প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অতলস্পর্শ বিরহ বিদ্যমান।”'মেঘদূত' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা কর


প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অতলস্পর্শ বিরহ বিদ্যমান।”'মেঘদূত' প্রবন্ধের আলোকে  
ব্যাখ্যা কর

উত্তর : প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় তাঁর বিশাল অবদান রেখেছেন। কাব্য, উপন্যাস, নাটক ও ছোট গল্পের ন্যায় প্রবন্ধ সাহিত্যেও তিনি অসাধারণ সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। 

বিভিন্ন প্রবন্ধ গ্রন্থে তাঁর চিন্তাশীল ও ভাবুক মনের পরিচয় মিলে। তিনি সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় প্রাচীন সাহিত্য নিয়ে 'প্রাচীন সাহিত্য' নামক প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেছেন।

'প্রাচীন সাহিত্য' গ্রন্থের অন্যতম একটি প্রবন্ধ হলো 'মেঘদূত'। সংস্কৃত সাহিত্যের বিখ্যাত কবি কালিদাসের অমর কাব্য 'মেঘদূত'। এটি ছিলো প্রেম বিরহের কাব্য। কবি রবীন্দ্রনাথ কাব্যটি অবলম্বনে রচনা করেন বিখ্যাত প্রবন্ধ 'মেঘদূত'। কাব্যে যক্ষ ধনকুবের বাগানের পাহাদার ছিলো। 

কাজে অবহেলার কারণে কুবের যক্ষকে রামগিরি পর্বতে এক বছরের জন্য নির্বাসন দেয়। আকাশে আষাঢ়ের প্রথম মেঘ দেখে যক্ষ মেঘকে অলকাপুরীতে পাঠায় প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে নিজের খবর পৌঁছাতে এবং প্রিয়ার খোঁজ নিতে। 

মেঘদূত কাব্যের যক্ষের বিরহ মূলত মানুষের বিরহ। আমরা আমাদের বিরহ বিচ্ছিন্ন এ বর্তমান মর্তলোক হতে সেখানে কল্পনার মেঘদূত প্রেরণ করছি। বিশ্ব কেবল অতীত বর্তমান নয়, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অতল বিরহ। 

আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ প্রিয়া নিয়ে কোনো এক মানসলোকে একত্রে ছিলাম। আমরা আজ সেই প্রিয়ার সাথে মিলিত হতে চাই। আমরা যার সাথে মিলিত হতে চাই, সে মানস সরোবরের অগম তীরে বসবাস করছে। সেখানে শুধু কল্পনাকে




Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ