আরকে রায়হান https://www.rkraihan.com/2022/02/kormo-mukhi-sikkha.html

কর্মমুখী শিক্ষা রচনা SSC | কর্মমুখী শিক্ষা রচনা HSC


প্রিয় বন্ধুরা তোমরা যারা কর্মমুখী শিক্ষা রচনা খুজতেছো তাদের জন্য। তোমরা এই কর্মমুখী শিক্ষা রচনা টি ভালো ভাবে পড়বা কারন এই কর্মমুখী শিক্ষা রচনা টি একবার পড়লেই নিজের ভিতরে সব কিছু গুছিয়ে নিতে পারবা। 

কর্মমুখী শিক্ষা রচনা SSC  কর্মমুখী শিক্ষা রচনা HSC
কর্মমুখী শিক্ষা রচনা SSC  কর্মমুখী শিক্ষা রচনা HSC

এই কর্মমুখী শিক্ষা রচনা টি যেকোন ক্লাসের জন্য প্রযোজ্য। তোমরা যারা SSC বা HSC তে পড়ো তারা খুব ভালো ভাবে পড়ে নিবা। নিজের ভিতরে যতক্ষন এই কর্মমুখী শিক্ষা রচনা টি ডুকেনি ততক্ষন তোমরা পড়তেই থাকবে। নিচে থেকে পড়ে নাও কর্মমুখী শিক্ষা রচনা। 

কর্মমুখী শিক্ষা রচনা

সূচনা: শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া জীবন অপূর্ণ। কিন্তু যে শিক্ষা বাস্তব জীবনে কাজে ল শিক্ষা অর্থহীন। এ ধরনের শিক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের বােঝা বাড়ে। তাই জীবনভিত্তিক শিক্ষাই প্ৰকত। শিক্ষা। আর জীবনের সাথে সম্পৃক্ত যে শিক্ষা সেটই কমমুখা শিক্ষা। একমাত্র কর্মমুখী শিক্ষাই হচ্ছে আমাদের বাস্তব জীবনের সহায়ক।

কর্মমুখী শিক্ষা কী: কর্মমুখী শিক্ষা হচ্ছে একজন ব্যক্তিকে তার আত্মপ্রতিষ্ঠায় সহায়তা করার লক্ষ্যে বিশেষ কোনাে কর্মে প্রশিক্ষিত করে তোলা। অর্থাৎ যে শিক্ষাব্যবস্থায় মানুষ কোনাে একটি বিষয়ে হাতেলাভ করে এবং শিক্ষা শেষে জীবিকার্জনের যােগ্যতা অর্জন করে, তাকেই কর্মমুখী শিক্ষাকে কারিগরি বা বৃত্তিমূলক শিক্ষাও বলা হয়ে থাকে। 

কর্মমুখী শিক্ষার প্রকারভেদ: কর্মমুখী শিক্ষা আঙ্গিক শিক্ষা নয় জীবনমুখী শিক্ষার পরিমণ্ডলেই তার অবমান। তাই পরিপূর্ণ ও সামগ্রিক জীবনবােধের আলােকে কর্মজী শিক্ষা দই গেল বিভক্ত। একটি হলাে- কর্মমুখী শিক্ষা। এটিতে যারা বিজ্ঞান বিষয়ে পারদর্শী তলা - কিভন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তরত্র অর্জন করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ ইত্যাদি স্বাধীন পেশা গহণ লতে পারে। চাকরির আশায় বসে থাকতে হয় না। আরেকটি হলাে - সাধারণ কর্মমুখী শিক্ষা। এর জন্য কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উচশমার দরকার হয় না। প্রাথমিক বা মাধ্যমিক শিক্ষাই যথেষ্ট। সাধারণ কর্মমুখী শিক্ষার মধ্যে পড়ে কামার, কুমার, তাতি, পা, কলকারখানার কারিগর মােটরগাড়ি মেরামত, ঘড়ি-রেডিও-টিতি.upজ মেরামত, ছাপাখানা ও। বঁধাইয়ের কাজ, চামড়ার কাজ, গ্রাফিক্স আর্টস, ইলেকট্রিক মিস্ত্রি, কাঠমিচিত্র, রাজমিচিত্র, মৎস্য চাষ, হাঁসমুরগি পালন, নার্সারি , ধাত্রীবিদ্যা ইত্যাদি। এ শিক্ষায় শিক্ষিত হলে কারােরই বেঁচে থাকার জন্য ভাবতে হয় না।

কর্মমুখী শিক্ষার প্রয়ােজনীয়তা: মানুষের মেধা ও মননকে বিকশিত করার জন্য প্রয়ােজন শিক্ষার। তাই মানুষকে সেই শিক্ষাই গ্রহণ করা উচিত, যে শিক্ষা তার অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনধারার উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশের অশিক্ষা ও অপরিকল্পিত পুঁথিগত শিক্ষাব্যবস্থার কারণে প্রায় দেড় কোটি লােক কর্মহীন। এ দুরবস্থা থেকে মুক্তি পেতে পরিকল্পিত ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে জীবন সম্পৃক্ত ও উপার্জনক্ষম কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন জরুরি। কর্মমুখী শিক্ষা আত্মকর্মসংস্থানের নানা সুযােগ সৃষ্টি করে। ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করে তােলে। এ শিক্ষা ব্যক্তি ও দেশকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেয়। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্যবিমােচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তিকে আমরা বিদেশে। পাঠিয়ে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশেও কর্মমুখী। শিক্ষাব্যবস্থাকে শিল্প, বিজ্ঞান, কারিগরি উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধনের উপযােগী করে তােলা অনিবার্যভাবে। প্রয়ােজনীয় হয়ে পড়েছে।

কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার: ও কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্ব আজ সর্বত্র স্বাকৃত। এর মাধ্যমে হাতে-কলমে শিক্ষা গ্রহণ করে। শিক্ষার্থীরা পেশাগত কাজের যােগ্যতা অর্জন করে এবং দক্ষ কর্মী হিসেবে কর্মক্ষেত্রে যােগ দেয়। কর্মমুখী শিক্ষা প্রসার ও উৎকর্ষ সাধন বিনা কোনাে জাতির কৃষি, শিল্প, কল-কারখানা, অন্যান্য উৎপাদন এবং কারিগরি ক্ষেত্রে উনতি সব নয়। বাজাদেশে কর্মমুখী শিক্ষার ক্ষেত্র যে সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশে পাশ .. .। এক কষি বিশ্ববিদ্যালয়। পলিটেকনিক ও ভােকেশনাল জোন, হনমিটউট, লেদার এ টকনােলজি কলেজ, গ্রাফিক্স আর্টস্ কলেজ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এগুলাে কর্মমুখী শিক্ষা প্রসারে ভুমিকা : রাখছে। কিন্তু প্রয়ােজনের তুলনায় তা অপ্রতুল। তাই আমাদের দেশে সরকার ও জনগণের সক্রিয় প্রচেষ্টায় ।

অনেক কর্মমুখী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তােলা দরকার। বর্তমানে মাধ্যমিক স্তরে কর্মমুখী শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।  এর মধ্যে স্কুল ও মাদরাসায় নবম ও দশম শ্রেণিতে বেসিড ট্রেড কোর্স চালু, কৃষিবিজ্ঞান, শিল্প, সমাজকল্যাণ ও গার্হস্থ্য বিজ্ঞান বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত; পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডবল শিফট চালু ইত্যাদি উল্লেখযােগ্য।

উপসংহার: বাংলাদেশ বিপুল জনসংখ্যার দেশ। কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে এ জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। দক্ষ জন শক্তি দেশের সম্পদ উনয়নের মল চাবিকাঠি। তাই আমাদের দেশে অত্যন্ত গরতের সাথে। ব্যাপকভাবে কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটানাে দরকার।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ কর্মমুখী শিক্ষা রচনা SSC | কর্মমুখী শিক্ষা রচনা HSC

বন্ধুরা আজকে তাহলে জানলাম কর্মমুখী শিক্ষা রচনা SSC | কর্মমুখী শিক্ষা রচনা HSC যদি আমাদের আজকের এই কর্মমুখী শিক্ষা রচনা টি ভালো লাগে তাহলে এখনি ফেসবুকে তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিন। আর এই রকমই নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আরকে রায়হান এর সাথে থাকুন।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

Please do not enter any spam link in the comment box.

আরকে রায়হান নোটিফিকেশন