business loans, commercial loan, auto insurance quotes, motorcycle lawyer

জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে বিষয় হলো জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা জেনে নিবো। তোমরা যদি জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা টি ভালো ভাবে নিজের মনের মধ্যে গুছিয়ে নিতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে মনযোগ সহকারে পড়তে হবে। চলো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা জেনে নেই আজকের জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা  টি।

জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা
জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা

জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা

রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত এক বা একাধিক দেশপ্রেমমূলক গানকে জাতীয় সংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সূচনায় বা জাতীয় দিবসসমূহ পালনের সময়ে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রতিদিন সকালের সমাবেশে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময়ে সমবেত সকলকে উঠে দাঁড়াতে হয়। এটা দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানানাের সামিল। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযােগিতায় খেলা শুরুর আগেও প্রতিযােগীরা নিজ নিজ দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের প্রথম লাইন: 'আমার সােনার বাংলা আমি তােমায় ভালােবাসি।' বাউল গানের সুরে গানটি রচনা করেছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে গানটিকে জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেওয়া হয়। গানটির কথায় বাংলাদেশ এবং বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালােবাসা প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধরনের জাতীয় সংগীত দেশের মানুষকে নিজ দেশের প্রতি দায়বদ্ধ হতে শেখায়।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা

আমরা এতক্ষন জেনে নিলাম জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা  টি। যদি তোমাদের আজকের এই জাতীয় সংগীত অনুচ্ছেদ রচনা  টি ভালো লাগে তাহলে ফেসবুক বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিতে পারো। আর এই রকম নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আরকে রায়হান ওয়েবসাইটের সাথে থাকো।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url