মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত | মাগরিবের নামাজের নিয়ম

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছো তোমরা? নিশ্চয় ভালো আছো। আমাদের আজকের ব্লগ পোস্টের বিষয় হলো মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত, মাগরিবের নামাজের নিয়ম ও মাগরিবের নামাজের নিয়ত ও মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত এবং মাগরিব নামাজের ওয়াক্ত এবং মাগরিবের নামাজের ফজিলত।

মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত  মাগরিবের নামাজের নিয়ম
মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত  মাগরিবের নামাজের নিয়ম

তোমরা যদি মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত, মাগরিবের নামাজের নিয়ম ও মাগরিবের নামাজের নিয়ত ও মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত এবং মাগরিব নামাজের ওয়াক্ত এবং মাগরিবের নামাজের ফজিলত জানতে চাও তাহলে আমাদের পোস্ট টি পুরোটা পড়ে নিবে কারন আমরা আপনাদের এসব বিষয় জানাতে চলেছি আজকের এই পোস্টে। তো বন্ধুরা বেশি কথা না বাড়িয়ে আমরা আমাদের মুল টপিকে চলে যায়। যাওয়ার আগে এক নজরে সুচিপত্র টি দেখে নিয় কি কিথাকবে আজকের পোস্টে।

সুচিপত্রঃ মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত | মাগরিবের নামাজের নিয়ম

মাগরিবের নামাজের বিবরণ

সূর্য পশ্চিম আকাশে সম্পূর্ণ অস্ত যাওয়ার পর থেকে মাগরিবের নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয়। তারপর পশ্চিম আকাশের শাফাক অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত মাগরিবের ওয়াক্ত অবশিষ্ট থাকে। ইমাম আবু ইউসুফ (রহঃ) ও ইমাম মুহাম্মদ (রহঃ)-এর মতে সূর্য। অস্তমিত হওয়ার পর পশ্চিমাকাশে যে লালবর্ণ দেখা যায় তাকে শাফাক বলে। অপরদিকে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-এর মতে লালবর্ণ অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পর | যে সাদা বর্ণ বা শুভ্র আকাশ তাকেই শাফাক বলে । ইমাম আবু হানিফা (রহ)-এর। মতের উপরই ফতােয়া । (ফতােয়ায়ে আলমগীরী) | মাগরিব নামাযের ওয়াক্ত থাকে প্রায় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। তবে সূর্য অস্ত যাওয়ার পর অর্থাৎ আযানের সাথে সাথেই মাগরিবের নামায আদায় করে নেয়া উত্তম। মাগরিবের নামায দেরী করে আদায় করা মাকরূহ। (রমযান মাসে ইফতার শেষ করে মাগরিবের নামায আদায় করবে)। (ফতােয়ায়ে আলমগীরী)।

মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত | মাগরিবের নামাজ কত রাকাত

মাগরিবের নামায মােট ৭ রাকআত । 

  • ৩ রাকআত ফরয।
  • ২ রাকআত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ।
  • ২ রাকআত নফল ।

মাগরিবের ফরযের পূর্বে দুই রাকআত নামায আদায় হাদিস

প্রসঙ্গে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফ্ফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, মহানবী (সঃ) ইরশাদ করেছেন, তােমরা মাগরিবের ফরযের পূর্বে দুই রাকআত নফল নামায আদায় করবে। তােমরা মাগরিবের ফরযের পূর্বে দুই রাকআত নফল নামায আদায় করবে। কিন্তু তৃতীয়বার বললেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে। একথা আমি এ আশংকা করে বললাম, যাতে মানুষ তাকে সুন্নত (সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ) মনে করে ফেলে । (বুখারী ও মুসলিম)।

মাগরিবের পূর্বে দুই রাকআত নামায সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ না হলেও সাহাবাগণ ও তাবেয়ীগণ প্রায়ই এ নামায আদায় করতেন। কিন্তু পরবর্তীতে ফকীহগণ মাসআলা সম্পর্কে লােকদের অজ্ঞতা এবং জামাআতে অসুবিধা সৃষ্টির প্রতি লক্ষ্য করে এ নামায আদায় না করার পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত

نويت أن أصلى لله تعالى ثلث ركعات صلوة المغرب فر الله تعالی متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله أكبر .

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা'আলা ছালাছা রাকআ’তি সালাতিল মাগরিবি ফারদুল্লাহি তা'আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার ।

বাংলা নিয়ত: আমি কেবলামুখী হইয়া আল্লাহর জন্য মাগরিবের তিন রাকয়াত ফরজ নামাজ (এই ইমামের পিছনে) আদায় করিবার নিয়ত করিলাম, আল্লাহু আকবার ।

[জামাআতে ইমাম সাহেবের পিছনে নামায আদায় করা হলে নিয়ত করার সময় ফারদুল্লাহি তাআলার পর বলতে হবে ইকৃতাদাইতু বিহাযাল ইমাম। তারপর বাকী অংশ বলবে।]

মাগরিবের নামাজের নিয়ম | মাগরিবের ফরয নামাজ পড়ার নিয়ম

মাগরিবের তিন রাকআত ফরয নামাযের নিয়ত করে অন্যন্য ফরয নামাযের। মত প্রথম ও দ্বিতীয় রাকআত পূর্ণ করবে। উভয় রাকআতেই সূরা ফাতিহার পর অন্য সূরা মিলাবে। কিরাআত ইচ্ছে করলে উচ্চস্বরে পাঠ করা যাবে, আবার নিঃশব্দেও পাঠ করা যাবে। দ্বিতীয় রাকআতের দুই সিজদার পর বসে আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করে আল্লাহু আকবার বলে ততীয় রাকআতের জন্য দাঁড়িয়ে যাবে। দাড়িয়ে শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা পাঠ করবে, অন্য কোন সূরা মিলাবে না। তারপর তৃতীয়। রাকআত শেষে বসে আত্তাহিয়্যাতু, দরূদ শরীফ ও দোয়া মাসূরা পাঠ করে ডানে ও বামে সালাম ফিরায়ে নামায শেষ করবে।

জামাআতে নামায আদায় করার সময় ইমাম সাহেবের ইক্তিদা করার নিয়ত করবে। ইমাম সাহেবের পিছনে কোন মুক্তাদির কোন সূরা কিরাআত পাঠ করতে হবে না। অন্যান্য দোয়া, দরূদ, তাকবীর, রুকু ও সিজদার তাসবীহ, আত্তাহিয়্যাতু, দোয়া মাসূরা ইত্যাদি পাঠ করবে।

বিলম্বে উপস্থিত হলে জামাআতে অংশ গ্রহণ করার নিয়ম

যদি কোন মুসল্লী মাগরিবের জামাআতে বিলম্ব করে উপস্থিত হয় এবং এসে। দেখে যে, ইমাম সাহেব নামাযে কিরাআত পাঠ করছেন কিংবা এক বা একাধিক রাকআত আদায় করে ফেলেছেন অথবা রুকুতে বা সিজদায় আছেন অথবা বসে তাশাহহুদ পাঠ করা অবস্থায় আছেন, এমতাবস্থায় তৎক্ষণাত জামাআতে অংশগ্রহণ করবে । ইমাম সাহেব যদি সিজদা অবস্থায় থাকেন তাহলে সিজদাতেই অংশ নিবে, আর ইমাম সাহেব যদি তাশাহহুদ পাঠ করা অবস্থায় থাকেন তাহলে তাশাহহুদ অবস্থায়ই অংশ নিবে । জামাআতে ইমাম সাহেবের সাথে অংশগ্রহণ করার নিয়ম হচ্ছে এই যে সােজা দাঁড়িয়ে প্রথমে ইক্তিদা করে নামায আদায় করার নিয়ত করে হাত। উঠিয়ে আল্লাহু আকবার বলে হাত বাঁধবে। ইমাম সাহেবকে যদি নামায়ে কিরাআত। পাঠ করা অবস্থায় পায় তাহলে হাত বাধার পর সানা পাঠ করবে না বরং মনােযােগ সহকারে ইমাম সাহেবের কিরাআত শ্রবণ করবে। (ফতােয়ায়ে আলমগীরী)।

ইমাম সাহেবকে যদি রুকু বা সিজদা অবস্থায় পায় তাহলে দ্রুত ভেবে নিবে। যে, তাকবীর তাহরীমা বেঁধে হাত বাধার পর সানা পাঠ করে রুকু বা সিজদার কিছু অংশ পাবে কিনা, যদি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে মুক্তাদী তাকবীরে তাহরীমা বলে হাত বেঁধে দাড়িয়ে সানা পাঠ করবে। এর পূর্বে ইমাম সাহেবের অনুসরণ করবে না। কিন্তু সানার সাথে আউযুবিল্লাহ পাঠ করবে না। আর যদি সানা পাঠ করলে রুকু বা সিজদায় শামিল হতে পারবে না বলে মনে হয় তবে সানা পাঠ ন করেই রুকু বা সিজদায় শরীক হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে যে, ইমাম সাহেবের সাথে রুকু পেলেই মুক্তাদী ঐ রাকআত পেয়েছে বলে গণ্য হবে। আর যদি ইমাম সাহেবকে তাশাহহুদ পাঠ করা অবস্থায় পায় তখন সানা পাঠ করবে না বরং তাকবীর তাহরীমা বলে হাত বেঁধে পুনরায় আল্লাহু আকবার বলে তাশাহহুদে অংশগ্রহণ করবে। (ফতােয়ায়ে আলমগীরী)। | মাসবূক মুক্তাদী প্রথমে ইমাম সাহেবের সাথে অংশগ্রহণ করে নামাযের যতটুকু পাবে ততটুকু আদায় করবে। তারপর ছুট যাওয়া নামায মুনফারিদ অর্থাৎ একাকী নামায আদায় করার মত আদায় করবে। যদি শরীক হওয়ার পূর্বেই ছুট যাওয়া নামায শুরু করে তাহলে তার নামায ফাসেদ হয়ে যাবে। (ফতােয়ায়ে আলমগীরী)

মাসবূক অর্থাৎ ইমাম সাহেবের সাথে বিলম্বে অংশগ্রহণকারী মুসল্লী আখেরী বৈঠকে ইমাম সাহেবের সাথে তাশাহ্হুদ পরবর্তী দোয়াগুলাে অর্থাৎ দরূদ শরীফ, দোয়া মাসূরা পাঠ করবে না, শুধুমাত্র আত্তাহিয়্যাতু এমনভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করবে। যেন ইমাম সাহেবের সালাম ফিরানাের পূর্বে তা শেষ হয়। তারপর ইমাম সাহেব। যখন বাম পার্শ্বে সালাম ফিরানাে শেষ করবে তখন আল্লাহু আকবার বলে উঠে। দাড়িয়ে ছুট যাওয়া নামায মুনফারিদের মত অর্থাৎ একাকী নামায আদায়কারীর মত যথা নিয়মে আদায় করবে। [ইমাম সাহেব ডান দিকে সালাম ফিরানাের " দাঁড়াবে না। কারণ ইমাম সাহেব সাহু সিজদা দিলে তাকেও সাহু সিজদা দিতে হবে।

জামাআতে ছুট যাওয়া রাকআত আদায়ের নিয়ম

মাসবুক মুসল্লী অর্থাৎ যে মুসল্লী জামাআতে বিলম্বে অংশগ্রহণ করেছে, সে যে কয় রাকআত ইমাম সাহেবের সাথে পায়নি সে রাকআতগুলাে মুনফারিদ মুসল্লী অর্থাৎ একাকী নামায আদায়কারীর মত সানা, আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ ও কিরাআত সহ আদায় করবে। আর ঐ সব রাকআতে যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে সাহ সিজদা দিতে হবে । (ফতােয়ায়ে শামী)। | মাসবুকের যে কয় রাকআত ছুট গেছে তা আদায় করার সময় প্রথমে। কিরাআত বিশিষ্ট রাকআত আদায় করবে, তারপর কিরাআতবিহীন রাকআত আদায় করবে। আর যে কয় রাকআত ইমাম সাহেবের সাথে আদায় করেছে সে রাকআতগুলােকে গণনায় ধরে সে হিসাবে বৈঠক করবে। অর্থাৎ ঐ রাকআতের হিসেবে যা দ্বিতীয় রাকআত তাতে প্রথম বৈঠক করবে। আর তিন রাকআত বিশিষ্ট নামাযে যা তৃতীয় রাকআত হবে তাতে শেষ বৈঠক করবে। যেমন ঃ মাগরিব নামাযের দুই রাকআত হয়ে যাওয়ার পর অর্থাৎ শেষ রাকআতে কোন মুসল্লী

জামাআতে অংশ নিল । তাহলে সে ইমাম সাহেবের শেষ বৈঠকে ইমাম সাহেবের | বাম দিকে সালাম ফিরাবার পর দাঁড়িয়ে যাবে এবং যে কয় রাকআত ছুটে গেছে সে কয় রাকআত আদায় করে নিবে। ছুট যাওয়া নামায আদায় করার নিয়ম হল ঃ 

ইমাম সাহেবের বাম দিকে সালাম ফিরাবার পর মাসবুক মুক্তাদী আল্লাহু আকবার বলে দাড়িয়ে যাবে । ডান দিকে সালাম ফিরাবার পর দাঁড়াবে না। কারণ ইমাম সাহেব যদি সাহু সিজদা দেয় তাহলে তাকেও সাহু সিজদা দিতে হবে। দাঁড়াবার পর প্রথমে সানা, আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পাঠ করার পর সূরা ফাতিহার সাথে কোন একটি সূরা মিলায়ে রুকু সিজদা করে বসে যাবে এবং তাশাহহুদ পাঠ করবে। কেননা, কিরাআতের রাকআত হিসাবে ইহা প্রথম রাকআত, আর পাওয়া রাকআত হিসেবে ইহা তার জন্য দ্বিতীয় রাকআত। তারপর পুনরায় তাকবীর বলে উঠে সূরা ফাতিহার সাথে সূরা মিলাবে। কেননা কিরাআতের রাকআত হিসাবে ইহা দ্বিতীয় রাকআত এবং পাওয়া রাকআত হিসাবে ইহা তৃতীয় রাকআত। তারপর রুকু সিজদা করে বসে যাবে এবং তাশাহহুদ, দরূদ শরীফ ও দোয়া মাসূরা পাঠ করে ডান পার্শ্বে ও বাম পার্শ্বে সালাম ফিরায়ে নামায শেষ করবে।

মাসবুক ব্যক্তি ছুট যাওয়া নামায একাকী আদায় করবে। এক্ষেত্রে সে অন্য। কারাে পিছনে ইক্তিদা করবে না এবং তার পিছনেও অন্য কেউ ইক্তিদা করবে না। এক মাসবুক ব্যক্তি অন্য মাসবূক ব্যক্তির পিছনে ইক্তিদা করলে ইক্তিদাকারীর নামায নষ্ট হয়ে যাবে। (ফতােয়ায়ে আলমগীরী) | দুইজন মাসবুক ব্যক্তি যাদের সমপরিমাণ নামায ছুট গেছে। তাদের একজন দি কি পরিমাণ নামায ছুটে গেছে তা ভুলে যায় এবং অন্য মাসবুক ব্যক্তির দেখাদেখী বাকী নামায আদায় করে, কিন্তু সে তার পিছনে ইক্তিদা করেনি, এক্ষেত্রে উভয়ের নামায শুদ্ধ হবে।

মাগরিবের নামাজের ফজিলত Magrib Er Namaz Koto Rakat

হযরত হুযায়ফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, মহানবী (সঃ) ইরশাদ করেছেন, মাগরিবের পর দুই রাকআত (সুন্নত) অবিলম্বে আদায় করবে। কেননা তা ফরযের সাথে উপরে উঠানাে (অর্থাৎ কবুল করা) হয় । (মেশকাত) | উক্ত হাদীসে বিলম্ব না করা বলতে অধিক বিলম্ব না করাকে বুঝানাে হয়েছে।। মহানবী (সঃ) এ নামায নিজ গৃহে আদায় করতেন। অবশ্য মহানবী (সঃ)-এর ঘর মসজিদ সংলগ্নই ছিল।

মাগরিবের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ম

نويت ان اصلی لله تعالی رتی صلوة المغرب شه رسول الله تعالی متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله أكبر .

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উছল্লিয়া লিল্লাহি তা'আলা রাকয়াতাই সালাতিল মাগরিবি সুন্নাতু রাসূলিল্লাহি তা'আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

বাংলা নিয়তঃ আমি আল্লাহর জন্য কেবলামুখী হইয়া মাগরিবের দুই রাকয়াত সুন্নাত নামাযের নিয়ত করিলাম, আল্লাহু আকবার।

মাগরিবের নামাজের পর নফল নামাজ আদায়ের নিয়ম

মাগরিবের দুই রাকআত নফল আদায় করার নিয়ম আর ফজরের দুই রাকআত সুন্নত আদায় করার নিয়ম একই রকম। শুধুমাত্র নিয়তের মধ্যে নফলের কথা। বলতে হবে। কাজেই মাগরিবের দুই রাকআত নফল নামায আদায় করার নিয়মের জন্য ফজরের দুই রাকআত সুন্নত আদায় করার নিয়ম দেখা যেতে পারে।

আর্টিকেলের শেকথাঃ মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত | মাগরিবের নামাজের নিয়ম

বন্ধুরা আমরা এতক্ষন জেনে নিলাম মাগরিবের নামাজ কয় রাকাত, মাগরিবের নামাজের নিয়ম ও মাগরিবের নামাজের নিয়ত ও মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত এবং মাগরিব নামাজের ওয়াক্ত এবং মাগরিবের নামাজের ফজিলত। যদি তোমাদের আজকের এই পোস্ট টি ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার ও কমেন্ট করতে বুল্বেন না। আর এই রকম নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আর কে রায়হান ওয়েবসাইট টি ভিজিট করুন নিয়মিত।

আরো দেখুন
No Comment
Add Comment
comment url