ভূতোর মৃত্যুর কাহিনি বর্ণনা কর


ভূতোর মৃত্যুর কাহিনি বর্ণনা কর 

উত্তর : কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদি পর্যায়ের তৃতীয় উপন্যাস 'পুতুলনাচের ইতিকথা'র বাসুদেবের হ ছোটো ছেলের নাম ভুতো। 

ভুতোর বয়স প্রায় দশ বছর। ভূতো তার বাড়ির বিধবা বউয়ের জন্য জাম আনতে জাম গাছে উঠেছিল এবং গাছের মগডাল থেকে পড়ে হাত-পা দুই ভাঙে। 

দে গ্রামের শশী ডাক্তার ভূতোর সর্বাঙ্গে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিয়েছিল। যার ফলে রোগীর নড়াচড়া করার মতো কোনো অবস্থা ছিল না।

তারপর জ্বরে-বিকারে অজ্ঞান হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে উপস্থিত হয়। ভুতোর অবস্থা বেশ মারাত্মক হওয়ায় শশী ডাক্তার তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে বললেও বাড়ির লোক রাজি হয়নি। 

বিশেষ করে, ভূতোর মা আপত্তি করে বলেছিল ভুতোকে বাড়ির পরিবর্তে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা ব্যা করালে সে বিষ খেয়ে মরবে। 

তারপর শশী ডাক্তারই ভুতোকে বলে চিকিৎসা করতে থাকে ও দিনে দুই-তিন বার ভূতোকে দেখতে তিন যায়। শশী ডাক্তার ভুতোকে বাঁচিয়ে তোলার সবরকম চেষ্টা দে করেও ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত ভুতো মারা যায়।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ