সততার পুরস্কার গল্পের অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর সহ
![]() |
| সততার পুরস্কার গল্পের অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর সহ |
সততার পুরস্কার গল্পের অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর সহ
প্রিয় বন্ধুরা সততার পুরস্কার গল্পের অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর সহ নিম্নে দেওয়া হলো। তোমরা অবশ্যই বুঝে বুঝে পড়ে নিবে। কোনো ধরনের সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাদের জানাতে ভুলবে না।
প্রশ্ন ১। স্বর্গীয় দূত মানুষের ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন কেন ?
উত্তর: আরব দেশের তিন জন লোকের সততা পরীক্ষা করার জন্য স্বর্গীয় দূত মানুষের ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন। আরব দেশের তিন জন লোক ছিল—যাদের মধ্যে প্রথম জন ধবলরোগী, দ্বিতীয় জন টাকওয়ালা এবং তৃতীয় জন অন্ধ। আল্লাহ্ তাদের সততা পরীক্ষা করার জন্য এক ফেরেশতা পাঠালেন। তাই ফেরেশতা তখন মানুষের রূপ ধরে তাদের কাছে গেলেন।
প্রশ্ন ২। ধবল রোগীর গায়ের চামড়া কিভাবে ভালো হয় ?
উত্তর: ফেরেশতা বা স্বর্গীয় দূত ধবলরোগীর শরীরে হাত বুলিয়ে দিলে তার গায়ের চামড়া ভালো হয়। সেকালে আরব দেশে তিন জন লোক ছিল। তাদের মধ্যে একজন ছিল ধবল রোগী। আল্লাহর হুকুমে একদিন ফেরেশতা তার কাছে গিয়ে সততা পরীক্ষা করার জন্য তার মনের চাওয়াটি জানতে চাইলে সে ধবল রোগ থেকে মুক্তির ইচ্ছা ব্যক্ত করল। তখন ফেরেশতা তার সর্বাঙ্গে হাত বুলিয়ে দেন। এতে তার রোগ সেরে যায়। এভাবে ধবলরোগীর গায়ের চামড়া ভালো হয়।
প্রশ্ন ৩। আল্লাহ কেন অন্ধ লোকটির ওপর খুশি হয়েছেন?
উত্তর: অন্ধ ব্যক্তির সততা দেখে আল্লাহ তার ওপর খুশি হয়েছেন। অন্ধ ব্যক্তির সততা পরীক্ষার জন্য, আল্লাহর হুকুমে ফেরেশতা এসে তাকে প্রথমে সুস্থ করেন এবং ধন-সম্পদের মালিক করে দেন। পরবর্তী সময়ে তার চূড়ান্ত পরীক্ষা নিতে এক অসহায় পথিকের বেশ ধরে তার কাছে সাহায্য চান। লোকটি আল্লাহর করুণার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করে এবং সাহায্য করতে রাজি হয়। তার এই সততা দেখে আল্লাহ খুশি হন।
প্রশ্ন ৪। "উটের অনেক দাম, কী করিয়া দিই"— ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ধবলরোগীর কাছে একটি উট চাইলে সে অসহায় পথিকরূপী ফেরেশতাকে উক্ত কথাটি বলে। একসময় ধবলরোগীকে সুস্থ করে সম্পদের মালিক করে দিয়ে ফেরেশতা পুনরায় বিপদগ্রস্ত বিদেশি হয়ে আসেন তার সততা ও কৃতজ্ঞতাবোধ পরীক্ষা করতে। তিনি দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য তার কাছে একটি উট চান। কিন্তু অকৃতজ্ঞ, লোভী ধবলরোগী সেটা দিতে অস্বীকার করে আলোচ্য কথাটি বলে।
