একাকিনী শোকাকুলা, অশোক কাননেকাঁদেন রাঘব বাঞ্ছা আধার কুটিরে নীরবে।ব্যাখ্যা কর
একাকিনী শোকাকুলা, অশোক কাননেকাঁদেন রাঘব বাঞ্ছা আধার কুটিরে নীরবে।ব্যাখ্যা কর।
![]() |
| একাকিনী শোকাকুলা, অশোক কাননেকাঁদেন রাঘব বাঞ্ছা আধার কুটিরে নীরবে।ব্যাখ্যা কর |
এর পূর্বেও লক্ষ্মণ তার হাতে নিহত হয়েছে, দেবতার বরে সে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে। আজ রাতে রাবণ প্রাসাদে মেঘনাদের অভিষেক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমগ্র রাজবাড়ি আনন্দে ডুবে আছে। এ আনন্দে অংশ নিয়েছে অশোকবনের সীতার পাহারাদারেরাও।
সীতা নারী, সে দুর্বল- তাই তাকে ফেলে চেড়ীবৃন্দ নিশ্চিন্তে অভিষেকে মেতে উঠেছে। রাক্ষসকুল এই ভেবে আনন্দ করছে যে, কাল সকালে মেঘনাদ যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে রাম-লক্ষ্মণকে বধ করবে। তাই লঙ্কার পথেঘাটে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। সীতা একাকী অশোকবনে বসে আগামী দিনে স্বামী ও দেবরের দুরবস্থার কথা স্মরণ করে নীরবে চোখের জল ফেলছে। চোখের জলই তার সম্বল।
তার কাছে কেউ নেই— সে অনিকেত - নিঃসঙ্গ। একাকিত্ব ও আগামী দিনের চিন্তায় তার চিত্ত শোকাকুলা । নিযুক্ত করা হয় পাহারা। সীতা উদ্ধারে রাম-লক্ষ্মণ তাদের বিশাল বাহিনী নিয়ে লঙ্কা আক্রমণ করে। প্রথ
