়াতে কৃপণতা বৃদ্ধি না পেলে কেয়ামত হবে না। এই আলামত টি বিশ্বের সব জায়গায় দেখা যায়।

একবার চিন্তা করুন তো আমাদের নবী এই হাদীসগুলো চৌদ্দশ বছর আগে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। যেটা বর্তমান সময়ে সকল ভবিষ্যৎ বাণী গুলো প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। এই নবীর সুন্নত এবং আদেশ-নির্দেশ গুলো আমরা মানতে চায় না। আমাদের জন্য আমাদের নবী তার নিজের চিন্তা বাদ দিয়ে আমাদের কথা ভাবতেন সব সময়। তাই আসুন আমরা এই নবীর আদর্শ অনুযায়ী জীবনটা কাটিয়ে দিই।

সুন্নতি আমল পালন করবে না। আমাদের নবী বলেছেন তোমরা যখন মসজিদে যাব তখন বসার পুর্বে অবশ্যই দুই রাকাত নামাজ পড়বে। এই নির্দেশটি নবী সল্লালাহ সালাম দিয়েছেন আমাদের সুন্নত হিসেবে। আমরা অবশ্যই পালন করার চেষ্টা করব এই আমলটি।

নবী সাল্লাল্লাহু ইসলাম আরও বলেন,,, কিয়ামতের পূর্বে সুন্নতি আমল কিছু লোক ছাড়া কেউ করবে না। খুব কম সংখ্যক লোক নবীর সুন্নত পালন করবে এবং বেশিরভাগ লোকই নবীর সুন্নত পালন করবে না। এই আলামত টি বর্তমান সময়ে দেখতে পারছি।

কিয়ামতের আলামত হিসেবে এই আলামত টি অন্যতম একটি আলামত। এই হাদীসটি আপনারা পাবেন,,, মুসলিম শরীফের মুফাসসিরের নামাজ অধ্যায়ে।

আরব দেশে নদী-নালা গাছপালা বৃদ্ধি পাবে। এ আলামত সম্পর্কে নবী বলেন,,, কিয়ামতের পূর্বে অবশ্যই আরব দেশে নদী-নালা গাছপালা দেখা মিলবে। যতক্ষণ না এ আলামত টি প্রতিষ্ঠা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত হবে না।

বর্তমান আরব দেশে খুব কম পরিমাণ গাছপালা রয়েছে, যেটা কিয়ামতের পূর্বে অবশ্যই নদী-নালা গাছপালা সহ সব কিছুতেই ভরপুর হয়ে যাবে। এ হাদীসটি আপনারা পাবেন মুসলিম শরীফের কিতাবুয যাকাত অধ্যায়ে।

আর্টিকেল এর শেষ কথা


পরিশেষে বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলটি এই পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। একজন মুসলমান হিসেবে হাদিস এবং কুরআন এর সকল জ্ঞান থাকা উচিত। আশা করি আর্টিকেল থেকে একটু হলেও উপকৃত হয়েছেন।আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে তার আদেশ-নির্দেশ সঠিক সহি বুঝ দান করুন আমিন।আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url