লেখালেখি করে মাসে ৬ হাজার টাকা ইনকাম

ফেসবুকে লিংক শেয়ার করে ১০০০ টাকা আয়

আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা | আমার প্রিয় খেলা রচনা

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধু তোমার পরিক্ষায় যদি আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা আসে তাহলে কি লিখতে পারবে না। তোমার যে খেলা পছন্দ সেই খেলা সম্পর্কে লিখবে আর যদি প্রশ্নে উল্লেখ থাকে যে আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা তাহলে তোমাকে ক্রিকেট খেলা সম্পর্কে রচনা লিখতে হবে। 

খুব সহজ একটা রচনা আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা। যদি তুমি না পারো এই আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা তাহলে নিচে থেকে এই আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা টি পড়ে নিতে পারো কারন আমরা খুব সহজ ভাষায় তুলে ধরেছি। চল যেনো নেই আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা।

আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা  আমার প্রিয় খেলা রচনা
আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা  আমার প্রিয় খেলা রচনা

আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা

ভুমিকা

বর্তমান বিশ্বের জনপ্রিয় ও অভিজাত খেলা ক্রিকেট। ক্রিকেটকে খেলার রাজাও বলা হয়। রেকর্ড ভাঙা এবং রেকর্ড গড়ার খেলা ক্রিকেট। ক্রিকেট নিয়ে সমগ্র বিশ্বে এখন উত্তেজনা। ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা প্রতিদিন বাড়ছে। আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট।

ক্রিকেটের জন্ম

কবে প্রথম ক্রিকেট খেলা শুরু হয় তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায় না। তবে মনে করা হয় ত্রয়ােদশ শতাব্দী থেকে ইংল্যান্ডে ক্রিকেট খেলা আরম্ভ হয়। হ্যাম্পায়ারের অন্তর্গত হ্যাম্পারডন নামক স্থানে। প্রথম ক্রিকেট দল গড়ে ওঠে। পরে তা সমগ্র ব্রিটেন এবং সকল ব্রিটিশ উপনিবেশে ছড়িয়ে পড়ে। ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশসহ অনেক দেশে ক্রিকেট খেলা জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ।

প্রকারভেদ 

ক্রিকেট খেলা দু-ধরনের। একটি হলাে ওয়ান ডে ম্যাচ বা এক দিনের খেলা, অন্যটি টেস্ট ম্যাচ বা পাঁচ। দিনের খেলা। এখন আবার শুরু হয়েছে টুয়েন্টি টুয়েন্টি ম্যাচ। বিশ্বে বিখ্যাত টেস্ট মর্যাদার দেশগুলাে হলাে। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ।

উপকরণ 

ক্রিকেট খেলার মুখ্য উপকরণ কাঠের ব্যাট ও বল। ব্যাট দৈর্ঘ্যে আড়াই ফুট ও প্রস্থে সাড়ে চার ইঞ্চি হয়। প্রায় সাড়ে তিন ইঞ্চি ব্যাসবিশিষ্ট চামড়ায় মােড়ানাে কাঠের বল ব্যবহার করা হয়। খেলার জন্য কাঠের তৈরি। তিনটি দণ্ড প্রয়ােজন। এগুলােকে উইকেট বলে। বিপরীত দিকে একইভাবে আরও তিনটি উইকেট থাকে। উইকেটের মধ্যে ব্যবধান সমান রাখার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট মাপের দু-টুকরাে কাঠ উইকেটের উপর বসানাে হয়। একে বেল বলে। এ ছাড়া পায়ে পরার জন্য তুলার তোর এক প্রকার পুরু প্যাড ও হাতে পরার জন্য গ্লাভস বা হাতমােজা প্রয়ােজন।

মাঠের আকৃতি

ক্রিকেট মাঠ বৃত্তাকার। সাধারণত এর ব্যাসার্ধ হয় ৭০ গজ। মাঠের মাঝখানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয় পিচ। পিচের দৈর্ঘ্য হয় ২২ গজ।

নিয়ম-কানুন 

দুটি দলের মধ্যে ক্রিকেট খেলা হয়। প্রতি দলে এগারাে জন করে খেলােয়াড় থাকে। ক্রিকেট খেলা। পরিচালনার জন্য দুইজন আম্পায়ার থাকেন। ক্ষেত্রবিশেষে তৃতীয় আম্পায়ার দেখা যায়। খেলা আরম্ভের পূর্বে দুজন আম্পায়ার এবং দু-দলের দুজন অধিনায়ক মাঠে নামেন। মদ্রা ছুড়ে দিয়ে টসের মাধ্যমে এক দল জয়ী হয়। টসে জয়লাভকারী অধিনায়ক ইচ্ছে করলে ব্যাটিং বা ফিল্ডিং যেকোনােটি বেছে নিতে পারেন। উভয় দলকে একবার করে ব্যাট করতে হয়। ফিল্ডিংকারী দলের সমস্ত খেলােয়াড় মাঠের ভেতর অধিনায়কের নির্দেশ মেনে তাদের নিজস্ব স্থানে অবস্থান করেন। যে-দল প্রথম ব্যাটিং করবে সে দলের দুজন খেলােয়াড় ব্যাট হাতে দু উইকেটে গিয়ে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে একজন বল পেটান, অপরজন প্রয়ােজনবােধে রান সংগ্রহ করার জন্য দৌড়ান। প্রতিপক্ষের খেলােয়াড়রা ব্যাটসম্যানদের আউট করার চেষ্টা। করেন। বল নিক্ষেপকারীকে বােলার বলে। একজন বােলার পরপর ছটি বল করতে পারেন। ছটি বলে এক। ওভার হিসেব ধরা হয়। ব্যাটসম্যান অতি সতর্কতার সাথে বল মারেন। সুযােগমতাে বল ব্যাটের আঘাতে দূরে পাঠান।

ব্যাটসম্যান যখন বল দূরে পাঠান, তখন অপর দিকের উইকেটে অপেক্ষমাণ খেলােয়াড় ও ব্যাটসম্যান একে অন্যের পাশে দৌড়ে এলে এক রান হয়। বল গড়িয়ে সীমারেখা পার হলে চার রান হয়। আর বল না গড়িয়ে মাঠের উপর দিয়ে সীমানা অতিক্রম করলে ছয় রান হয়।

বল যদি উইকেটে লাগে তাহলে ব্যাটসম্যান আউট হন। একে বােল্ড আউট বলে। ব্যাট দিয়ে আঘাত করার পর তা মাটিতে পড়ার আগেই বিপক্ষ দলের খেলােয়াড় ধরে ফেললে ব্যাটসম্যান আউট হন। একে কট আউট বলে। এ ছাড়া ব্যাটসম্যান রান আউট বা স্টাম্প আউটও হতে পারেন। এক দলের সবাই আউট হয়ে গেলে বা নির্ধারিত ওভার শেষ হয়ে গেলে অন্য দল ব্যাটিং করতে নামে।

ক্রিকেট খেলার জয়পরাজয় নির্ধারিত হয় রানের সংখ্যা বা নির্দিষ্ট সময়ে কতজন ব্যাটসম্যান নট আউট থেকে যায়, তা হিসেব করে। এ-খেলায় যে-দল রান, ওভার, সময় ও উইকেটরক্ষায় সক্ষম হয়, সে-দলই। জয়লাভ করে।

ক্রিকেট খেলার আনন্দ

ক্রিকেট খেলার চমক ভিন্ন মাত্রার। যুদ্ধক্ষেত্রে সৈন্য সাজানাের মতাে মাঠে ফিল্ডার সাজানাে খুবই কশলতার ব্যাপার। ক্রিকেটের উত্তেজনা বেড়ে যায় যখন ব্যাটসম্যানের নৈপুণ্যে সেই ব্যুহ তছনছ হয়ে যায় ছক্কা ও। চারের মারে। ছক্কা ও চারের মারে রান তােলার উত্তেজনাই আলাদা। বােলিংয়ের দাপট বা ফিল্ডারদের হাতে ব্যাটিং-বিপর্যয় উৎকণ্ঠা ও উত্তেজনাকে চরমে পৌঁছে দেয়। একদিনের ক্রিকেটের উত্তেজনা আলাদা। বর্তমানে টি-টুয়েন্টি (২০ ওভার) ম্যাচ সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ খেলা হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

উপকারিতা

অন্যান্য খেলার মতাে ক্রিকেট খেলা আনন্দদায়ক ও স্বাস্থ্যকর। এ-খেলা একাধারে খেলােয়াড়দের শৃঙ্খলাবােধ, পারস্পরিক সমঝােতা, ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, দায়িত্বজ্ঞান ও সতর্কতার শিক্ষা দেয়। আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। দেশের ক্রীড়াদলকে শুভেচ্ছাদূত বলে আখ্যায়িত করা হয়। বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলােয়াড়গণ এ-খেলায় পারদর্শী হয়ে উঠছেন। বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

অপকারিতা 

ক্রিকেট খেলায় যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। কাঠের বল বেশ শক্ত। বােলার সজোরে বল নিক্ষেপ করলে তা কোনাে। (খলােয়াড় ওর শরীরে লাগলে মারাত্মকভাবে আহত হতে পারেন, মাথায় লাগলে অনেক সময় মৃত্যুর কারণও হয়ে দাড়ায়। ক্রিকেট খেলা অত্যন্ত সময়হরণকারী, এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশােনার ক্ষতি হয়। তা ছাড়া ক্রিকেট বেশ ব্যয়বহুল খেলা।

সবকিছুরই ভালাে-মন্দ দুটি দিক থাকে । ক্রিকেটের ভালাে দিকই বেশি। মন্দ যে দিকগুলাের কথা বলা ইলাে, সেদিকে আমরা সচেতন থাকব।

উপসংহার 

আধুনিক যুগে যত খেলা রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট। ক্রিকেট খেলা যেমন আনন্দদায়ক, তেমনি ব্যয়সাপেক্ষ ও সময়সাপেক্ষ। সময় ও অর্থের অধিক ব্যয়ের কারণে অনেক সমালােচক একে অপচয় বলে মনে করেন । তবু বিশ্ব আজ ক্রিকেটজ্বরে আক্রান্ত । এর জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া।

আমরা আপনাদের জন্য আর একটি রচনা নিয়ে আসছি যা উপরের চেয়ে আলাদা।

আমার প্রিয় খেলা ফুটবল রচনা

ভূমিকা: যে খেলাটি খুব সহজেই খেলা যায় তার নাম ফুটবল। সহজ নিয়মনীতি, খুব দ্রুত আয়ােজন এবং অল্প সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে ফুটবল খেলাটি আমার খুব ভালাে লাগে। ফুটবল খেলা চলার সময়টুকু আমার কাছে খুবই আনন্দময় মনে হয়। তদুপার ফুটবল খেলায় দুটোই ভালাে থাকে। রাস্তার ধারে বা বাড়ির আঙিনায় কিংবা খােলা মাঠে আমরা যে খেলাটি অনুষ্ঠিত হতে দেখি তা হল ফুটবল।

ফুটবল খেলার উৎপত্তি ও বিকাশ: প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে চীনে এ খেলা ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল বলে জানা যায়। তবে সে সময় এটি ছিল। নিয়ম-নীতিইনি, কিছুটা উদ্ধৃঙ্খলাপূর্ণ, ঘাত-প্রতিঘাতময় খেলা। নির্দিষ্ট নিয়মবদ্ধ ফুটবল খেলা প্রবর্তিত হয় গ্রিসে। ফুটবল বর্তমান বিশ্বে দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইউরােপের দেশগুলােতে জনপ্রিয়তা পেয়েছে বেশি। বিশ্বে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বাড়ে উনিশ শতকের শুরুতে। ১৯০৪ সালের ২১-এ মে ফ্রান্সের প্যারিসে ৭টি দেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল দ্য ফুটবল অ্যাসােসিয়েশন বা ফিফা (FIFA) গঠিত হয়। এর প্রথম সভাপতি ছিলেন জুলেরিমে । ফিফার বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া । হয় বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযােগিতা অনুষ্ঠানের। পরবর্তীসময়ে অলিম্পিক এবং এশিয়ান গেমসেও অন্তর্ভুক্ত হয় ফুটবল। 

ফুটবলের রীতিনীতি: ফুটবল উত্তেজনাপূর্ণ একটি খেলা। ফুটবল খেলাটি যেকোনাে খােলা জায়গায় খেলা গেলেও এটি একটি রীতিনীতি সমৃদ্ধ খেলা । ফুটবল মাঠ আয়তাকার, দৈর্ঘ্যে ১০০-১২০ গজ এবং প্রস্থে ৫০-৫৬ গজ হয়ে থাকে। একটি আদর্শ ফুটবলের পরিধি ২৭-২৮ ইঞ্চি এবং ওজন ১৪-১৬ আউন্স। একটি আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল ম্যাচের সময়সীমা ৯০ মিনিট। প্রথম ৪৫ মিনিট খেলার পর ২০ মিনিটের বিরতি দিয়ে আবার ৪৫ মিনিট খেলা হয়। খেলা চলার সময় খেলােয়াড় আহত হলে কিংবা অন্য কোনাে কারণে খেলা বন্ধ থাকলে সে সময়টুকু অতিরিক্ত সময় হিসেবে। মল খেলার সাথে যুক্ত হয়। খেলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন এক জন রেফারি, দুজন লাইনম্যান এবং এক জন চতুর্থ রেফারি। ম্যাচ চলাকালে প্রতিপক্ষের খেলােয়াড়কে ফাউল করা বা আদেশ অমান্য করার শাস্তি হিসেবে রেফারি যেকোনাে খেলােয়াড়কে সতর্ক করা, হলুদ কার্ড দেখানাে। এমনকী সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দিতে পারেন। একটি ফুটবল দলে ১ জন গােলকিপারসহ মােট ১১ জন মূল খেলােয়াড এবং ৩ জন অতিরিক্ত খেলােয়াড় থাকেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ক্ষেত্রে খেলা অমীমাংসিতভাবে শেষ হলে টাইব্রেকারের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হয়।

বিশ্বকাপ ফুটবল: প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে। এতে আর্জেন্টিনা, বেলজিয়াম, বলিভিয়া, উরুগুয়েসহ মােট ১৩টি দল

অংশ নেয়। চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিক উরুগুয়ে। এরপর থেকে প্রতি ৪ বছর পরপর বিভিন্ন দেশে বিশ্বকাপের জমজমাট আসর বসে। তবে দ্বিতীয় | বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৩৮–১৯৫০ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপের তিনটি আসর অনুষ্ঠিত হয় নি।

ইউরোপীয় ফুটবল: ইউরােপের ক্লাব ফুটবল খেলা আমরা টেলিভিশনে দেখতে পাই। ইউরােপে অনুষ্ঠিত হয় নানা ধরনের টুর্নামেন্ট। যেমন: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, স্প্যানিশ লিগ, ইউরাে চ্যাম্পিয়নশীপ, উয়েফা ইত্যাদি। একে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে বিশাল বাজার ও শিল্প । ইউরােপীয় ফুটবল শুধু। ফুটবল খেলাকে জনপ্রিয় করেছে তা নয়, অনেক বিখ্যাত ফুটবলার জন্ম দিয়েছে এবং গড়ে তুলেছে। 

বাংলাদেশে ফুটবল: আমাদের দেশে ফুটবল খেলার ইতিহাস বেশি দিনের নয়। ফুটবল আমার প্রিয় খেলা হওয়ায় আমি এ সম্পর্কে কিছু জেনেছি। অবিভক্ত ভারতে ফুটবল খেলা চালু করে ইংরেজরা। ব্রিটিশ খেলােয়াড় ও সৈন্যদলের সুশৃঙ্খল ফুটবল সহজেই ক্রীড়ামােদীদের এ খেলার প্রতি আকৃষ্ট করে। বাঙালিদের মধ্যে ফুটবল খেলার উদ্দীপনা দেখা দেয় ১৮৯৩ সাল থেকে। স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে গঠিত হয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বা বাফুফে। বাফুফের তত্ত্বাবধানে একে একে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা ফুটবল লিগ, জাতীয় ফুটবল লিগ, জাতীয় যুব ফুটবল লিগ, ফেডারেশন

কাপ ফুটবল লিগ, প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগ, ডামফা কাপসহ বেশ কিছু টুর্নামেন্ট। এ ছাড়া প্রতি বছরই জেলা ও থানা পর্যায়ে প্রতিযােগিতা। | অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের উল্লেখযােগ্য ফুটবল সংগঠনগুলাের মধ্যে রয়েছে আবাহনী ক্রীড়াচক্র, মােহামেডান স্পাের্টিং ক্লাব, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, মুক্তিযােদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র, শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র প্রভৃতি। বাংলাদেশের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে নানা কারণে বাংলাদেশের ফুটবল চর্চা ও এর উন্নয়ন অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় পেশাদার ফুটবল লিগসহ বয়সভিত্তিক ফুটবল খেলা । দেশের ফুটবল ক্লাবগুলাে ধীরে ধীরে তাদের আর্থিক সামর্থ্য হারিয়ে ফেলে। কমে যেতে থাকে ফুটবলের মান। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশের ফুটবলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। আবার চালু হয়েছে পেশাদার ফুটবল লিগ। প্রয়ােজনীয় পৃষ্ঠপােষকতা, চর্চা ও বিভিন্ন ধরনের প্রতিযােগিতা অব্যাহত থাকলে এদেশের ফুটবল ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী ক্রীড়া বিশ্লেষক ও ফুটবলপ্রেমীরা। 

উপসংহার: পথিবীর অধিকাংশ মানুষের কাছে জনপ্রিয় একটি খেলা। এ খেলা অতিক্রম করেছে ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতার বাধাকে ফটবল মাঠে ভিন্ন ভিন্ন দেশের, সংস্কৃতির, ভাষাভাষীর মানুষের এ অপূর্ব মেলবন্ধনই ফুটবলকে আরও বেশি জনপ্রিয় করে তুলতে পারে।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা | আমার প্রিয় খেলা রচনা

তোমাদের যদি এই আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা | আমার প্রিয় খেলা রচনা টি পড়তে অসুবিধা হয় তাহলে আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। আর যদি এই আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট রচনা | আমার প্রিয় খেলা রচনা টি ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন। আপনাদের জন্য এত কষ্ট করে লেখা গুলো বিফলে যেতে দিবেন না। ধন্যবাদ।

Next Post Previous Post