আমি তখনি বলেছিলাম কর্তা মহাশয় এদেশে থাকা নয় তা আপনি শুনিলেন না। কাঙালের কথা বাসি হলে খাটে।- সাধুচরণ কেন গোলকবসু কে এ কথা বলেছিল

আমি তখনি বলেছিলাম কর্তা মহাশয় এদেশে থাকা নয় তা আপনি শুনিলেন না। কাঙালের কথা বাসি হলে খাটে।- সাধুচরণ কেনগোলকবসুকে এ কথা বলেছিল



আমি তখনি বলেছিলাম কর্তা মহাশয় এদেশে থাকা নয় তা আপনি শুনিলেন না। কাঙালের কথা বাসি হলে খাটে।- সাধুচরণ কেনগোলকবসুকে এ কথা বলেছিল
আমি তখনি বলেছিলাম কর্তা মহাশয় এদেশে থাকা নয় তা আপনি শুনিলেন না। কাঙালের কথা বাসি হলে খাটে।- সাধুচরণ কেনগোলকবসুকে এ কথা বলেছিল

উত্তর: নীলের ব্যবসা লাভজনক বলে বাংলার বিভিন্ন স্থানে নীলকুঠি স্থাপিত হয়। নীল করেরা বাংলার কৃষককে জোর করে নীল চাষে বাধ্য করায়। যথাযথ মূল্য না পেয়ে বাংলার কৃষক সর্বস্বান্ত। ইতোমধ্যে নীলকরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই দেশ ছেড়েছে। গোলকবসু সংগতিপন্ন কৃষক, প্রতিবেশী সাধুচরণ তাকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিল দেশ ত্যাগ করতে ।

 কিন্তু গোলকবসু তা করে নি। কিন্তু আজ দেখা যাচ্ছে নীলকরেরা তাকে ৫০ বিঘার পরিবর্তে ৬০ বিঘায় নীল চাষে বাধ্য করছে, এমন কি তার পুকুর পাড় অবধি নীল চাষ করাবে, ফলে এখন ইজ্জত সম্মান নিয়ে গ্রামে বসবাসই দায় হয়ে পড়েছে। 

এমন অবস্থা যে হবে সাধুচরণ আগেই টের পেয়ে গোলকবসুকে সতর্ক করে দিয়েছিল। সে দরিদ্র কৃষক, তার কথার তখন মূল্য দেয়া হয় নি। কিন্তু সে ছোট মানুষ হলেও তার কথাই যে শেষ পর্যন্ত ফলতে বসেছে। এখন মনে হচ্ছে সাধুচরণের কথাই ছিল সত্য, তার কথামত দেশ ত্যাগ করাই ছিল বাঞ্ছনীয় ।


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ