গোপালের সে এক স্মরণীয় কীর্তি।”- কোন কীর্তির কথা বলা হয়েছে? উল্লেখ কর


গোপালের সে এক স্মরণীয় কীর্তি।”- কোন কীর্তির কথা বলা হয়েছে? উল্লেখ কর

উত্তরঃ কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদি পর্যায়ের তৃতীয় উপন্যাস 'পুতুলনাচের ইতিকথা'য় কেন্দ্রীয় চরিত্র শশী এবং তার পিতার নাম গোপাল দাস। 

গোপাল দাস মহাজনি করতো এবং এই সূত্রে তার সাথে পরিচয় ছিল কলকাতার বড়বাজারের নন্দলার এন্ড কোং-এর নন্দলালের সঙ্গে। 

বিভিন্ন জায়গা থেকে পাট ক্রয় করে ও তা জমা রাখার জন্য এবং চালান দেয়ার ভালো ব্যবস্থা থাকে এমন একটি মধ্যবর্তী গ্রাম খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে নন্দলাল একসময় গাওদিয়া গ্রামে আসে ও গোপাল তাকে তার নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় এবং অনেক আদরযত্ন করে। 

তারপর ঘটনাক্রমে গোপালের মেয়ে | বিন্দুবাসিনীর সাথে নন্দলালের সম্পর্কের একটা গুজব গ্রামময় ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামের লোকজন এসে নন্দলালের সাথে গোপালের মেয়ের জোর করে বিয়ে দিয়ে দেয়। 

নন্দলালের চাকরটা বাজিতপুর থেকে পুলিশ আনলেও নন্দলাল কোনো অভিযোগ আনেনি কারো বিরুদ্ধে। এরপর নন্দলাল গোপালের মেয়েকে নিয়ে কলকাতায় চলে যায়। আর গাওদিয়ায় সঙ্গে গোপাল কোনো সম্পর্ক রাখে না। 

গোপালের সাথে প্রথমে নন্দলালের একরকম সম্পর্ক ও পরে তার মেয়েকে একটি ঘটনার মধ্য দিয়ে নন্দলালের সাথে বিয়ে হয়ে যাওয়াকে গোপালের এক স্মরণীয় কীর্তি নামে অভিহিত করা হয়েছে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ