আরকে রায়হান https://www.rkraihan.com/2022/05/sistacar-rocona.html

শিষ্টাচার রচনা | শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা | শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য


আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে বিষয় হলো শিষ্টাচার রচনা | শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা | শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য জেনে নিবো। তোমরা যদি শিষ্টাচার রচনা | শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা | শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য টি ভালো ভাবে নিজের মনের মধ্যে গুছিয়ে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে মনযোগ সহকারে পড়তে হবে। চলো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা জেনে নেই আজকের শিষ্টাচার রচনা | শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা | শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য টি।
শিষ্টাচার রচনা  শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা  শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য
শিষ্টাচার রচনা  শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা  শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য
আর হ্যা আমরা তোমাদের সুবিধার জন্য আমরা খুব সহজ ভাবে আজকের এই শিষ্টাচার রচনা | শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা | শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য টি তুলে ধরেছি।

শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা

ভূমিকা: মানুষ দেনন্দিন জীবনে কথা-বার্তা, চাল-চলন, আহার-বিহার ও সার্বিক আচরণে যে শালীনতা প্রকাশ করে তা-ই শিষ্টাচার । মানুষ সমাজ ভাবনে বাহরের সৌজন্যবােধকে প্রকাশ করে নিজেকে মার্জিত ও বিনয়ী স্বভাবের ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। প্রকৃতপক্ষে যারা কেবল কৃত্রিমভাবে নিজকে উপস্থাপন করতে চায় তারা কপটচারী, পক্ষান্তরে ভেতরে বাইরে যে সমান মাজিতি ও বিনয়ী তার মধ্যে প্রকাশ ঘটে শিষ্টাচারের। বলা যায়, মানবের ভেতর সত্তার মার্জিত আচরণের বহিঃপ্রকাশ শিষ্টাচার । শিষ্টাচার মানুষের অন্যতম প্রধান ]। 
শিষ্টাচারের স্বরুপ: শিষ্টাচারকে একক একটি গুণ না বলে একগুচ্ছ ভালাে গুণের সম্মিলন বলা যায়। একজন ব্যক্তি কেমন তার সবকিছুরই প্রকাশ। ঘটে ব্যক্তির আচরণে। মানব আচরণের মধ্য দিয়ে তার যথার্থ ব্যক্তিত্বকে নিরুপণ করা যায় । তাই ব্যক্তির আচরণের মধ্যেই শিষ্টাচারের স্বরূপ। বিদ্যমান। মাথার চুল কাটা থেকে পায়ের নখ কাটা পর্যন্ত কাজেও শিষ্টতাকে চিনে নেওয়া যায় । সুরুচি, সকথা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নম্র স্বরে কথা বলা ইত্যাদির মধ্যেও শিষ্টাচারের প্রকাশ ঘটে। মােটকথা ব্যক্তির সর্বোত্তম আচরণই শিষ্টাচার । শিষ্টাচার সকলের মধ্যে বর্তমান থাকা বাঞ্ছনীয়। 
শিষ্টাচার শিক্ষা: শিষ্টাচার শিক্ষার জন্যে পরিবারই প্রথম এবং প্রধান শিক্ষালয়। পরিবারের বড়দের মধ্যে শিষ্টাচারের অভাব হলে নতুন শিশুর পক্ষে শিষ্টাচার শেখা সম্ভব নয়। শিশুরা স্বাভাবিকভাবে অনুকরণ প্রিয়। তাই তাদের চোখের সামনে যত শিষ্ট আচরণ করা যায় ততই তাদের আচরণে শুদ্ধতা আসে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শিষ্টাচার শিক্ষা দেওয়া হয়। গুরুজনের সাথে ছাত্রের আচার-ব্যবহার, সমাজের অন্যান্য ব্যক্তির সাথে তার আদবকায়দা কেমন হবে তা বিদ্যালয়েও শিক্ষা দেওয়া হয়। শিষ্টাচার শুধু শিক্ষা দেওয়ার বিষয় নয় একে নিজ গুণে নিজের মধ্যে ধারণ করতে হয়, তবেই। নন্দিত ব্যক্তিত্বের উত্তোরণ ঘটে জীবনে। 
শিষ্টাচারের গুরুত্ব: মানবজীবনে শিষ্টাচারের গুরুত্ব অপরিসীম। শিষ্টাচার আছে এমন মানুষ সহজেই অন্যের মন জয় করতে পারে, ফলে সমাজে তার তগেতাে বন্ধি পায়। শিষ্টাচারপ্রবণ মানুষ বিশ্বস্ত হয়ে ওঠে সকলের মাঝে । সকলে তাকে সমাজের নেতৃত্বে দেখতে চায় ফলে ব্যক্তির পক্ষে মহৎ নাজ করাও সম্ভবপর হয়ে ওঠে। শিষ্টাচারী ব্যক্তি সাধারণ মানুষের জন্যে মডেল বা অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। সমাজের মানুষ তাকে উ। অবস্থানে স্থান দেন। মানুষ প্রকৃতিগতভাবে অন্যের কাছ থেকে সদাচারণ, স্নিগ্ধ ব্যবহার ও সামান্য প্রশংসা প্রত্যাশা করে। তাই ব্যক্তির সাথে বাকির শিষ্টাচার সমাজে বয়ে আনে সাম্য, শান্তি। তাই সামাজিক জীবনে শিষ্টাচারের প্রয়ােজনীয়তা ও গুরুত্ব অত্যধিক।
পারিবারিক জীবনে শিষ্টাচার: পারিবারিক জীবনে শিষ্টাচারের ভূমিকা অপরিসীম। যে পরিবারে শিষ্টাচার আছে তারা শান্তিময় জীবনযাপন করে। পিরবারে শাচার আছে বলে তারা একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ফলে পরিবারে কোনাে অনভিপ্রেত ঘটনার জন্ম হয় না। পক্ষান্তরে শিষ্টাচারশূন্য পারবার অশান্তির ঠিকানা। তারা শান্তিপ্রিয় জীবনে আগ্রহী হলেও শান্তি তাদের কাছে থেকে যায় অধরা। কেননা তাদের মধ্যে শিষ্টাচার নেই, ফলে। উদ্ধত আচরণ দিয়ে তারা একে অন্যের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়। পারিবারিক জীবনে যে পরিবার শিষ্টাচার চর্চা করে সমাজের অন্যান্য পরিবার। তাদেরকে ভালাে মানুষ হিসেবে গণ্য করে। তাই পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে আমাদের হতে হবে শিষ্টাচারপ্রিয়।। 
ছাত্রজীবনে শিষ্টাচার: ছাত্রজীবন মানবজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় । ছাত্রজীবনে শিষ্টাচারের মতাে উত্তম আচরণ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে পরিণত জীবনে এর প্রতিফলন ঘটে। ফলে বক্তিগত জীবন হয়ে ওঠে নান্দনিক। একজন শিষ্টাচারী ছাত্র সকল শিক্ষক এবং সহপাঠী দ্বারা সমাদৃত হয় এবং বিদ্যালয়ে হয়ে ওঠে প্রিয় পাত্র। অন্যদিকে অশিষ্টাচারী ছাত্র নিজে যেমন মন্দ অন্যের জন্যেও সে ক্ষতিকারক । সকলে তাকে অভিসম্পাত করে এবং তার জীবন হয় অর্থহীন। 
শিষ্টাচারহীন জীবনের পরিণাম: শিষ্টাচারহীন জীবন মানে ঔদ্ধত্যপূর্ণ অহংকারী জীবন। এ জীবনে সভ্যতার কোনাে স্থান নেই। যার মধ্যে শিষ্টাচার নেই তার জীবনাচরণে মার্জিত কিছু আশা করা বৃথা । শিষ্টাচার বর্জিত জীবন সমাজ, রাষ্ট্র সকলের জন্যেই অকল্যাণকর । যে জীবনে শিষ্টাচারের অভাব রয়েছে তাকে সকলে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখে। সমাজে তার অবস্থান নিচে। অমার্জিত লােকের সাহচর্য কেউ কামনা পরিবারও তাকে এড়িয়ে চলে। যে জীবনের সাহচর্যকে কেউ গ্রহণ করে না তার মতাে দুর্ভাগা আর কে আছে?
উপসংহার: শিষ্টাচার অসংখ্য মানবিক গণের সমষ্টি। এ গুণকে জীবনে ধারণ করতে হবে। শিষ্টাচারপূর্ণ জীবন মানুষকে অনেক উর্ধ্বে উতি কৰে। উপসংহার: শিষ্টাচার অসংখ্য মানবিক গুণের সমষ্টি। এ গুণকে জীবনে ধারণ ।
নাম যদি এ গণের অধিকারী না হয় তা হলে সভ্য সমাজের মানুষ হিসেবে মানুষের মর্যদা হ্রাস পায় । শিষ্টাচারী জীবনের সমাজের সর্বস্তরে মানুষ যদি এ গুণের অধিকারী না হয় তা হলে সভ্য সমাজে ধারণ করতে হলে তাই শিষ্টাচারই হওয়া উচিত দৈনন্দিন জীবনের আচরন।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ শিষ্টাচার রচনা | শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা | শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য

আমরা এতক্ষন জেনে নিলাম শিষ্টাচার রচনা | শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা | শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য টি। যদি তোমাদের আজকের এই শিষ্টাচার রচনা | শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ রচনা | শিষ্টাচার সম্পর্কে ৫টি বাক্য টি ভালো লাগে তাহলে ফেসবুক বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিতে পারো। আর এই রকম নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আরকে রায়হান ওয়েবসাইটের সাথে থাকো।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

Please do not enter any spam link in the comment box.

আরকে রায়হান নোটিফিকেশন