business loans, commercial loan, auto insurance quotes, motorcycle lawyer

অনলাইনে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় ২০২২

বন্ধুরা আজকে আমরা জানব টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে কি কি আছে সে গুলো নিয়ে। অনেক দেখি টাকা ইনকাম করার সাইট খুজে থাকে। আপনারা কিভাবে ভাল পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারেন সে সম্পর্কে আজকের বিস্তারিত পোষ্ট।
টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে ১৮ টি পদ্ধতি


অনেকে আছেন যারা পড়াশোনার পাশাপাশি টাকা আয় করতে চান কিন্তু ভাল কোন উপায় খুজে পান না তাদের জন্যি আমরা আজকে এই পোস্ট টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে ১৮ টি পদ্ধতি সম্পর্কে সাজিয়েছি।
আগেই বলে রাখতেছি যেই কাজেই করুন না কেনো আপনাকে কিছু জিনিস ফলো করতে হবে যা ফলো না করলে আপনি কোন কাজেই সাক্সেস হতে পারবেন না।

  • ধৈর্য্য ধরতে হবে।
  • কঠর পরিশ্রমী হতে হবে
  • কিছু কিছু কাজে টাকা ইনভেস্ট করতে হয় তাও করতে হবে। 

টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে ১৮ টি

  • ব্লগ থেকে আয় করার উপায়
  • লেখা লেখি করে ইনকাম
  • ওয়েব ডিজাইন থেকে আয়
  • ইউটিউব থেকে আয়
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও করে আয়
  • সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয়
  • ফেসবুক থেকে আয় করার উপায়
  • টুইটার থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়
  • ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার উপায়
  • ইমেইল মার্কেটিং করে আয় 
  • এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়
  • বাংলাদেশ থেকে সার্ভে করে আয়
  • ভিডিও দেখে ইনকাম
  • প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে ইনকাম
  • টাকা ইনকাম করার অ্যাপ
  • ফটোগ্রাফ বা ভিডিও বিক্রি করে
  • ডাটা এন্ট্রি থেকে টাকা আয়
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে আয়

০১। ব্লগ থেকে আয় করার উপায়

ব্লগ তৈরি করার জন্য জনপ্রিয় দুটি প্লাটফর্ম আছে। একটি হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস আর অন্যটি হচ্ছে গুগল ব্লগার। এই দুটি প্লাটফর্মই একদম ফ্রি। তবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ তৈরি করার জন্য ডোমেন ও হোস্টিং কিনে ব্লগ তৈরি করতে হয়। অন্যদিকে গুগল ব্লগারে কোন ধরনের ডোমেন ও হোস্টিং না কিনে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগ তৈরি করা যায়।

আপনি চাইলে এই দুটি প্লাটফর্মের যে কোন একটিতে ব্লগ তৈরি করতে পারেন। একটি পার্সোন্যাল ব্লগের ক্ষেত্রে এই দুটি প্লাটফর্মের তেমন কোন পার্থক্য নেই। সুতরাং আপনি গুগল ব্লগারে সম্পূর্ণ ফ্রিতে নিজের একটি ব্লগ তৈরি করে নিতে পারেন। 

তাছাড়া গুগল ব্লগার দিয়ে ব্লগ তৈরি করা খুব সহজ হওয়ায় আপনি চাইলে আপনার মোবাইল দিয়ে মাত্র ৫ মিনিটে নিজের একটি ব্লগ তৈরি করে নিতে পারেন। গুগল ব্লগার দিয়ে ব্লগ তৈরি করার বিষয়ে আমাদের ব্লগে একটি বিস্তারিত পোস্ট রয়েছে। আপনার নিজের একটি ব্লগ তৈরি করার জন্য নিচের লিংক থেকে আমাদের ব্লগে পোস্ট দেখে নিতে পারেন।

ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে আয় হয় ?

ব্লগিং করে অনলাইনে ইনকাম করার অসংখ্য অসংখ্য উপায় রয়েছে। অনলাইন ইনকাম এর যত মাধ্যম রয়ছে তাদের মধ্যে ব্লগিং হচ্ছে সেরা। কারণ একটি ব্লগ জনপ্রিয় হওয়ার পর ব্লগ থেকে অন্যান্য মাধমে টাকা ইনকাম করা যায়। ব্লগ সাইটের মাধ্যমে ইনকামের জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো হলোঃ

  • গুগল এডসেন্স
  • এফিলিয়েট মার্কেটিং
  • স্পনসর পোস্ট
  • অনলাইন কোর্স


গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয়

এডসেন্স হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ স্বয়ং নিজে পরিচালনা করছে। সাধারণত যে কোন বড় কোম্পানি তাদের পন্যের প্রচার করার জন্য টেলিভিশনে এবং খবরের কাগজে তাদের পন্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। তখন আমরা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখে বা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দেখে সেই কোম্পানির পন্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারি।

ঠিক একইভাবে বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের পন্যের বিজ্ঞাপন অনলাইনের মাধ্যমে প্রচারের জন্য কোম্পানির পন্যের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গুগলের কাছে জমা দেয়। গুগল তখন এডসেন্স এর মাধ্যমে সেই বিজ্ঞাপনগুলো আমাদের মত সাধারণ ব্লগে ব্যবহার করার অনুমতি দেয়। আর আমাদের ব্লগে সেই বিজ্ঞাপনে যখন লোকজন ক্লিক করে তখন আমাদের ইনকাম হয়।


০২। কনটেন্ট রাইটিং করে আয় বা লেখা লেখি করে ইনকাম

আপনার যদি কোনো বিষয় খুব ভালো ঞ্জান থাকে তাহলে সেই সাথে আপনি ভালো ইংরেজি জানেন তাহলে এই প্লাটফর্ম আপনার জন্য।আপনি যদি একজন ভালো কন্টেন্ট রাইটার হতে পারেন তাহলে আপনার জন্য অনলাইনে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করার সুজুগ থাকবে। বর্তমানে অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে Freelancing একটি জনপ্রিয় সেরা প্লাটফর্ম। Freelancing করেই বর্তমানে বাংলাদেশের হাজার হাজার যুবক যুবতী ঘরে বসে অনলাইন হতে টাকা আয় করছে। 

তাছাড়া বর্তমান সরকার বিভিন্ন কেইম্পেনের মাধ্যমে দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কাজে লাগানোর জন্য Freelancing বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর ব্যবস্থা চালু করেছে। আপনি চাইলে সেই কেম্পেইন থেলে ফ্রি ফ্রিলান্সিং শিখতে পারেন। আর যেনে খুসি হবেন যে, ফ্রি কেম্পেইন সরকারী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান হতে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে অনেকেই  Freelancing এর মাধ্যমে মাসে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা ইনকাম করে স্বাবলম্বি হচ্ছে।

Freelancing হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যেখান থেকে আপনার লেখার মানের উপর আপনি টাকা পাবেন৷ আপনি যদি একজন ভালো মানের রাইটার হতে পারেন এবং আপনার লেখার মান যদি ভালো হয় তাহলে অনলাইন ইনকাম দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।এবং আপনি মাসে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা আয় করতে পারবেন।


০৩। ওয়েব ডিজাইন থেকে আয়

ওয়েব ডিজাইন এর পাশাপাশি web-development তো অনেক চাহিদা সম্পন্ন একটি পেশা। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মূলত ওয়েবসাইট এর পিছনের অংশে কাজ করতে হয়। অর্থাৎ ভিবিন্ন ফাংশন দ্বারা কীভাবে একটি ওয়েবসাইট পরিচালিত হবে তা নির্ধারন করা হয়।

এর জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়াও কোন ওয়েবসাইটের কোন ক্রিটিক্যাল সমস্যা হলে একজন ওয়েব ডেভলপার সেটাকে সংশোধন করে থাকে।

বর্তমানে ইউটিউব এবং বিভিন্ন ব্লগে প্রচুর পরিমাণে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর ফ্রি এবং পেইড কোর্স রয়েছে। যে কেউ চাইলেই সে কোর্সগুলো সংগ্রহ করে ঘরে বসেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারে।

তবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে অবশ্যই ধৈর্য এবং সময় ব্যয় করার মন মানসিকতা থাকতে হবে।


০৪। ইউটিউব থেকে আয়

আপনার মাঝে যদি কোন সুপ্ত প্রতিভা থাকে, এবং আপনি যদি ভিডিওর মাধ্যমে আপনার প্রতিভা ভিডিও এর মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন। তাহলে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করাটা হবে আপনার জন্য সহজ একটি মাধ্যম। তবে ইদানিং ইউটিউবের কিছু নিয়ম কানুন পরিবর্তন করেছে। আর সেগুলি হচ্ছে, আপনার সর্বনিম্ন এক হাজার সাবস্ক্রাইব হতে হবে এবং প্রায় চার হাজার ভিউ হতে হবে আরও অনেক কিছু। তবে এটি পূরণ করা খুব বেশি কঠিন , যদি আপনার ভিডিও গুলোতে দর্শকদের কাছে ভালো মনে হয় প্রয়োজনীয় কোন বিষয় থাকে তাহলে সাবস্ক্রাইব এবং ভিউ পেতে আপনাকে খুব বেশি সময় লাগবে না।

কেউ কেউ এটা মনে করেন যে, শুধু মাত্র ফালতু,ফানি ভিডিও গুলোতে দর্শকদের ভিউ বেশি হয়। এই কথাটি কিছু সময়ের জন্য সত্য কিন্তু এসব ভিডিও নিয়ে একজন ইউটিউবার খুব বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। তাই আমার অনুরোধে থাকবে ভিউ অথবা সাবস্ক্রাইব পেতে একটু সময় লাগলেও আপনি ভাল এবং শিক্ষনীয় বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরী করুন। আর ভুলেও কারও ভিডিও নিজের বলে চালিয়ে দিবেন না এতে চ্যানেল বাতিল হয়ে যাবে।


০৫। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও করে আয়

বর্তমানে অনলাইনে মিলিয়ন মিলিয়ন ওয়েবসাইট রয়েছে। সবাই তাদের ব্লগকে গুগল সার্চের ১ম পাতায় নিয়ে আসার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। কিন্তু একই ধরনের ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে গুগলের ১ম পাতায় আসা খুব সহজ কোন বিষয় নয়। এ জন্য এখন সবাই এসইও করার জন্য মনোযোগি হচ্ছে। যার ধরুন প্রতিনিয়ত এসইও এক্সপার্টদের চাহিদা বাড়ছে। 

ধরুন, আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে। যেই ওয়েবসাইটে আপনি টি-শার্ট এর মার্কেটিং করেন। আপনি চাইছেন কেউ যখন টি-শার্ট লিখে গুগলে সার্চ করবে তখন আপনার ওয়েবসাইটটি সবার উপরে আসবে। এই কাজটি করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটের এসইও করতে হবে বিধায় একজন এসইও এক্সপার্ট এর সহযোগিতা নিতে হবে।

কাজেই কেউ যদি ভালোভাবে এসইও শিখতে পারে তাহলে সে যেকোন কোম্পানির এসইও এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবে। তাছাড়া আপনার যদি পার্সনাল কোন ব্লগ থাকে সেটিতেও ট্রাফিক বৃদ্ধি করার জন্য ব্লগের এসইও করার প্রয়োজন হবে। সেই হিসেবে আপনি ভালোভাবে এসইও জানলে ব্লগে ট্রাফিক বৃদ্ধি করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।


০৬। সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয়

বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট প্রচুর ব্যাবহার হচ্ছে। তবে এ গুলো শুধু চ্যাটিং এর জন্য নয় বা সময় অপচয় এর জন্য নয়। এগুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এজন্য আপনার ফেসবুক পেজে প্রচুর পরিমানে ফলোয়ার থাকতে হবে। এতে আপনি ঘরে বসে খুব সহজে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন কোম্পানির কাছ থেকে ফেসবুকে টাকা আয় করতে পারবেন। কারণ যেকোন কোম্পানির পন্যের প্রচারের জন্য স্যোশাল প্লাটফর্ম খুবই জনপ্রিয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরিসহ তাঁদের ধরে রাখতে প্রচুর ধৈর্য থাকাটা জরুরি।



০৭। ফেসবুক থেকে আয় করার উপায়

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয়ঃ  প্রিয় বন্ধুরা ফেসবুক সারাবিশ্বের খুবই জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। এই প্লাটফর্মে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব তার পাশাপাশি বিশ্বের খোঁজখবর রাখা যায়। আপনিও হয়তো ইতিমধ্যে ফেসবুকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছেন তাই না!


ফেসবুকে আমরা বিভিন্ন ধরনের গ্রুপ এবং পেজ দেখেছি। এমনকি অনেক পেজ থেকে ফেসবুকে নানা ধরনের ভিডিও আমরা হয়তো দেখেছি। তো বন্ধুরা আপনারা কি জানেন ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। ফেসবুক পেজ থেকে আপনি সাধারণত দুই ভাবে টাকা আর্নিং করতে পারবেন।


ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার সেরা উপায়?

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকামঃ ফেসবুক পেজ থেকে সাধারণত দুই ভাবে টাকা আর্ন করা যায়। তার মধ্যে একটি হলো লেখালেখি বা আর্টিকেল রাইটিং করে। অন্যটি হলো ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে।আপনারা চাইলেই এই দুটির মধ্যে যেকোনো একটি কাজ করে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে প্ল্যাটফর্মের যুক্ত হতে হবে। তারপরের প্লাটফর্মে আপনাকে প্রফেশনাল ভাবে একটি পেজ তৈরি করতে হবে। তবে ইচ্ছামত পেজ তৈরি করলেই হবে না। ফেসবুকে পেজ সঠিক এবং প্রফেশনাল ভাবে তৈরি করতে হবে। যেন যে কোন লোক আপনার ফেসবুকের পেজ খুব সহজেই সার্চ দিয়ে পেতে পারে।

ফেসবুক প্রফেশনাল ভাবে সাজানোঃ আপনি যদি ফেসবুক পেজ সঠিক এবং প্রফেশনালভাবে দাঁড় করাতে না পারেন। তাহলে আপনি ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে পারবেন না। আপনার পেজে ইনকাম করার জন্য অনেক ফলোয়ার থাকতে হবে। ফলোয়ার ব্যতীত পেজ থেকে টাকা ইনকাম করা অসম্ভব এর মত।

তাই আপনার ফেসবুক পেজ অবশ্যই এমনভাবে সাজাবেন যেন মানুষ বুঝতে পারে এবং তাদের প্রয়োজন হলে আপনাকে ফলো করে। আর হ্যাঁ আপনার ফেসবুক পেজ অবশ্যই মানুষের প্রয়োজনীয় এবং দরকারি উদ্দেশ্যে তৈরি করবেন। তাহলে দেখবেন অটোমেটিক্যালি আপনার ফেসবুক পেজে ফলোয়ার বাড়াতে থাকছে। ফেসবুক প্রফেশনালভাবে সাজালে অটোমেটিক্যালি আপনি ফলোয়ার পেয়ে যাবেন।

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম কিভাবে শুরু হয়?

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম যেভাবেঃ আপনি যদি ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করতে চান। তাহলে আপনার ফেসবুক পেজে অনেক ফলোয়ার থাকতে হবে। ফলোয়ার ব্যতীত আপনি ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য ফেসবুকের কিছু শর্ত রয়েছে। এই শর্তগুলো পূরণ করে আপনি খুব সহজেই টাকা ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম শুরু করতে পারেন।


ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম করার শর্ত সমূহঃ ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম করার জন্য বেশ কিছু শর্ত আপনাকে পূরণ করতে হবে। তাহলে আপনি ফেসবুক পেজে ইউটিউব এর মত মনেটিজেশন অন করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম করার শর্ত সমূহ নিচে দেওয়া হল।

  • আপনার ফেসবুক পেজে অবশ্যই 10 হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে।
  • আপনার ফেসবুক পেজে অবশ্যই 30 হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম থাকতে হবে।


উপরের এই দুটি শর্ত দুই মাসের ভিতরে আপনাকে পূরণ করতে হবে।

তো বন্ধুরা উপরের এই শর্তগুলো পূরণ করতে পারলে আপনি ফেসবুকে মনেটিজেশন এর জন্য এপ্লাই করতে পারেন। এপ্লাই করার প্রায় সাত দিনের ভিতরে আপনার ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে। আর যদি আপনার পেজটি মনিটাইজেশন অন করতে পারেন তাহলে, আপনি ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

কিভাবে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করা যায় সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা

ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম করার জন্য সর্বপ্রথম একটি পেজ তৈরি করতে হবে। তারপর ওই পেজে আপনাকে যেকোনো একটি টপিক নিয়ে ভিডিও আপলোড করতে হবে। তারপর যখন আপনার ফেসবুক পেজে বেশ ভালো পরিমাণে ফলোয়ার এবং ওয়াচ টাইম আসবে।তখন আপনারা চাইলে এই ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম শুরু করতে পারেন।

দুই মাসের ভিতরে অর্থাৎ 60 দিনের মধ্যে আপনার ফেসবুক পেজে 10 হাজার ফলোয়ার এবং 30 হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম কমপ্লিট করতে হবে। এই শর্ত আপনি পূরণ করতে পারলে ইউটিউব এর আপনার ফেসবুক পেজে মনিটাইজেশন অন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। তারপর আপনার ফেসবুক পেজের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিয়ে। আপনারা এখান থেকে টাকা আর্ন করতে পারেন।


০৮। টুইটার থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়

টুইটার থেকে ইনকামঃ আপনি যদি টুইটার থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে, আপনার টুইটারে অবশ্যই ফলোয়ার থাকতে হবে। ফলোয়ার ব্যতীত কখনোই আপনারা টুইটার থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন না।আর যদি আপনার টুইটারে ফলোয়ার থাকে তাহলে সহজে আপনারা টুইটার থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

অনলাইনে টুইটার ফলোয়ার বাড়ানোর অনেক রকম টুল রয়েছে।যেগুলো কাজে লাগিয়ে আপনারা সহজেই টুইটারে ফলোয়ার বাড়িয়ে নিতে পারবেন। আপনার টুইটারে ফলোয়ার হয়ে গেলে তখন আপনি ইনকাম করার কথা চিন্তা করতে পারেন।টুইটার থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য বেশ কিছু জিনিস এবং গুণ আপনার ভিতরে থাকতে হবে।


০৯। ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার উপায়

বর্তমানে সবচাইতে বেশি লোক যেখানে কাজ করছে সেটি হচ্ছে ফ্রি ল্যান্সিং। এতে মাসে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করাও সম্ভব। সরকার তো ফ্রি ল্যান্সিং এ সবাইকে উৎসাহ দিচ্ছে। হয়তো আগামী দিনে এটি হয়ে উঠবে একটি জনপ্রিয় পেশা। ফ্রি ল্যান্সিং এর জন্য আপনার ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করতে হবে। যেমনঃ ফাইবার, ফ্রি ল্যান্সার ইত্যাদি।

এতে বিদেশি বায়াররা অনলাইনে কাজের জন্য আপনাকে ভারা করবে। তাদের কাজ করে দিতে পারলেই তারা আপনাকে ভালো একটা এমাউন্ট দিবে। এবং সেটা ব্যাংক একাউন্ট এ নিতে হবে।তবে ফ্রি ল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই যেকোনো একটি বিষয় এ পারদর্শী হতে হবে যেমনঃ Graphics Design, Photo Editing, Web Design, Website Making, Copywriting, Content Writing,Logo Design), ইত্যাদি। আপনি যে বিষয় ভালো পারেন সেই বিষয় এই শুরু করতে পারেন ফ্রি ল্যান্সিং।


১০। ইমেইল মার্কেটিং করে আয়

ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি।ইমেইলের মাধ্যমে পন্য বা সেবার প্রচারকে ইমেইল মার্কেটিং বলে। ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার পন্য বা সেবার প্রচার করতে পারবেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন এই পদ্ধিতির মাধ্যমে করে থাকে।

ইমেইল মার্কেটিং এর সুবিধাঃ

কিছুদিন পূর্বে ইমেইলকে শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ধারণা করা হত কিন্তু বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে এর অনেক উন্নয়ন ঘটেছে। ইমেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের ছোট বড় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান তাদের পন্যের প্রচারের জন্য ইমেইল মার্কেটিং করে থাকে।

  • ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অল্প পরিশ্রমে বেশি পরিমাণে টাকা আয় করা যায়।
  • ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য প্রোগ্রামিং জানতে হয় না।
  • ইমেইল মার্কেটিং ব্যবসার জন্য উচ্চ হোস্টিং ফি খরচ করতে হয় না।
  • ইমেইল মার্কেটিং নিজের বা অন্যের পণ্য বিক্রি, এফিলিয়েট পন্যের বিক্রয়কৃত কমিশন ইত্যাদি অসংখ্য আয়ের ক্ষেত্র রয়েছে।
  • অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য রিভিউ লিখে পূর্বেই সেই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ আয় করতে পারেন।



১১। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়

অনলাইনে  অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে কমিশন পাওয়ার মাধ্যমে আয় করা কে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। কি কথা বোঝেন নি ? ওয়েট আমি একটি উদাহরন দিয়ে বিষয়টি ক্লিয়ার করে দিচ্ছি।

ধরুন আমার একটি প্যান্টের বিজনেস আছে , এখন আমি আপনাকে বললাম আপনি যদি আমার প্যান্ট বিক্রি করে দেন তবে আমি আপনাকে প্রতিটি প্যান্টের জন্য একটি নির্দিষ্ট পার্সেন্ট আপনাকে দেব। সেটা হতে পারে ৫% থেকে ৫০% পর্যন্ত ।

যদি একটি প্যান্টের দাম ৫০০ টাকা হয়  তাহলে প্রতি প্যান্টের বিক্রিতে ১০% হিসেবে আপনি পাবেন ৫০ টাকা। এভাবে আপনি যত বেশী বিক্রি করতে পারবেন ততো বেশী ইনকাম করতে পারবেন ।

আপনি যদি অনলাইনে বেশি টাকা উপার্জন করতে চান এবং যদি পরিশ্রমী আর ধৈর্য্যশীল মানুষ হন, তাহলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে,  কিভাবে কোন একটি কোম্পানির প্রোডাক্ট নিজের হাতে পাব এবং তা সেল করব?  এ প্রশ্নের  উত্তরটি হলো-  তারা আপনাকে কোন প্রোডাক্ট দেবে না। তারা আপনাকে যা দিবে সেটা হল প্রোডাক্টের একটি নির্দিষ্ট লিংক।

আমার বিসনেসের উদাহরনটা আবার দেই, আপনি যদি আমার থ্রি পিসের এফিলিয়েট মার্কেটিং করেন। তবে আমি আপনাকে কিন্তু সরাসরি আপনার হাতে থ্রি পিস ধরিয়ে দেব না আমি আপনাকে আমার ওয়েবসাইটে আমার থ্রি পিসের লিংকটা আপনাকে দেব।

আপনি এই লিংক বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া বা অনলাইনে যেখানে মানুষ আছে যারা  থ্রি কিনতে পারে এরকম জায়গায় আপনি আমার থেকে পাওয়া থ্রি পিসের লিংকটি শেয়ার করবেন।

আর আপনার শেয়ার করা লিংক থেকে যদি কেই আমার থ্রি পিস কিনে তবেই আপনার লাভ আপনি পেয়ে যাবেন  আপনার নির্দিষ্ট কমিশন । এভাবে যত বেশী মানুষ আপনার লিংক থেকে প্রডাক্ট কিনবে ততো বেশী কমিশন আপনি পাবেন । আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।

কিছু জনপ্রিয় এফিলিয়েট প্লাটর্ফম ২০২১ঃ

  • Amazon Associates. (সবচাইতে বেশী পরিচিত)
  • eBay Partners.
  • Shopify Affiliate Program.
  • Click-bank.
  • Awin
  • ShareAsale
  • CJ Affiliate
  • Rakuten Affiliate Network
  • AvanGate ( 2Checkout )
  • LinkConnector
  •  RevenueWire


১২। বাংলাদেশ থেকে সার্ভে করে আয়

জরিপ বা সার্ভে সম্পর্কে অনেকে শুনে থাকতে পারেন। বর্তমানে সার্ভে করে খুব ভালো অনলাইনে ইনকাম করা যায়। অনেকে মনে প্রশ্ন জাগতে পারে সার্ভে কি? সার্ভে এর বাংলা হচ্ছে জরিপ।সার্ভে মানেই হচ্ছে কোনো একটি নিদিষ্ট সময়ে নিদিষ্ট কোনো বিষয় এর জরিপ করা।একটি উদাহরণ দেওয়া যাক।

ধরুন, কোন একটি প্রতিষ্ঠানের বা ব্র্যান্ডের পণ্যের উপর ৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় নিয়ে সার্ভে বা জরিপ করে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারেন। অনলাইন সার্ভে করে আপনি উপরের যে কোন উপায় থেকে আরও বেশি আয় করতে পারবেন।

সার্ভে করার জন্য আপনাকে উক্ত পন্য বা সেবা সম্পর্কে মতামত দিতে হবে। জরিপ বা সার্ভেতে শুধু মাত্র আপনার মতামত দেওয়া লাগবে।এখানে আপনাকে অতিরিক্ত কিছু লিখা লাগবে না।সার্ভেতে টাকা আয় হবে আপনার প্রোফাইল এর উপর নির্ভর করে।আর অনেক সময় এই একটি সার্ভে এর ১$ ও পাওয়া যায়।


১৩। ভিডিও দেখে ইনকাম

ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম করার বিষয়টি হয়ত অনেকেই জানেন না জানলেও অনেকে বিশ্বাস করেনা। সত্যি কথা বলতে অনলাইন থেকে ভিডিও দেখে ইনকাম করার বিষয়টি অনেকের কাছে বিশ্বাস যোগ্য না হলেও ঘটনাটি কিন্তু সত্যি। তবে মনে রাখবেন, অনলাইনে অনেক সাইট রয়েছে যারা ভিডিও দেখিয়ে ইনকাম এর কথা বলে কিন্তু এরা স্ক্যাম বা ভূয়া সাইট। যারা আপনাকে দিয়ে ভিডিও দেখাবে কিন্তু পরবর্তীতে কোনো পেমেন্ট করবে না।

সাধারনত এই ধরনের ওয়েবসাইটগুলো বিভিন্ন ধরনের চটকদারী বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আপনাকে ভিডিও দেখিয়ে আয় করার ফাঁদে ফেলবে।এ থেকে বাচতে সবসময়ই একটা বিষয় মনে রাখবেন, কখনই কোনো ওয়েবসাইট আপনাকে ভিডিও দেখে খুব বেশি পেমেন্ট করবে না।তাই যখনই দেখবেন কোনো ওয়েবসাইট মাত্রাতিরিক্ত পেমেন্ট করার কথা বলছে কিংবা কোনো চটকদারী বিজ্ঞাপনের কথা বলবে বা খুব বেশি পেমেন্ট করার কথা বলবে বুঝে নিবেন সাইটটি ভুয়া।


১৪। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে ইনকাম

আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন।

আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলোতে জয়েন করার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করা হবে। তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা আয় করতে হবে।



১৫। টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

অপনি হয়তো আপনার বন্ধু বান্ধব বা প্রতিবেশী বা যেকোন মাধ্যম থেকে শুনেছে যে Android Apps ইনকাম করা যায়। হ্যা ভাই আপনি ঠিকই শুনেছেন। গুগল প্লে স্টোরে এমন অনেক এপস আছে যেগুলা ডাউনলোড করে আপনি ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন ।

তবে শুধু ডাউনলোড করলেই হবে না । এপস ডাউনলোড করার পর অনেক রকম কাজ করতে হয় । যেমন , এপ ডাউনলোডিং, এপস রেফার করা, ভিডিও দেখা ইত্যাদি । এই কাজ গুলি করার বিনিময়ে আপনি কিছু টাকা পাবেন ।


১৬। ফটোগ্রাফ বা ভিডিও বিক্রি করে

আপনার যদি ছবি তোলার শখ থাকে বা আপনি যদি ফটোগ্রাফার হন ।  তো আপনি ঘরে বসেই আপনার মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি অনলাইনে বিক্রি করে ইনকাম করতে পারেন ।

আপনি আশে-পাশের প্রকৃতি, স্থান, মানুষ, জিনিস, খাবার, সহ যে কোন কিছুর ভাল ছবি তুলে সেগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।

অনেই আছে যারা শুধু ছবি তুলে সেটা বিক্রি করে মাসে ৩০০ / ৪০০ ডলার বা তার বেশী  ইনকাম করে ঘরে বসেই ।

  • Sell Photos Online ২০২১ সাইট-
  • 500px.com
  • shutterstock.com 
  • envato.com
  • stock.adobe.com
  • imagesbazaar.com
  • ফোটোলিয়া
  • ফটোবিককেটের ইত্যাদি


১৭। ডাটা এন্ট্রি থেকে টাকা আয়

অনলাইনে সহজ কাজগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আয় খুব কম। তবে এ ধরনের কাজ অটোমেশনের কারণে এখন খুব কম পাওয়া যায়। যাদের কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও দ্রুতগতির টাইপিং দক্ষতা আছে, তারা এ ধরনের কাজ করতে পারবেন। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এ ধরনের কাজ রয়েছে। তবে যাদের কোনো কাজে দক্ষতা থাকে, তারা সহজে কাজ পান এবং দ্রুত আয় বাড়াতে পারেন।

১৮। গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে আয়

আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখেও ঘরে বসে অনলাইন থেকে ভালো পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারেন। অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনি আপনার করা ডিজাইন গুলা রেখে দিবেন সেখান থেকে আপনার ডিজাইনগুলা বিক্রি হতে থাকবে আর আপনি ঘরে বসে শুধু টাকা গুনবেন! কি ব্যাপারটা মজার না?

ব্যাপারটা মজার হলেও গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ঘরে বসে টাকা গোনা পর্যন্ত অনেক কিছুই করতে হবে। আপনার ভালো মানের একটা কম্পিউটার /ল্যাপটপ লাগবে ধৈর্য্য ও কঠর পরিশ্রমের মাধ্যমেই আপনি টাকা গুনতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ আপনি প্রাথমিক অবস্থায় এডোবি ফটোশপ এবং ইলিস্ট্রটর দিয়ে শুরু করতে পারেন

গ্রাফিক্স ডিজাইনে সাধারনত যেসব কাজ করা হয়ঃ

  • লগো ডিজাইন
  • ব্যানার ডিজাইন
  • পোষ্টার ডিজাইন।
  • কভার ডিজাইন
  • ফটো ইডিটিং

সহ সকল প্রকার ডিজাইনা

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে যেসব সাইট থেকে ইনকাম করতে পারবেনঃ

  • ফাইবার – Fiver.com
  • আপওয়ার্ক – Upwork.com
  • ফ্রিলান্সার – Freelancer.com
  • টপটাল – Toptal.com
  • নাইন্টিনাইন ডিজাইন  – 99designe.com
  • গুরু –  Guru.com
  • পিপুল পারওয়ার – Peopleperhour.com

বন্ধুরা আজকে জানলান টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে ১৮ টি পদ্ধতি। যদি এই পদ্ধতি গুল ভাল লাগে তাহলে আমাদের পোস্ট টি শেয়ার করবেন। 

Tags:
ব্লগ থেকে আয় করার উপায়, লেখা লেখি করে ইনকাম, ওয়েব ডিজাইন থেকে আয়, ইউটিউব থেকে আয়, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও করে আয়, সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয়, ফেসবুক থেকে আয় করার উপায়, টুইটার থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়, ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার উপায়, ইমেইল মার্কেটিং করে আয়, এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়, বাংলাদেশ থেকে সার্ভে করে আয়, ভিডিও দেখে ইনকাম, প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে ইনকাম, টাকা ইনকাম করার অ্যাপ, ফটোগ্রাফ বা ভিডিও বিক্রি করে, ডাটা এন্ট্রি থেকে টাকা আয়, গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে আয়
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url