লেখালেখি করে মাসে ৬ হাজার টাকা ইনকাম

ফেসবুকে লিংক শেয়ার করে ১০০০ টাকা আয়

বাংলা নববর্ষ রচনা class 6, 7, 8, 9, 10 - JSC

হ্যালো প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা তোমাদের জন্য আজকের পোস্ট বাংলা নববর্ষ রচনা। তোমরা যারা বাংলা নববর্ষ রচনা গুগলে সার্চ কর তাদের জন্য। তোমরা জানো বাংলা নববর্ষ রচনা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই তোমরা এই বাংলা নববর্ষ রচনা টি খুব ভালো করে পড়বা। তোমাদের জন্য আমরা বাংলা ব্যাকরনের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো আমাদের আর কে রায়হান ওয়েবসাইটে।

বাংলা নববর্ষ রচনা class 6, 7, 8, 9, 10 - JSC
বাংলা নববর্ষ রচনা class 6, 7, 8, 9, 10 - JSC

বাংলা নববর্ষ রচনা

সূচনা: বাংলা নববর্ষ বাঙ্গালির জীবনে বিশেষ এক তাৎপর্য বহন করে। গতানুগতিক জীবন ধারার মধ্যে নব নিয়ে আসে নতুন সুর, নতুন উদ্দীপনা। বিগত বারের মত নখ বেদনাকে একরাশ হ. আ আ গান। দিয়ে ভুলিয়ে নিয়ে যায় নববর্ষ। প্রাচীনকাল থেকে জাতি ৮ বর্ণ নির্বিশেষে এটি বাঙালির আনন্দময় এস হিসেবে সুপরিচিত। বাংলা নববর্ষ তাই বালির জাতীয় উৎসব।

বঙ্গাব্দ বা বাংলা সনের ইতিহাস; বালি বা বাংলা সন পালনের ইতিহাস রহস্যে ঘেরা। কোনাে কোনাে হত হসাব মনে করেন, বাংলার সুলতান হোসেন শাহ বলে সব পরকি তারও কারও মতে, আকবর বাংলা সনের প্রচলন করেন। তাঁর নির্দেশে আমির মৃত সিরজি পর্বে প্রচলিত হিজরি ও চন্দ্র বছরের সমন্বয়ে সৌর বছরের প্রচলন করেন। তবে সুলতান হােসেন শাহের সময়ে (৯০৩ হিজরা বলা সনের প্রচলন হলেও সমাট আকবরের সময় ৯৬৩ হিজরি থেকেই এটি সরিতীয় জাত করে তখন থেকেই এটি বা সততার সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত বা আপন গলি তর এক জন ।

নববর্ষের উৎসব: বাঙালিরা প্রাচীনকাল থেকেই নববর্ষ উদযাপন করে আসছে। তখন বছর শুরু হতো অহায় মসি থেকে। এটি ছিল ফসল কাটার সময়। সরকারি রাজম ও ঋণ আদায়ের এটিই ছিল যথার্থ সময় পর বঙ্গাব্দ বা বাংলা সনের প্রচলন হলে বৈশাখ মাস থেকে বর্ষ গণনা শুরু হয়। আর বালিরা পহেলা শেখে । নববর্ষ উদযাপন করে। বাংলাদেশে নববর্ষ উদযাপনে এসেছে নতুন মাত্র। বর্তমানে আমাদের দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে নববর্ষ পালন করা হয়।

পহেলা বৈশাখ: বিগত দিনের সমস্ত গ্লানি মুছে দিয়ে, পাওয়া না পাওয়ার সব হিসেব চুকিয়ে প্রতি বছর আসে পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ। মহাধুমধামে শুরু হয় বর্ষণ। সবাই গেয়ে ওঠ রবীন্দ্রনাথের এই গান :

এসাে, এসাে, এসাে হে বৈশাখ 

তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমুষুরে দাও উড়ায়ে

বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক। 

বাংলা নববর্ষের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে পহেলা বৈশাখে অনুষ্ঠিত বৈশাখী মেলা। বৈশাখী মেলাই হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সার্বজনীন উৎসব। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের মহামিলন ক্ষের এই মেলা। এ মেলায় আবহমান গ্রাম-বাংলার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের একটি পরিচিতি ফুটে ওঠে। বাউল, মারফতি, মুর্শিদি, ভাটিয়ালিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লােকগানে মেলার আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়। যা। নাটক, পুতুল নাচ, সার্কাস, নাগরদোলা ইত্যাদি মেলায় বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি করে। মেলায় পাওয়া যায় মাটির হাড়ি, বাসনকোসন, পুতুল, বেত ও বাঁশের তৈরি গৃহস্থালির সামগ্রী, তালপাখা, কুটির শিল্পজাত বিভিন্ন সামগ্রী শিশ-কিশােরদের খেলনা, মহিলাদের সাজ-সজ্জা ইত্যাদি। এছাড়া চিড়া, মুড়ি, খৈ, বাতাসাসহ নানা রকমের রবিটর বৈচিত্র্যময় সমারােহ থাকে বৈশাখী মেলায়। গ্রামের মানুষের বিশ্বাস, পহেলা বৈশাখে ভালাে খেলে, নতুন পোশাক পড়লে সারা বছরই তাদের সুখে কাটবে। তাই গ্রামে পান্তা খায়না। যাদের সামর্থ্য আছে তারাই ভালো কাপড় পড়ে।

বাংলা নববর্ষের আরেকটি আকর্ষণ হলো হালখাত। গ্রামে গঞ্জে শহরে ব্যবসায়ীরা নববর্ষের দিন তাদের পণ হিসাব-নিকাশ শেষ করে নতুন খাতা খোলেন। এ উপলক্ষে তারা নতুন পুরনাে খন্দে বাসের আনিসুল ও মিষ্টি খাওয়ান। প্রাচীনকাল থেকে এখনাে এ অনুষ্ঠানটি বেশ জাকজমকভাবে পালিত হয়ে আসছে।

নববর্ষের প্রভাব: আমাদের জীবনে নববর্ষ উৎসবের আমেজ নিয়ে আসে। নববর্ষের দিন ছুটি থাকে। পারিবারিকভাবে বিশেষ খাবারের আয়ােজন আয়ােজন করা হয়। এ-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনকে নিমগগ জানানাে হয়। সব কিছুতে আনন্দের ছোয়া লাগে। আধুনিক রীতি অনুযায়ী ছােট-বড় সবাই নববর্ষের শুভেচ্ছা কাম। করে। অতীতের লাভ-ক্ষতি ভুলে গিয়ে এদিন সবাই ভবিষ্যতের সয়াবনার স্বপ্ন বােনে। নববর্ষ আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে চলার প্রেরণা যােগায়। তাই আমাদের জীবনে নববর্ষের প্রভাব গভীর ও ব্যাপক।

নববর্ষের তাৎপর্য: বাঙালির নববর্ষের উৎসব নির্মল আনন্দের উৎসধারা। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে এটি অঙ্গ। আমাদের জাতীয় উৎসব। নববর্ষের সামাজিক ও সাংকেতিক কর্মকাণ্ডে আমরা আমাদের জীবনবাদ ও কল্যাণধর্মী রূপটিই খুঁজে পাই। আমাদের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে প্রত্যক্ষ করি। আমাদের নববর্ষ। উদযাপনে আনন্দের বিতার আছে, কিন্তু কখনাে তা পরিমিতিবােধকে ছাড়িয়ে যায় না। বাংলা নববর্ষ তাই। বাঙালির সারা বছরের আনন্দের পসরা-বাহক।

উপসংহার: বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি আসে সগৌরবে – নিজেকে চিনিয়ে , সবাইকে জানিয়ে। আমাদের জীবনে নবচেতনার সঞ্চার করে পরিবর্তনের একটা বার্তা নিয়ে আসে নববর্ষ। পুরাতনকে ঝেড়ে ফেলে সে | আমাদের জীবনে নতুন হালখাতার প্রবর্তন করে। নববর্ষ আমাদের মানবিক মূল্যবােধকে জাগ্রত করে; জাতীয় জীবনে স্বকীয় চেতনা বিকাশে উদ্বুদ্ধ করে। মানুষে মানুষে গড়ে তােলে সম্প্রীতির কোমল কম্বন। তাই বাংলা নববর্ষ আমাদের জীবনে এত আনন্দ ও গৌরবের।।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ বাংলা নববর্ষ রচনা class 6, 7, 8, 9, 10 - JSC | বাংলা নববর্ষ রচনা ১০০০ শব্দ

বাড্ডি তোমাদের যদি আজকের বাংলা নববর্ষ রচনা টি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই একটা কমেন্ট থাংস দিবেন এবং বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন। আজকের মত এখানেই সমাপ্ত। ধন্যবাদ বাংলা নববর্ষ রচনা টি পড়ার জন্য।

Next Post Previous Post