নায়েবে নবী গল্পে বর্ণিত কয়েকটি ব্যঙ্গরসের উদাহরণ দাও
নায়েবে নবী' গল্পে বর্ণিত কয়েকটি ব্যঙ্গরসের উদাহরণ দাও।
![]() |
| নায়েবে নবী' গল্পে বর্ণিত কয়েকটি ব্যঙ্গরসের উদাহরণ দাও। |
উত্তর : ‘নায়েবে নবী' গল্পে সার্থক ব্যঙ্গরস আভাসিত। লেখকের এ ব্যঙ্গ আমাদের বোধের গভীরে আঘাত করে ও মুক্তি আকাঙ্ক্ষা জাগায়। শুধু হাস্য কৌতুকরস নয়, যথার্থ ব্যঙ্গরস এতে পরিবেশিত। গল্পের সূচনায় হাস্যরস আভাসিত হলেও পরিণতিতে ব্যঙ্গরস প্রকটিত। গল্পকারের বর্ণনায় সে ব্যঙ্গচিত্র পাওয়া যায়।
যেমন- ক. “বেলাবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যখন নায়েবে নবীদ্বয়ের ক্ষুধা বৃদ্ধি হইতে লাগিল, তখন স্বভাবতই তাঁহাদের কথার উষ্ণতাও বৃদ্ধি পাইতে লাগিল ।” (পৃ: ৪২)
খ. “সমবেত লোকেরা বহু কষ্টে জেহাদরত নায়েবে-নবীদ্বয়কে পরস্পরের বজ্রমুষ্টি হইতে মুক্ত করিল।" (পৃ: ৪৩) গ. “নায়েবে নবীদ্বয় পরস্পরের মুখের দিকে চাহিয়া মুহূর্তে দৃষ্টি বিনিময় করিলেন এবং প্রায় সমস্বরে বলিলেন হাদিস শরীফে এ বিষয়ে কোন নিষেধ নাই।" (পৃ: 88 )
সমাজের পরিত্রাণের জন্য যাদের 'নায়েবে নবী' হিসেবে আগমন তারাই পরস্পর হীন স্বার্থকলহে লিপ্ত। সমাজকে তুচ্ছ করে ব্যক্তিস্বার্থে ধর্মকে ব্যবহারকারী এসব ধর্মীয় নেতাদের ভণ্ডামির মুখোশ তীব্র ব্যঙ্গের কষাঘাতে এ গল্পে উন্মোচিত হয়েছে।
