নীলদর্পণ নাটকের নায়ক চরিত্র বিকশিত হয়নি সংক্ষেপে আলোচনা কর
নীলদর্পণ নাটকের নায়ক চরিত্র বিকশিত হয়নি সংক্ষেপে আলোচনা কর
![]() |
| নীল দর্পণ' নাটকে নায়ক চরিত্র বিকশিত হয় নি। সংক্ষেপে আলোচনা কর |
অত্যাচারী নীলকরদের বিরুদ্ধে নবীন মাধব প্রতিবাদ করেছে, শক্তিশালী নীলকরদের সামনে সে নির্ভয়ে উচিত বাক্য বলেছে। ক্ষেত্রমণিকে নীলকুঠিতে ধরে নিলে সে তোরাপের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করেছে। এমনকি প্রয়োজনে নীলকরকে পদাঘাত পর্যন্ত করেছে।
কিন্তু এতদসত্ত্বেও কাহিনীর মেজাজের পরিপ্রেক্ষিতে নবীন মাধব যথেষ্ট বলিষ্ঠ ও দ্বিধাহীন নয়। নাট্যকার গোলকবসুর কাহিনীকে নাটকের মূল কাহিনী করে সাধুচরণ ও ক্ষেত্রমণির কাহিনীকে পার্শ্বকাহিনী হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
অর্থাৎ নাটকটি রচনার প্রেরণা এসেছে সাধুচরণ-ক্ষেত্রমণির মত লাঞ্ছিত কৃষক পরিবারের হাহাকার থেকে। তাই স্রষ্টা মধ্যবিত্ত নবীন মাধবকে পূর্ণ বিকশিত করার কোন আনন্দ খুঁজে পান নি। ফলে নবীন মাধব নিজে গতিশীল হয়ে সমগ্র কাহিনীকে একটি নির্দিষ্ট কাহিনীর দিকে অগ্রসর হতে সহায়তা করে নি।
নবীনমাধবের নায়কত্ব নিয়ে যেখানে এত সংশয়, সেখানে অন্য কারও নায়ক হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তবে বলা যায় এ নাটকে নায়ক এক নয়, একটি দল। নবীন মাধব সেই দলের দলপতি।
