business loans, commercial loan, auto insurance quotes, motorcycle lawyer

আজাদ উদ দৌলা কে ছিলেন

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে বিষয় হলো আজাদ উদ দৌলা কে ছিলেন জেনে নিবো। তোমরা যদি পড়াটি ভালো ভাবে নিজের মনের মধ্যে গুছিয়ে নিতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে মনযোগ সহকারে পড়তে হবে। চলো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা জেনে নেই আজকের বুয়াইয়াদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিল।

আজাদ উদ দৌলা কে ছিলেন
আজাদ উদ দৌলা কে ছিলেন

আজাদ উদ দৌলা কে ছিলেন

উত্তর : ভূমিকা : খ্রিস্টীয় দশম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে উত্থান হয় বুয়াইয়া রাজবংশের। বুয়াইয়া বংশের ৯ জন শাসকদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। তার শাসনামলে (৯৬৭ – ৯৮৩ খ্রি.) বুয়াইয়াশক্তি সর্বোচ্চ শিখরে উপনীত হয়। 

স্বীয় অধ্যবসার কর্মদক্ষতা ও বিচক্ষণতায় আজাদ-উদ-দৌলা কেবল শ্রেষ্ঠ বুয়াইয়াদী আমির ছিলেন না । সেই সময়ের অন্যতম বিখ্যাত শাসকও ছিলেন।

→ আজাদ-উদ-দৌলার পরিচয় : নিম্নে আজাদ-উদ-দৌলার পরিচয় তুলে ধরা হলো :

১. প্রাথমিক পরিচয় : আজাদ-উদ-দৌলা ইস্পাহানে জন্মগ্রহণ | করেন। তিনি ছিলেন বুয়াইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা আহমদ ইবনে আবু সুজার | ভ্রাতৃষ্পুত্র। তিনি অত্যন্ত সাহসী, ক্ষমতালোভী ও হৃদয়হীন ছিলেন।

২. সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা : আব্বাসীয় শাসকদের দুর্বলতার সুযোগে আজাদ-উদ-দৌলা ও তার পূর্ববর্তী শাসকগণ ক্ষমতায় আরোহণ করেছিলেন। ৯৬৭ সাল ইজাজ-দৌলাকে পরাজিত করে আজাদ- উদ-দৌলা ক্ষমতায় আরোহণ করেন। 

আজাদ-উদ-দৌলার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি ছিল খলিফা হারুনের ন্যায় ক্ষুদ্র রাজবংশগুলোর সমন্বয়, একটি সমৃদ্ধশালী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার শাসনামলে বুয়াইয়ারা সর্বোচ্চ শক্তিশালী জাতিতে পরিণত হন।

৩. সুলতান ও শাহান শাহ উপাধি গ্রহণ : আজাদ-উদ-দৌলা একজন উচ্চবিলাসী শাসক ছিলেন। তার পূর্ববর্তী আমিরগণ শুধু সুলতান উপাধি গ্রহণে সন্তুষ্ট থাকলেও তিনিই সর্বপ্রথম সুলতান ও শাহানশাহ উভয়ই উপাধি গ্রহণ করেন। এইজন্য পি.কে. হিট্টি বলেন (Azad was the first ruler in Islam to bear the tittle shamsah (Ref: History of the Arobs -P 472)

৪. খিলাফত অবমাননা : ক্ষমতালোভী সুলতান মুসলিম সাম্রাজ্যের আধ্যাত্মিক ও পার্থিব বিষয়ের সর্বময় ক্ষমতাধারী খলিফাকে অবমাননা করতে কুণ্ঠিত হননি। 

খুৎবায়ে খলিফার নামের সাথে তার নাম উচ্চারণ করতে বাধ্য করেন। এছাড়া মুনিমুক্তা খচিত মুকুট, রাজ তরবারি খলিফাকে প্রদানে তিনি বাধ্য করেন। এগুলো ছিল খিলাফত ব্যবস্থার অবমাননা ।

৫. শিক্ষা-সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা : সুলতান আজাদ-উদ- দৌলা নীতিজ্ঞান শূন্য হলেও বিদ্যোৎসাহী ছিলেন। তিনি একজন সুশিক্ষিত ও জ্ঞানী ছিলেন। গণিত শাস্ত্রে তার যথেষ্ট পাণ্ডিত্য ছিল।

৬. জনহিতকর কার্যাবলি : আজাদ-উদ-দৌলা তার রাজত্বকালে বহু জনহিতকর কার্যাবলি সম্পাদন করেন। এগুলোর মধ্যে খাল-খনন, আল বিমারিস্থান, আজদী হাসপাতাল নির্মাণ উল্লেখযোগ্য ছিল।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, সুলতান আজাদ-উদ- | দৌলা শিল্প সাহিত্য, শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। আজাদ-উদ-দৌলা কেবল নিজ দক্ষতা ও যোগ্যতার বলেই বুয়াইয়াদের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক হয়েছিলেন।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ আজাদ উদ দৌলার পরিচয় দাও

আমরা এতক্ষন জেনে নিলাম আজাদ উদ দৌলা কে ছিলেন। যদি তোমাদের আজকের এই পড়াটিটি ভালো লাগে তাহলে ফেসবুক বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিতে পারো। আর এই রকম নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আরকে রায়হান ওয়েবসাইটের সাথে থাকো। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

Google News এ আমাদের ফলো করুন