খুজে না পেলে সার্চ করো

ঐতিহাসিক উৎসের উপর ভিত্তি করে শ্রী চন্দ্রের সাথে কামরূপের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধর

ঐতিহাসিক উৎসের উপর ভিত্তি করে শ্রী চন্দ্রের সাথে কামরূপের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধর
ঐতিহাসিক উৎসের উপর ভিত্তি করে শ্রী চন্দ্রের সাথে কামরূপের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধর

ঐতিহাসিক উৎসের উপর ভিত্তি করে শ্রী চন্দ্রের সাথে কামরূপের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধর

  • অথবা, উৎকীর্ণ লিপি প্রমাণের ভিত্তিতে কামরূপের সাথে রাজা শ্রী চন্দ্রের সম্পর্ক কেমন ছিল তা সংক্ষেপে আলোচনা কর ।

উত্তর : ভূমিকা : দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা হিসেবে রেলোকচন্দ্রের আবির্ভাব ঘটলেও অনেকের মতে রাজা শ্রী চন্দ্রই ছিলেন চন্দ্রবংশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজা। 

তার সময়ে উৎকীর্ণ এবং উত্তরসূরিদের তাম্রশাসনে শ্রী চন্দ্রকে একজন মহান রাজা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার পরিচয় পাওয়া যায় তার শাসনামলে কামরূপ বিভায়ের মাধ্যমে।

→ শ্রী চন্দ্রের সঙ্গে কার্যরূপের সম্পর্ক : কামরূপের সঙ্গে শ্রী চন্দ্রের কেমন সম্পর্ক ছিল আমরা তা নিম্নলিখিত দুটি তাম্রলিপির বিচারে আলোচনায় চেষ্টা করব।

→ সিলেটের পশ্চিমভাগ থেকে প্রাপ্ত তাম্রশাসন : শ্রী চন্দ্রের রাজত্বকালের পঞ্চম বছরে উৎকীর্ণ তাম্রশাসন থেকে জানা যায় যে, তিনি শ্রীহট্ট বা সিলেটে ভূমিদান করেছিলেন। 

তিনি আরো উত্তর পূর্বে অর্থাৎ কামরূপ রাজ্যে বিজয়াভিযান পরিচালনা করেছিলেন। কামরূপ বিজয়াভিযানে তার সৈন্যদল লোহিত বা ব্রহ্মপুত্র নদী অতিক্রম করে গৌহাটির অদূরবর্তী পার্বত্যাঞ্চল পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছিল বলে উল্লেখ আছে। 

এ তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব না হলেও বিনাদ্বিধায় এটা বলা যায় যে কারূপ রাজ বলবর্মার যে দুর্বল শাসন সে রাজ্যে বিদ্যমান ছিল সেই সুযোগে শ্রী চন্দ্রের সেখানে রাজ্য অভিযান খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।

তবে কামরূপ রাজ্যের কোনো অংশ বাংলার শাসনাধীনে এসেছিল কি-না তা বলা দুষ্কর। তবে এ কথা বলা যায় যে, শ্রী চন্দ্রের অধিনে বাংলার শক্তি, শৌর্যবীর্যের যে পরিচয় পাওয়া গেছে তা মূলত তার এ কামরূপ অভিযানের ফলেই সম্ভব হয়েছে।

শ্রী চন্দ্রের শাসনামল ও চন্দ্র বংশীয় রাজাদের আমলে উৎকীর্ণ লিপি : চন্দ্র বংশীয় রাজাদের শাসনামলে এবং চন্দ্রবংশীয় শাসনামলে উৎকীর্ণ শিলালিপি থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, ঢাকা জেলার বিক্রমপুর ছিল শ্রী চন্দ্রের রাজধানী। 

আর বৃহত্তম মানিকগঞ্জ জেলা, শ্রীহট্ট বা সিলেট অঞ্চল, কুমিল্লা ও নোয়াখালীর সমতট অঞ্চল ও ফরিদপুরের পদ্মাতীরবর্তী এলাকা ছিল শ্রী চন্দ্রের সাম্রাজ্যভুক্ত শ্রী চন্দ্রের সাম্রজ্যের এরূপ বিস্তৃতি তার শাসনব্যবস্থার শক্তিশালী দিককে ফুটিয়ে তোলে। 

আর যা থেকে ধারণা করা হয় যে বাংলার বাইরে সীমান্তবর্তী কামরূপে আধিপত্য। বিস্তার করা তার পক্ষে কোন অস্বাভাবিক ঘটনা ছিল না।

উপসংহার : উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বিভিন্ন লিপি প্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে রাজা শ্রী চন্দ্র কামরূপ রাজ্য অভিযান করে সফল হয়েছিলেন, তবে তিনি সেখানে, করে কতটুকু অংশ তার সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন সে সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ