Rk Raihan https://www.rkraihan.com/2022/08/freelancing-kore-koto.html

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি | ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়

ফেসবুকে লিংক শেয়ার করে ১০০০ টাকা আয়
ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়

বন্ধুরা আমাদের আজকের টপিক হলো ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আপনারা যদি জানতে চান what is freelancing and outsorcing তাহলে অবশ্যই আমাদের পোষ্ট টি পুরোটা পড়ুন তাহলে বুঝতে পারবেন।

প্রথমেই মহান আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করছি যিনি আমাকে আজকের এই লেখার তৌফিক দান করেছেন । দ্বিতীয়ত ধন্যবাদ দিয়ে ছােট করতে চাই না সে সকল মানুষ গুলােকে যারা ভালােবেসে Support করেছেন ।  তাদের রইলাে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ভালােবাসা ও দোয়া এবং অনেক শুভ কামনা।

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি  ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়
ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি  ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়

জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ। Google রিসার্চ অনুযায়ী বাংলাদেশের মােট জনসংখ্যার প্রায় ৪.২৯% মানুষ বেকার।

দেশের জনসংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, সেভাবে বাড়ছে না চাকরির (JOB) সুযােগ। আবার এমনও দেখা যায় যে প্রাতিষ্ঠানিক Study শেষ করার পরে অভিজ্ঞতা থাকার পরেও অনেকের চাকরি মিলে না। তখন তারা ভবিষ্যত অন্ধকার ভেবে নেন। নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন।

কিন্তু এখন চাইলেই মেধা শক্তি কাজে লাগিয়ে Freelancing বা অনলাইনে কাজ করে ইনকামের মাধ্যমে নিজেকে সাবলম্বি হিসেবে তৈরি করা যায় সেটা আমরা ভুলে গিয়েছি আর নয়তাে বিশ্বাস করতে রাজি নই। তাই বাংলাদেশে বেকার Problem দূর করার জন্য এবং যারা নিজেকে বেকার না রেখে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তাদের একটুখানি আশার আলাে দেখানাের জন্য আমাদের আজকের এই লেখাটি সাহায্য করবে।

এই লেখাটিতে আলােচনা করা হয়েছে ফ্রিল্যান্সিং ও Outsourcing এর বিষয়ে। যেটি করে মানুষ এখন মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা Income করতে পারে। কিন্তু অনেক আগ্রহী রয়েছেন যারা একটু গাইডলাইনের জন্য পিছিয়ে পরেন এবং তাদের এই আগ্রহ নষ্ট হয়ে যায়। আর সে আগ্রহকে আরও বৃদ্ধি করতে এই লেখার Guideline যথেষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি। এই লেখাটি পড়ে সকলেই জানতে পারবে যে ‘ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসাের্সিং কি, এই পেশায় কিভাবে আসা যায়, কিভাবে নিজেকে Freelancer হিসেবে তৈরি করতে হবে ইত্যাদি।

সুতরাং, এই লেখাটি আপনাকে হয়তাে কোনাে কাজ শেখাবে না, কিন্তু আপনাকে Freelancing ও আউটসাের্সিং এর কাজ শেখাবে Freelancer হওয়ার জন্য কি করতে হবে না হবে, কোথায় কি কাজ শিখতে হবে না হবে ইত্যাদি নিয়ে একটি পুর্নাঙ্গ ধারণা দেবে বলে আশা রাখছি।

আপনারা পড়তেছেন Freelancing ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি

আমরা অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসাের্সিং-এর নাম শুনেছি। কিন্তু দুইটির মধ্যে পার্থক্য কী ঠিকমতাে অনেকেই জানি না। সুতরাং ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য প্রথমেই আমাদের ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসাের্সিং"-এর ব্যাপারটি ভালােমতাে জানতে হবে।

আউটসোর্সিং কি

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, আউটসাের্সিং এমন একটি কাজকে বােঝায় যেখানে একজন ব্যক্তি যখন কোনাে একটি কাজ নিজের নিজে বা অফিসের কাজ অফিসের কর্মচারী দিয়ে না করিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি হয়ে যায় ‘আউটসাের্সিং' অর্থাৎ তার কাজটি সে অন্য কাউকে বা অন্য একটি উৎসের মাধ্যমে করিয়ে নিল। ফ্রিল্যান্সার (Freelancer) বলতে কী বােঝায়?

Freelancer (মুক্ত পেশাজীবী) শব্দটি এসেছে ফ্রিল্যান্সার Freelancer (Sel-Employed) থেকে এবং যিনি Freelance Job করেন তাকেই Freelancer (মুক্ত পেশাজীবী) বলা হয়। অর্থাৎ এমন একজন পেশাজীবি যার সাধারণ অফিস কর্মকর্তাদের মতাে কোনাে অফিস নেই। তার পেশায় তিনি স্বাধীন। এমন পেশাই ফ্রিল্যান্সিং।

ফ্রিল্যান্সিং কী? ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে | 

আমার ভাষায় ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) বলতে এমন একটি কাজকে বােঝায় যেখানে একজন মানুষ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সাথে ইনটারনেট। কানেকশন দিয়ে ঘরে-বাইরে, মাঠেঘাটে যে-কোনাে এক জায়। বসে ফাইল আদান-প্রদানের মাধ্যমে কোনাে একটি কাজ করে দেয়। তখন সেটাকে ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) বােঝায়। এক্ষেত্রে এখানে যিনি কাজ করছেন আর যার কাজ করে দিচ্ছেন তাদের দুরত্ব যদি এক রুম থেকে আরেক রুমে হয়, ঠিক তখনাে তাকে ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) বলে বিবেচিত করা যাবে। এটি এমন কোনাে বিষয় নয় যে ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) মানেই শুধু আমার দেশ থেকে অন্য আরেক দেশের মানুষের সাথে কাজ করাকে বােঝায়।

সুতরাং সহজেই বােঝা যায় ফ্রিল্যান্সার তাদেরই বােঝায় যারা অন্য একজনের কাজ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সাথে ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে ফাইল আদান-প্রদানের মাধ্যমে করে দেয় আর আউটসাের্সার বলতে তাকেই বােঝায় যিনি কাজটি একজন ফ্রিল্যান্সারকে দিচ্ছেন। তাই বলা যায়, যিনি কাজ দিচ্ছেন তিনি। আউটসাের্সিং করছেন, আর যিনি কাজ করছেন তিনি ফ্রিল্যান্সিং করছেন।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

ফ্রিল্যান্সিং করলে কী ধরনের কাজ করতে হয়?

আমাদের অনেকেরই মাঝে প্রশ্ন থাকে যে আসলে কী ধরনের কাজ করে ইন্টারনেট থেকে ফ্রিল্যান্সাররা আয় করে। অনেকেই ভাবে একটি অ্যাকাউন্ট লাগে, অ্যাকাউন্ট করে কী যেন কাজ করতে হয়! আসলে তথ্যটি পুরােপুরি সঠিক নয়। একজন ফ্রিল্যান্সার আরেজন অফিসের কর্মজীবীর মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য। নেই। কেমন? ধরুন একজন ভিডিও এডিটর বাংলাদেশের এ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরি করেন এবং মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পান এবং তিনি সময় মতাে অফিসে যান ও আসেন। এখানে তাকে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়।

অন্যদিকে যদি ফ্রিল্যান্সার-এর কথা বলি, তবে দেখুন ব্যাপারটির সাদৃশ্য কতটুকু।

একজন ভিডিও এডিটর কখনােই অফিসে যান না কিন্তু তিনিও ৫০ হাজার টাকা মাসে ইনকাম করেন। তাকে বিভিন্ন দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রতি সপ্তাহে একটি করে মুভি বা নাটক এডিট করার জন্য ভিডিও পাঠানাে হয় আর তিনি এডিট করে পুনরায় সেন্ড করে টাকাটা ব্যাংকে নিয়ে নেন। এক্ষেত্রে তিনি একজন ফ্রিল্যান্সার। তাহলে আমরা জানতে পারলাম যে এই ফ্রিল্যান্সিং-এর কাজ আমরা সব জায়গায় দেখি ।

একটি ব্যাংকে যিনি হিসাব করেন, তিনি তাে অবশ্যই computer বসে হিসাব করেন এবং সেটি ইন্টারনেটে বসে করেন। একজন হিসাবকারীও তার এই দক্ষতা দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে টাকা Income করতে পারেন।

একজন আর্কিটেকচার ডিজাইনার যিনি সুন্দর সুন্দর বাড়ির নকশা তৈরি করে দেন, তিনিও বিদেশি কোনাে মানুষের বাড়ির ডিজাইন তৈরি করে দিয়ে Dollar Income করতে পারেন।

একজন Software ইঞ্জিনিয়ার যে-কোনাে বিদেশি মানুষের সফটওয়্যার তৈরি করে দিয়ে তার ব্যাংকে মূল্যটা নিতে পারেন।

ঠিক এভাবেই ফ্রিল্যান্সাররা আসলে তাদের এইসব দক্ষতা দিয়ে বাংলাদেশে Job না করে বিদেশিদের কাজ করে এবং ভালাে অ্যামাউন্টের Dollar উপার্জন করে, একটি স্বাধীন জীবন যাপন করেন। আর তাই এটি একটি স্বাধীন পেশা বলা হয়। আশা করা যায় আপনি পুরােপুরি ক্লিয়ার হতে পেরেছেন যে ফ্রিল্যান্সিং

এর কাজ সেগুলােই, যেগুলাে বাংলাদেশের বা বাইরের কোম্পানিতে কর্মচারীরা কম্পিউটারে বসে করেন। আর অবশ্যই বিভিন্ন কোম্পানিতে বিভিন্ন দক্ষতার মানুষ বিভিন্ন কাজ কম্পিউটারে করেন। সবাই কিন্তু হিসাবপত্র নিয়ে থাকে না। কেউ। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, কেউ আর্কিটেকচার, কেউ ভিডিও এডিটর, কেউ ফটো এডিটর, কেউ গ্রাফিক্স ডিজাইনার, কেউ। লােগাে বা মনােগ্রাম ডিজাইনার, বিজনেস/ভিজিটিং কার্ড ডিজাইনার, কেউ মার্কেটার ইত্যাদি।

সুতরাং, আপনি আইসিটি বিষয়ে যে-কোনাে অভিজ্ঞতার অধিকারী হয়ে বাংলাদেশের কোনাে কোম্পানিতে চাকরি করতে পারেন অথবা Freelancing ও করতে পারেন। ব্যাপারটি পুরােটাই আপনার ওপর নির্ভর করে। এমন কি আপনি একই দক্ষতা দিয়ে বাংলাদেশেও কোনাে কোম্পানিতে চাকরি করতে পারেন এবং বাড়িতে এসে বিদেশি বায়ারেরও কাজ করে আয় করতে পারবেন।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ যেভাবে সম্পন্ন হয়

এবারের অংশে আপনি জানবেন ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে সব ধরনের অভিজ্ঞতা থাকার পরে দৈনন্দিকভাবে কাজটি কীভাবে সম্পন্ন। করতে হয়।

বর্তমানে আমরা ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, নিউজ ওয়েবসাইটে বেশি সময় দিয়ে থাকি। এর বাইরে আরও অনেক কিছুই আছে, যা আমাদের মধ্যে অধিকাংশই জানি না। আপনি যদি এখন ফেসবুকে ঢােকেন তবে হয়তাে আপনি অনেক স্ট্যাটাস, নােটিফিকেশন, অনলাইন ফ্রেন্ডস পাবেন। তাদের মেসেজ করতে পারেন, চ্যাট করতে পারেন।

কিন্তু আপনি জানেন কি এই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতাে আরও হাজারও ওয়েবসাইট আছে, ফেসবুকের মতােই লাখ লাখ মানুষ সেখানে অ্যাকাউন্ট করে এবং অনলাইন থাকে, চ্যাট করি, ছবি সেন্ড করি, কমেন্ট করি ইত্যাদি করে। কিন্তু সেখানে এগুলাে করলে টাকা ইনকামের অপশন থাকে। আপনি হয়তাে চমকে গেলেন এবং ভাবছেন যে অই Website গুলােতেও অ্যাকাউন্ট করতে হবে এবং আড্ডা দিতে হবে।

একদমই ভুল। ফেসবুক যেমন একটি সামাজিক মাধ্যম, প্রথম আলাে যেমন একটি নিউজ পেপার, এমাজন/আলি এক্সপ্রেস/দারাজ ডট কম যেমন অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট এবং প্রােডাক্ট সেল হয়, ঠিক তেমনি এমন কিছু ওয়েবসাইট আছে, যেখানে আপনার সেবা বা সার্ভিস আপনি সেল করতে পারবেন। সেবা বা সার্ভিস বলতে আপনার কাজের দক্ষতা সেল করা। যেমন আপনি ফটো এডিটিং করতে পারেন। আপনি যদি কাউকে ফটো Edit করে দিতে পারেন তবে তিনি আপনাকে টাকা দিবেন। ঠিক এটি করলেন মানে আপনি আপনার সার্ভিস সেল করলেন।

তাই এসব কমন ওয়েবসাইট বাদ দিয়ে আরও কিছু Website আছে, যেখানে আপনি ফ্রিল্যান্সিং-এর কাজ করে দিতে পারবেন এবং এগুলােকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস।

যেমন : 

www.fiverr.com 

www.upwork.com 

www.freelancer.com ইত্যাদি

এবার চলুন আপনাকে এই কাজ সম্পন্ন করার ব্যাপারে একটি ধারণা দেয়া যাক :

আপনি যেমন ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। ঠিক তেমনি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনি www.freelancer.com এ অ্যাকাউন্ট করতে পারবেন। (এসব বিষয় নিয়ে পরবর্তীতে আরও ভালাে করে আলােচনা হবে)।

আপনি ফেসবুকে কাউকে মেসেজ দিতে পারেন, Freelancing। মার্কেটপ্লেসেও মেসেজ দেওয়া যায়, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া। যায়, কিন্তু সেটি আসলে স্ট্যাটাস নয়, সেটিকে আমরা সাধারণ চাকরির সার্কুলার” হিসেবে ধরে নিতে পারি। আমরা যেমন ফেসবুকে কমেন্ট করে তার স্ট্যাটাস সম্পর্কে মন্তব্য করতে পারি। আর এই মন্তব্য (Freelancing) মার্কেটপ্লেসে কাজ করার আবেদন” হিসেবে ধরে নেয়া যায়। এক্ষেত্রে জব সার্কুলার ফ্রিল্যান্সাররা খুব। একটা দেয় না। জব সার্কুলার বিভিন্ন বায়াররা দিয়ে থাকেন, আর ফ্রিল্যান্সাররা সেখানে আবেদন করে থাকেন। ঠিক তেমনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের একটি জব সার্কুলার-এর নমুনা দেখে। নেওয়া যাক।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

I need a website

Hey! I need a website. The website will be an ECommerce Website. If you want to know about the structure, demo or layout. It's simple. It will be similar to Amazon.com or Daraz.com. I need this done within 14 days. Thanks

Budget: $1500 

Duration: 2 Weeks

ঠিক এ ধরনের একটি করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাইটেল এবং ডেস্ক্রিপশন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে স্ট্যাটাসের মতাে পােস্ট হতেই থাকে। এবার এ ধরনের পােস্ট দেখে একজন ফ্রিল্যান্সার সেখানে। আবেদন করার একটি অপশন পান এবং সেই অপশনে গিয়ে আবেদন লিখেন। আবেদনটির একটি নমুনা দেওয়া হলাে :

বি. দ্র.: যে আবেদনটি দেওয়া হয়েছে এটি পুরােপুরি কপি ব্যবহার করা যাবে না। কারণ Freelancing মার্কেট প্লেসে এক একটি আবেদনের জন্য এক এক রকম ভাবে লিখতে হবে। তবে এখানে আসলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আপনি কারাে কাজ করে দিতে ইচ্ছুক এবং আপনার কী কী অভিজ্ঞতা আছে এসব সম্মানের সাথে লিখে application করলেই হবে।

যেমন -

Dear Hiring Manager,

Thanks for posting the project. I have gone through your job description and I believe that my skills are ideal for is projer.

Over the last 5 years I have been working as a Senior Web Developer and developed many E. Commerce websites.

I have the following skills:

HTML5, 

CSS3, 

PHP, 

JAVASCRIPT, 

JQUERY BOOTSTRAP. 

WORDPRESS THEME & PLUGIN DEVELOPMENT ETC.

On the other hand I can speak in English fluently which will make our communication easy. Looking forward to hearing from you soon.

Sincerely 

BanglaData.info

মােটামুটি এভাবে গুছিয়ে সম্মানের সাথে লিখে বিভিন্ন দেশ । থেকে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সাররা সেই সার্কুলার বা প্রজেক্টে আবেদন। করেন। এই আবেদনকে বলা হয় “বিড” অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সাররা সেই প্রজেক্টে বিড করেন। এরপর যিনি প্রজেক্ট পােস্ট করেছেন তিনি। যদি হন নিউইয়র্ক থেকে আর বাকি ফ্রিল্যান্সাররা যদি হয় অন্যান্য দেশ থেকেন। 

তখন সময় না মিলার কারণে অনেকেই ঘুমিয়ে থাকেন। তাে যারা জেগে থাকেন তারা আবেদন করেন। বায়ারটি। কিছুক্ষণ পরে বা কয়েক ঘণ্টা পরে বা একদিন পরে হলেও আবেদনগুলাে চেক করেন। ঠিক যেমন আমরা ফেসবুকে। নােটিফিকেশন চেক করি অনেকটা সেরকমই। 

বায়ারটি চেক করার সময় যদি কারাে আবেদন পড়ে ভালাে লাগে, বিশ্বস্ত মনে। হয়, তখন তাকে মেসেজ করেন। এক্ষেত্রে বায়ার-এর আগে কোনাে ফ্রিল্যান্সার তাকে মেসেজ করতে পারবেন না। এই অপশনটি সেখানে থাকে না। নয়তাে সবাই মেসেজ দিয়ে ইনবক্স ফুল করে ফেলবেন। তাই Website কর্তৃপক্ষ এই সুযােগ রাখেননি। 

বায়ার ম্যাসেজ দেওয়ার পরে যদি দেখেন যে সেই Freelancer অনলাইনে নেই বা তার দেশে তখন রাত ৩টা সে ঘুমাচ্ছেন। তাহলে বায়ারটির ইচ্ছে হলে অপেক্ষা করেন উত্তরের জন্য; আর নয়তাে সে আরেকজনকে মেসেজ দেন যিনি অনলাইনে। রয়েছেন।

‘আর এ কারণেই বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা একটু রাত বেশি জাগে প্রজেক্টের আশায়।

এরপরে বায়ার ও ফ্রিল্যান্সার মিলে বিস্তারিত কথাবার্তা বলেন। মেসেজে। সবকিছু ঠিক থাকলে বায়ার প্রজেক্টটি ফ্রিল্যান্সার-এর কাছে হ্যান্ডওভার করে দেন সেই মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে এবং প্রজেক্টের টাকা জামানােত হিসেবে মার্কেটপ্লেসের কর্তৃপক্ষকে দিয়ে দেন (Third Party)। তবে প্রতারণার ভয় থাকে না এবং সেখানে বাকি ফ্রিল্যান্সারদের কাছে Notification চলে যায় যে। কাক্ষিত প্রজেক্টটি অমুকের কাছে হ্যান্ডওভার করা হয়েছে। 

বায়ার যে টাইম দেয় Freelancer চাইলে সেই টাইমের মধ্যেই কাজ শেষ করে ফেলতে পারে বা তার আরও সময় প্রয়ােজন হলে চেয়ে নিতে পারে। কিন্তু বায়ার Buyer এর খুব আর্জেন্ট হলে আর কিছু করার থাকে না; ফ্রিল্যান্সারকে সে কাজটি সম্পন্ন করতেই হবে, অন্যথায় প্রজেক্ট কেনসেল হবে এবং মার্কেটপ্লেস কর্তৃপক্ষ জামানােতের টাকা বায়ারকে ফেরত দিয়ে দেবেন।

কাজ শেষ করার পর ফ্রিল্যান্সারকে বায়ার সেই মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে ডলার দিয়ে দেন এবং মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা WITHDRAW বা ট্রান্সফার করতে গেলে ফ্রিল্যান্সার তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রদান করে সাবমিট করে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেই ডলার টাকায় কনভার্ট হয়ে ফ্রিল্যান্সারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিপােজিট হয়ে যায়। ব্যস, এভাবেই কাজগুলাে সম্পন্ন হয়ে। থাকে।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি এক কথায় অনেক ভালাে। কারণ যত দিন যাচ্ছে পৃথিবী ততই উন্নত হচ্ছে। মানুষের বিভিন্ন রকম চাহিদা বাড়ছে। বিভিন্ন নতুন নতুন কোম্পানি গঠন হচ্ছে। নতুন নতুন প্রােডাক্ট আসছে। যেসব জিনিসের সাথে রয়েছে আইসিটির গভীর সম্পর্ক। এখন আইসিটি ছাড়া যেহেতু কোনাে কোম্পানিকে কল্পনা করা যায় না, ঠিক তেমনি সেই কোম্পানির অনেক কাজকর্ম করার জন্য মানুষের প্রয়ােজন হবে। আর Company গুলাে তাদের পেআউট বা কর্মচারীদের স্যালারি যা দিয়ে থাকে তা কমানাের জন্য আউটসাের্স করে ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন দিনের পর দিন।।

এভাবে যত দিন যাচ্ছে তত বেশি Freelancer তৈরি হচ্ছে এবং বায়ারের সংখ্যা বাড়ছে। তাই বর্তমানে কিন্তু কমপিটিশন অনেক বেশি এবং আগের মতাে আর এই ব্যাপারটি সহজ নেই। ভালাে স্কিলওয়ালা মানুষের অভাব নেই এই পৃথীবিতে এখন। তাই আপনাকে নিজের স্কিলকেও খুব ভালােভাবে ডেভেলপ করে নিতে হবে। নয়তাে অল্প কিছু স্কিল ডেভেলপ করে Freelancing পেশায় আসতে গেলে আপনি দু-দিনেই ঝরে পড়বেন।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও Freelancing করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

শিক্ষাগত যােগ্যতা ও বয়স

শিক্ষাগত যােগ্যতা ও বয়স নিয়ে অনেকের চিন্তা রয়েই যায় । ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে শিক্ষাগত যােগ্যতা ও বয়সের তারতম কোনাে প্রভাব ফেলবে কি না অথবা ১৮ বছরের নিচে হলো, ফ্রিল্যান্সার হওয়া যাবে কি না ইত্যাদি। এর জন্য ছােট্ট করে। বলতে হয়, Freelancing যেহেতু আপনাকে কোনাে অফিসে গিয়ে চাকরি করতে বলে না, সেহেতু এখানে সার্টিফিকেট দিয়ে ইন্টারভিউ-এর কোনাে দরকার হয় না। এখানে প্রয়ােজন হয় কাজের দক্ষতা। 

আর যদি বয়সের কথা বলি তবে এখানেও কোনাে নির্ধারিত বয়স নেই। আপনি যদি ১৮ বছরের নিচে হয়ে থাকেন, ভােটার আইডি কার্ড বা পাসপোের্ট কিছুই না থাকে। তবে। আপনার ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য যে সমস্ত ডকুমেন্টস প্রয়ােজন। সেগুলাে নিজের বাবা-মা অথবা ভাই-বােনের ডকুমেন্টস ব্যবহার। করলেই চলবে। কাজ আপনি নিজেই করবেন। শুধু নিবন্ধন তাদের নামে হবে। এক্ষেত্রে কোনাে প্রকার সমস্যা হবে না।

কিন্তু আপনি তাে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কোনাে একজন ব্যক্তির সাথে অনলাইনে যােগাযােগ করবেন অর্থাৎ আপনাকে দিয়ে যে কাজ করিয়ে নেবেন তিনি হতে পারেন বাংলাদেশি, হতে পারেন। ইন্ডিয়ান, হতে পারেন আমেরিকান- তাহলে ভাবুন তাে যে মানুষটির সাথে কাজ করবেন তার সাথে অবশ্যই আপনার ম্যাসেজ/কাভারসেশন হবে, তাই না? 
যদি আপনি হিন্দি জানেন তবে ইন্ডিয়া থেকে হলে আপনি হিন্দিতে কথা বলতে পারবেন, আর বাংলাদেশি হলে বাংলায় এবং American হলে তাে ইংরেজি ছাড়া কোনাে কথাই নেই। প্রকৃতপক্ষে অনলাইনের কাজগুলাে ইউরােপিয়ান, আমেরিকানরা বেশি করতে দেয় আর তাদের ভাষাটাও ইংরেজি। অতএব ইংরেজি ছাড়া আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন । 
কিন্তু কাজ শেখা শুরু করতে পারেন। পাশাপাশি English ভাষাও পরিচর্চার মাধ্যমে কাজ শেখা শেষ হতে না হতেই ইংরেজিতে ভালােভাবে লিখতে, পড়তে ও বুঝতে হবে। স্পিকিং করতে পারলে সুবিধা বেশি পাওয়া যায়।
আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

ইংরেজি মােটামুটি পারি, আমার দ্বারা হবে কি না

আপনি হয়তাে ভাবছেন আপনি ইংরেজিতে খুব বেশি দক্ষ কাজ মােটামুটি লিখতে পারেন কিন্তু বলতে গেলে আটকে যান। সমস নেই লিখতে পারলে চলবে। কিন্তু আপনাকে ছােট্ট একটি উদাহন দিলে হয়তাে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।
ধরুন আপনি উত্তরবঙ্গের, আর চাকরি করছেন দক্ষিণ বঙ্গের একটি অফিসে, যেখানে তারা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে তবে আপনি যদি উত্তরবঙ্গের ভাষা ব্যবহার করেন তবে কি অফিসের কর্মচারীরা বা মালিক ঠিকমতাে বুঝতে পারবে? হ্যা কিছুটা বুঝতে পারবে, কিন্তু পুরােটা বুঝতে অনেক সময় নষ্ট হবে এবং এখানে ঝামেলা সৃষ্টি হবে।

ঠিক এভাবেই ভাবুন, ইউরােপিয়ান, আমেরিকান ‘টাইম ইজ মানি' ভাবেন। আর তারা কী চাইবে আপনার সাথে একটি কাজ। নিয়ে কনভারসেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নষ্ট করতে? বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়াতে দক্ষ ভাষা জানা মানুষের অভাব নেই। তাই কোনাে রকম ফাঁকি দিয়ে এই কাজ শিখতেও পারবেন না, কাজ করতেও পারবেন না। সুতরাং আজ থেকেই ইংরেজি পরিচর্চা করা শুরু করে দিন। এটি আপনার ভবিষ্যতেও অনেক কাজে আসবে। ও ফ্রিল্যান্সিং-এর জন্য নয়। বর্তমানে ভালাে ক্যারিয়ারের জন্য ইংরেজির গুরুত্ব অপরিসীম।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

আর কী কী দক্ষতা প্রয়ােজন?

ধরুন আপনি ইংরেজি ভালাে জানেন। তাহলে কি আপনি Freelancing করতে পারবেন? হ্যা অবশ্যই কিন্তু ছােট্ট একটি প্রশ্ন নিজেকে করুন :

ধরুন আপনি একটি বাইক কিনেছেন, কিন্তু ড্রাইভিং জানেন । কীভাবে গিয়ার প্রেস করে কীভাবে নিউট্রাল করে, কীভাবে লাইট জ্বালাতে হয়, কীভাবে হার্ড ব্রেক ধরতে হয় ইত্যাদি আপনি জানেন না। এ অবস্থায় আপনি কি বাইকটি চালাতে পারবেন? আপনার উত্তর অবশ্যই ‘না’ হবে।

সুতরাং, আপনি যে মেশিন দিয়ে কাজ করবেন সে মেশিন সম্পর্কে আপনার ভালাে ধারণা থাকতে হবে। আপনি কাজ করবেন কম্পিউটার এবং Internet, তবে অবশ্যই আপনাকে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের হাফেজ হতে হবে। কম্পিউটারে ফাংশন জনিত কোনাে সমস্যা হলে আপনি যদি অন্য কারাে কাছে । দৌড়ান বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সমস্যা হলে আপনি যদি আরেকজনের কাছে হেল্প-এর জন্য দৌড়ান, তবে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং নয় । Freelancing তার জন্য যে আপনার এসব সমস্যা সমাধান করার অভিজ্ঞতা রাখেন।

সুতরাং এমন কোনাে মেজর সমস্যা হলে আপনি যেন নিজেই। সেটির সমাধান করতে পারেন এ রকম দক্ষতা থাকতে হবে। যদি সমস্যাটি কোনাে রকমই সমাধান না হয় তবে হয়তাে রিপেয়ান এর কাছে নিয়ে যেতে হবে।

তারপরেও বেসিক যেসকল বিষয় সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাক হবে সেগুলাের লিস্ট নিচে দেওয়া হলাে :

১. Computer চালু ও বন্ধ করতে জানতে হবে।

২. কম্পিউটারের Microsoft অফিস প্রোগ্রামের বিষয় গুলো সব জানতে হবে। (এক্ষেত্রে আপনি কম্পিউটারের জন্য ৬ মাসের একটি প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।)

৩. Typing Speed ভালাে থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কোনাে স্পেসিফিক স্পিড নেই। যত ভালাে করতে পারবেন ততই ভালাে। 

৪. Software ইন্সটল ও রিমুভ করা জানতে হবে।। 

৫. ইন্টারনেট Browsing সম্পর্কে ভালাে ধারণা থাকতে হবে।

৬. Computer ও ইন্টারনেট জনিত কোনাে সমস্যায় পড়লে বা আপনি কোনাে একটি জিনিস করতে পারছেন না, সেটির। জন্য আপনার ফ্রেন্ডের কাছে হেল্প না চেয়ে গুগলে সার্চ করে সমস্যাটি সমাধানের জ্ঞান থাকতে হবে।

৭. Windows ইন্সটল করতে জানতে হবে।

৮, কোনাে ফাংশনে সমস্যা হলে সমাধান করার Experience থাকতে হবে।

৯. কম্পিউটারে Software জনিত কোনাে সমস্যা হলে গুগলে Search করে সমাধান করার জ্ঞান থাকতে হবে।

এখানে মােটামুটি যেসব লিস্ট দেওয়া হয়েছে এসব জানার পাশাপাশি ছােট্ট একটি উদাহরণ পেলে আপনি আরও পরিষ্কার। হতে পারবেন। আপনি যদি একটি Smartphone ব্যবহার করে।

থাকেন, তবে ঐ ফোনের প্রায় ৮০% ফাংশন সম্পর্কে আপনি জানেন। আর ঠিক মােবাইলটি আপনি যেভাবে ব্যবহার করতে জানেন। কোনােকিছু বের করতে বা Internet ব্রাউজিং করতে কোনাে সমস্যা হলে আপনি নিজেই সমাধান করেন। ঠিক সেভাবেই আপনাকে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

অন্যদিকে আপনি যদি শুধু Facebook, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, Twitter ইত্যাদি নিয়েই পড়ে থাকেন তবে আপনি অনেক পিছিয়ে। আপনাকে আরও ডিজিটাল হতে হবে। শুধু এসব মানেই ডিজিটাল নয়, আপনাকে আরও জানতে হবে, যেমন আপনি একটি অপরিচিত ওয়েবসাইটে ভিজিট করার পরে ওয়েবসাইটটি রিসার্চ করে জানতে পারেন সেটি কোন ওয়েবসাইট, কোন কোম্পানির ওয়েবসাইট, এখানে অ্যাকাউন্ট খােলা যায় কিনা, অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে কী কী তথ্য প্রয়ােজন হয় ইত্যাদি। আপনাকে সর্বোপরি কম্পিউটার ও Internet সম্পর্কে খুবই চালু ও দক্ষ হতে হবে।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

লেখাপড়া বা চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং

আমাদের অনেকেই আছি চাকরিজীবী অনেকেই আছি ছাত্র । সবারই একটি কৌতুহল থাকে যে চাকরির বা লেখাপড়ার পাশাপাশি এই পেশায় আসা যাবে কি-না।

হ্যা অবশ্যই আপনি চাকরি বা লেখাপড়ার পাশাপাশি এই পেশায় আসতে পারেন। এটি আপনার একটি বাড়তি ইনকাম জোগাতে সহায়তা করবে। তবে অবশ্যই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে লেখাপড়া বা চাকরির মধ্যে এই Freelancing এর জন্য যেন ব্যাঘাত না ঘটে। আপনি কোন ক্লাসে পড়েন অথবা কোন চাকরি করেন সেটি এখানে মুখ্য বিষয় নয়। এই লেখাটিতে যেসব বিষয় নিয়ে আলােচনা হয়েছে, সেগুলাে আপনার মাঝে। থাকলেই আপনি Freelancing করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়

আমরা অধিকাংশ মানুষই আগে এই প্রশ্ন করে থাকি যে Freelancing করে মাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব। এই প্রশ্নের উত্তর শুনলে হয়তাে কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না। সত্যিকার অর্থে একজন ফ্রিল্যান্সার মাসে ১০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। আবার তিনি যদি টিম নিয়ে কাজ করেন তাহলে সেটা আরও দিগুণ হতে পারে। কিন্তু একা কাজ করলে অন্তত ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪-৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। আর তার জন্য অবশ্যই সময়ের প্রয়ােজন রয়েছে এবং পরিশ্রমের প্রয়ােজন রয়েছে।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কতদিন সময় লাগতে পারে?

এটি একটি ভুল প্রশ্ন। কেন? কারণ Freelancing একটি পেশা। এটাকে শেখা যায় না। বলতে হবে যে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আমি যে কাজটি করব সেটি শিখতে কতদিন সময় লাগতে পারে? তবে এখানে আপনাকে নির্বাচন করতে হবে কোন কাজটি আপনি শিখতে ইচ্ছুক।

আবার কোন কাজটি আপনি শিখতে ইচ্ছুক এটি জানতে গেলে আপনাকে জানতে হবে কী কী কাজ অনলাইনের মাধ্যমে করে টাকা ইনকাম করা যায়। তার আগে “শিখতে কতদিন লাগবে" এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। এক-এক ধরনের কাজ বিভিন্ন সময় ধরে শিখতে হয়। আপনি কোন কাজটি করবেন সেটি আগে জানা প্রয়ােজন এবং সেই কাজের ভবিষ্যৎ কি তা-ও জানা প্রয়ােজন।

সুতরাং এই লেখার মাধ্যমে আমি আপনাকে স্টেপ বাই  স্টেপ নিয়ে যাব। আপনি হয়ে যাবেন জিরাে থেকে হিরাে।

আপনারা পড়তেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? আশা করি আমাদের আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। পড়তে থাকুন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ 

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় এই লেকাটি আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি আমাদের আজকের আর্টিকেল টি ভালো লাগে তাহলে রখনি বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন।

Share this post:

1 Comments

Please read our Comment Policy before commenting. ??

Please do not enter any spam link in the comment box.

Notification