একাকিনী শোকাকুলা, অশোক কাননেকাঁদেন রাঘব বাঞ্ছা আধার কুটিরে নীরবে।ব্যাখ্যা কর

একাকিনী শোকাকুলা, অশোক কাননেকাঁদেন রাঘব বাঞ্ছা আধার কুটিরে নীরবে।ব্যাখ্যা কর।

একাকিনী শোকাকুলা, অশোক কাননেকাঁদেন রাঘব বাঞ্ছা আধার কুটিরে নীরবে।ব্যাখ্যা কর
উত্তর মেঘনাদবধ কাব্যে রাবণের বোনকে লক্ষ্মণ নাক ছেদন করে যে অপমান করে। তারই প্রতিশোধ নিতে রাবণ পঞ্চবটী বনে গিয়ে সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশে ছল-ছলনা করে সীতাকে ধরে এনে বন্দী করে রাখে তার অশোকবনে। 

তার চারপাশে পর্বের যুদ্ধে রাবণের ছোট ছেলে বীরবাহু রাঘবদের হাতে নিহত হয়। খবর পেয়ে মেঘনাদ প্রমোদ উদ্যান থেকে চলে আসে এবং যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। মেঘনাদ যুদ্ধে গেলে রাম- লক্ষ্মণ নিশ্চিত তার হাতে মৃত্যুবরণ করবে, কেননা মেঘনাদ হচ্ছে বাসববিজয়ী ইন্দ্রজিৎ। 

এর পূর্বেও লক্ষ্মণ তার হাতে নিহত হয়েছে, দেবতার বরে সে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে। আজ রাতে রাবণ প্রাসাদে মেঘনাদের অভিষেক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমগ্র রাজবাড়ি আনন্দে ডুবে আছে। এ আনন্দে অংশ নিয়েছে অশোকবনের সীতার পাহারাদারেরাও। 

সীতা নারী, সে দুর্বল- তাই তাকে ফেলে চেড়ীবৃন্দ নিশ্চিন্তে অভিষেকে মেতে উঠেছে। রাক্ষসকুল এই ভেবে আনন্দ করছে যে, কাল সকালে মেঘনাদ যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে রাম-লক্ষ্মণকে বধ করবে। তাই লঙ্কার পথেঘাটে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। সীতা একাকী অশোকবনে বসে আগামী দিনে স্বামী ও দেবরের দুরবস্থার কথা স্মরণ করে নীরবে চোখের জল ফেলছে। চোখের জলই তার সম্বল। 

তার কাছে কেউ নেই— সে অনিকেত - নিঃসঙ্গ। একাকিত্ব ও আগামী দিনের চিন্তায় তার চিত্ত শোকাকুলা । নিযুক্ত করা হয় পাহারা। সীতা উদ্ধারে রাম-লক্ষ্মণ তাদের বিশাল বাহিনী নিয়ে লঙ্কা আক্রমণ করে। প্রথ

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ