জালালাবাদের নারীদের পর্দা প্রথা সম্পর্কে যা জান লেখ
জালালাবাদের নারীদের পর্দা প্রথা সম্পর্কে যা জান লেখ।
![]() |
| জালালাবাদের নারীদের পর্দা প্রথা সম্পর্কে যা জান লেখ। |
উত্তর : সর্দারজীর মাধ্যমেই লেখক ‘জালালাবাদ' এর সাথে পরিচিত হয়েছিলেন। দক্কার পাশেই সেই কাবুল নদীর কৃপায় এ জালালাবাদ শস্যশ্যামল।
এখানে জমি বোধ হয় দক্কার মতো পাথরে ভর্তি নয় বলে উপত্যকা রীতিমতো চওড়া একটু নিচু জমি বাস নামার পর আর তার প্রসারের আন্দাজ করা যায় না। তখন দু'দিকেই সবুজ আর লোকজনের ঘরবাড়ি। সামান্য একটি নদী ক্ষুদ্রতম সুযোগ পেলে যে কি মোহন সবুজের লীলাখেলা দেখাতে পারে জালালাবাদে তার অতি মধুর তসবির? এমন কি সে দুটো চারটে পাঠান রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল তাদের চেহারাও যেন সীমান্তের পাঠনের চেয়ে মোলায়েম বলে মনে হলো।
জালালাবাদের নারীর মন প্রকৃতির মতোই সাবলীল ও সরল প্রকৃতির। লক্ষ্য, করলে বুঝা যায় যে, পাঠান শহরে গিয়ে সেখানকার মেয়েদের 'বেপর্দার' নিন্দা করে। তারই বউ-ঝি ক্ষেতে কাজ করছে অন্য দেশের মেয়েদেরই মতো।
মুখ তুলে বাসের দিকে তাকাতেও তাদের আপত্তি নেই। লেখক বেতারকর্তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি গম্ভীরভাবে বললেন, ‘আমার যতদূর জানা, কোনো দেশের গরিব মেয়েই পর্দা মানে না, অন্তত আপন গাঁয়ে মানে না।
শহরে গিয়ে মধ্যবিত্তের অনুকরণে কখনো পর্দা মেনে ‘ভদ্রলোক' হবার চেষ্টা করে, কখনো মধ্য কাজ-কর্মের অসুবিধা হয় বলে গাঁয়ের রেওয়াজই বজায় রাখে।' জালালাবাদের গ্রামীণ মেয়েদের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য। সেখানে পর্দা প্রথার খুব বাড়াবাড়ি নেই। আরবে বেদুইন মেয়েরা ও ইরাকে দরিদ্র নারীদের বিনা পর্দায় ছাগল চরাতে দেখা যায় ।
