খুজে না পেলে সার্চ করো

মুসলিম ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্য কি

 

মুসলিম ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্য কি
মুসলিম ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্য কি

মুসলিম ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্য কি

অথবা, মুসলিম দর্শনে ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।

অথবা, মুসলিম ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্যগুলো কি কি? সংক্ষেপে লিখ।

উত্তর : ভূমিকা : মুসলিম ধর্মতত্ত্ব এমন একটি প্রত্যয় যেখানে ইত্যা শ্রীনতা চার-বিশ্লেষণের স্থান নেই। মুসলিম ধর্মতাত্ত্বিকগণ সৃষ্টি ও স্রষ্টা, জীবন-মৃত্যু ইত্যাদি সম্পর্কে এমন ধরনের কথা বলেন তা বিখ্যাচার-বুদ্ধি দ্বারা গ্রহণযোগ্য নয়। মুসলিম ধর্মতত্ত্ব সম্পূর্ণরূপে ওহি ধর্মতা সনিক এলহামের উপর প্রতিষ্ঠিত। ওহি হচ্ছে আল্লাহ্র প্রত্যাদেশ গ্রহণ প্রদর হাম হচ্ছে সাধকদের ধ্যানমগ্ন অবস্থায় প্রাপ্ত জ্ঞান ।

ভালা মনীষীদের দ্বারা ধর্মের স্বরূপ, প্রকৃতি, আচার-অনুষ্ঠানসমূহের যুক্তি এ মুসলিম ধর্মতত্ত্ব : মুসলিম ধর্মতত্ত্ব বলতে ধর্মপ্রাণ মুসলিম বুদ্ধির আলোকে উপলব্ধি করার যে প্রচেষ্টা তাকেই বুঝায় । 

বিম, স্রষ্টা বা আল্লাহর বিধি-বিধান, আদেশ-নিষেধ, ধর্মীয় কি কি নাচার-অনুষ্ঠান প্রভৃতি বিচিত্রধর্মীয় আলোচনা, পর্যালোচনাকে অথবা, বস্ত্র করে গড়ে উঠেছে, মুসলিম ধর্মতত্ত্বের ইতিহাস। পাশ্চাত্য সমালোচকদের মতে, ধর্মতত্ত্ব হলো পরমসত্তার বা স্রষ্টার আলোচনা।

সুতরাং এ দৃষ্টিকোণ থেকে বুঝায় আল্লাহর অস্তিত্ব সৃষ্টি এবং তার আদেশ-নিষেধ বিষয়ক আলোচনা।

ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্য : মুসলিম ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্য নিয়ে পরবর্তীব আলোচনা কর হলো

১. কুরআন ও হাদিস কেন্দ্রিক। মুসলিম ধর্মতত্ত্ব কুরআন ও ধর্মকে বু কেন্দ্রিক। এর আলোচ্য বিষয় কুরআন ও হাদিসের পরিবেশে
নয়। জীবন ও কিন্তু কুরআন ও হাদিসের আলোকে সমাধানের প্রচেষ্টা চালায়। তারই ফল জগতের মৌলিক সমস্যাবলি মুসলিম জগৎ

২. সত্যানুসন্ধান : মুসলিম ধর্মতত্ত্বের অন্যতম একটি প্রধান প্রয়র শ্রেষ্ঠ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি সত্যানুসন্ধানে ব্যাপৃত। এটা চায় প্রকৃত প্রনির্ধারণ" সত্যের দ্বার উদ্ঘাটন করতে। তাই ধার্মিকের মধ্যে চরম সত্যকে ত্রুটিপূর্ণ | জানার কৌতূহলো পরিদৃষ্ট হয়।

৩. সৃষ্টিতত্ত্বে বিশ্বাসী : মুসলিম ধর্মতত্ত্বের আরেকটি | উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সৃষ্টিতত্ত্বে বিশ্বাসী। এ বিশ্বাস যুক্তির জাবারিয়া ধরাছোঁয়ার বাইরে। এটা একান্ত মনোগত বিশ্বাস।

৪. পরমসত্তায় বিশ্বাসী : জগৎ ও সৃষ্টির পেছনে অবশ্যই নীয় হয়ে একজন পরমসত্তা, সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ আছেন। মুসলিম ধর্মতত্ত্ব কার্যের তা বিশ্বাস করে। তারা মনে করে এ জগৎ যান্ত্রিক নয় বরং উদ্দেশ্যমূলক। তার পরমসত্তা তথা সৃষ্টিকর্তা কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্যই এ জগৎ সৃষ্টি করেছেন।
স্তবতার

৫. নির্বিচারবাদী : নির্বিচারবাদিতা মুসলিম ধর্মতত্ত্বের -সারিত অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ধর্মের মূলনীতি মালাকে কোনো প্রকার দর্শনের বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই বিনা বিচারে গ্রহণ করে থাকে। এখানে দর্শনের যুক্তিতর্কের কোনো বালাই নাই ।

৬. অতীন্দ্রিয়বাদই জ্ঞানের একমাত্র উৎস : অতীন্দ্রিয় হলো এমন এক ধরনের জ্ঞান যা ইন্দ্রিয় প্রত্যক্ষ কিংবা অভিজ্ঞতা দ্বারা লাভ করা যায় না। এটা স্রেফ বিশ্বাসের ব্যাপার। আর এই অতীন্দ্রিয়কেই মুসলিম ধর্মতত্ত্বের একমাত্র উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয় ।

৭. অন্যান্য সাধারণ প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক নিরূপণ কি? : এটা শুধু মুসলমান জাতিরাই নয় বরং বিশ্বের অন্যান্য সাধারণ প্রকৃতি এবং তাতে মানুষের স্থান, কর্তব্য, নিয়তি, নিরূপণ স্থানে ইত্যাদি আলোচনা মুসলিম ধর্মতত্ত্বের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, মুসলিম ধর্মতত্ত্ব যেহেতু তা কুরআন ও হাদিস কেন্দ্রিক তাই একে নির্বিচারবাদী বলা যায়। “ওহি ধর্মতাত্ত্বিক সম্প্রদায় কুরআন ও হাদিসের বিষয়গুলো বিনা বিচারে গ্রহণ করে। 

মানবজাতির সার্বিক কল্যাণেই কুরআন ও হাদিসের বিষয়গুলো প্রবর্তিত হয়েছে। মানবজাতির অকল্যাণকর কিছুই | কুরআন হাদিসে নেই। তাই মুসলিম ধর্মতত্ত্বের বৈশিষ্ট্যই কুরআন ও হাদিসের সাথে সম্পৃক্ত।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ