১৬টি মানব কল্যাণ প্রবন্ধের অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর - Hsc Bangla Manob Kollan

১৬টি মানব কল্যাণ প্রবন্ধের অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর
১৬টি মানব কল্যাণ প্রবন্ধের অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর

১৬টি মানব কল্যাণ প্রবন্ধের অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর | Hsc Bangla 1st Paper Manob Kollan

প্রশ্ন-১. 'একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও আমরা মানব-কল্যাণ মনে করে 'থাকি'— কথাটি দ্বারা লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: ‘একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও আমরা মানব-কল্যাণ মনে করে থাকি'— কথাটি দ্বারা লেখক মানব কল্যাণ সম্পর্কে আমাদের ভুল ধারণাকে বোঝাতে চেয়েছেন।

লেখকের মতে, বর্তমানে মানুষ মানব-কল্যাণ কথাটার প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারে না। আর এ কারণে তারা একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়ার মতো ক্ষুদ্র কাজকেও মানব কল্যাণ বলে মনে করে থাকে। 

অথচ এ কাজে প্রকৃতপক্ষে মানব-মর্যাদাকে লঙ্ঘন করা হয়। প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা লেখক মানব-কল্যাণ সম্পর্কে মানুষের এই ভুল ধারণাকেই বোঝাতে চেয়েছেন। 

প্রশ্ন-২. মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে? ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়ার মতো ক্ষুদ্র কাজকে মানব কল্যাণ বলে মনে করলে মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় ।

বর্তমানে মানুষ নিজের অজান্তেই মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করার মতো কাজ করে থাকে। কারণ তারা একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়ার মতো কাজকেও মানব-কল্যাণ মনে করে। 

অথচ এই কাজের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে মনুষ্যত্বের অবমাননাই ঘটে থাকে। মানুষের মর্যাদা না বেড়ে এতে আরও ক্ষুণ্ণ হয়। মূলত প্রকৃত মানব কল্যাণ সম্পর্কে উপলব্ধিহীনতার কারণেই এমনটা ঘটে থাকে ।

প্রশ্ন-৩. মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার বিষয়টি মানুষের উপলব্ধি করা হয় না কেন? ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর: মানব-কল্যাণ কথাটাকে সস্তা আর মামুলি অর্থে ব্যবহার করার কারণে মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার বিষয়টি মানুষের উপলব্ধি করা হয় না ।

আমাদের প্রচলিত ধারণা ও চলতি কথায় মানব-কল্যাণ কথাটা অনেকখানি সস্তা আর মামুলি অর্থে ব্যবহৃত হয়। 

এ কারণে মানুষ মানব-কল্যাণ কথাটার | প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়। আর একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়ার মতো ক্ষুদ্র কাজকেও মানব কল্যাণ বলে মনে করে। 

অথচ এতে প্রকৃতপক্ষে মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদার অপমান ঘটে। তাই বলা যায়, মানব-কল্যাণ কথাটার ভুল অর্থ করার কারণেই মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার বিষয়টি মানুষের উপলব্ধি করা হয় না ।

প্রশ্ন-৪. ‘ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ'— কথাটি কেন বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: দান করা একটি উত্তম কাজ হওয়ায় ওপরের হাত সব সময় নিচের হাতের থেকে শ্রেষ্ঠ ।

ওপরের হাত বলতে দাতাকে বোঝানো হয়। আর নিচের হাত দ্বারা বোঝানো হয় গ্রহীতাকে। ইসলামের নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) ওপরের হাতকে উত্তম বলেছেন, কারণ এ হাত ওপর থেকে অনুগ্রহ বর্ষণ করে, আর নিচের হাত সেই দান গ্রহণ করে। মূলত দান করার মাহাত্ম্য এবং দানগ্রহীতার দীনতা তুলে ধরতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৫. দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কীভাবে প্রতিফলিত হয়? 

উত্তর: দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্ব অবয়বে বীভৎসরূপে প্রতিফলিত হয় ।

ভিক্ষা গ্রহণ কখনোই মহৎ কাজ নয়। যে এটি গ্রহণ করে তার সর্ব অবয়বে একপ্রকার দীনতা প্রকাশ পায়। লেখকের দৃষ্টিতে এটি একপ্রকার বীভৎসরূপ । এর মাধ্যমে কখনোই আত্মমর্যাদা বাড়ে না বরং কমে ।

প্রশ্ন-৬. একটি রাষ্ট্র কীভাবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: হাত পাতা ও চাটুকারিতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে একটি রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে।

একটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু প্রশাসন চালানো নয়, বরং জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলাও তার অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু কোনো রাষ্ট্র যদি হাত পাতা বা চাটুকারিতাকে প্রশ্রয় দেয়, তবে সে রাষ্ট্র কখনোই সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। 

কারণ এ দুটি কাজ কেবল আত্মমর্যাদাবোধের হানিই ঘটায়। তাই আলোচ্য প্রবন্ধের লেখকের মতে, হাত পাতা ও চাটুকারিতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে একটি রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে ।

প্রশ্ন-৭, দান-খয়রাতকে লেখক মানব-কল্যাণ বলে অভিহিত করতে চান না কেন?

উত্তর: মনুষ্যত্বের অবমাননা ঘটে বলে দান-খয়রাতকে লেখক মানব- কল্যাণ বলে অভিহিত করতে চান না।

অনেক মানুষ সামান্য দান-খয়রাতকেই মানব-কল্যাণ বলে বিবেচনা করে থাকে। কিন্তু লেখক এমনটা মনে করেন না। তাঁর মতে অন্যরা যেটাকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন, আদতে তা মনুষ্যত্বের অবমাননার শামিল। 

কারণ সামান্য দান-খয়রাত প্রকৃত মানব কল্যাণ সাধন তো করেই না, বরং মানব-মর্যাদার অবমাননা ঘটায়। আর এ কারণেই লেখক একে মানব-কল্যাণ বলে অভিহিত করতে চান না।

প্রশ্ন-৮. মানব-কল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যেই নিহিত কেন?

উত্তর: মনুষ্যত্ববোধ অর্জন সম্ভব হয় বলে মানব-কল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ বৃদ্ধি আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যেই নিহিত ।

মানব-কল্যাণের প্রকৃত অর্থ মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস। অর্থাৎ মানব-কল্যাণের লক্ষ্য সকল অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় মানুষের উত্তরণ ঘটানো। 

কিন্তু অনেকে করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাত করাকে মানব কল্যাণ বলে মনে করেন। অথচ এর মাধ্যমে কেবল মনুষ্যত্বের অবমাননাই ঘটে। তাই লেখক একে মানব-কল্যাণ বলে অভিহিত করতে চান না। 

তিনি মনে করেন, মানব-কল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ বৃদ্ধি আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যেই নিহিত, কারণ এর মাধ্যমেই কেবল মনুষ্যত্ববোধ অর্জন সম্ভব হয়।

প্রশ্ন-৯. ইসলামের নবি ভিক্ষুককে স্বাবলম্বনের পথ দেখিয়েছিলেন কেন? 

উত্তর: ভিক্ষা ছেড়ে মর্যাদার সাথে জীবনযাপনের জন্য ইসলামের নবি ভিক্ষুককে স্বাবলম্বনের পথ দেখিয়েছিলেন ।

ইসলাম ধর্মে ভিক্ষা করাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। কারণ ভিক্ষা করলে মানব-মর্যাদা হ্রাস পায়, সমাজে তার কোনো সম্মান থাকে না। 

এমনকি তার দ্বারা দেশের কোনো কল্যাণ সাধিত হয় না। অন্যদিকে, পরিশ্রম করে জীবিকা অর্জন করলে সমাজে আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকা যায়, আবার রাষ্ট্রেরও কল্যাণ সাধিত হয়। আর এ কারণেই ইসলামের নবি ভিক্ষুককে স্বাবলম্বনের পথ দেখিয়েছিলেন ।

প্রশ্ন-১০. মানব-কল্যাণের কুৎসিত রূপ দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই কেন? 

উত্তর: মানব-কল্যাণের কুৎসিত রূপ আমাদের সমাজে প্রতিনিয়তই দেখা যায় বলে লেখক বলেছেন, এটি দেখতে দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই । 

'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লেখক প্রকৃত মানব কল্যাণের স্বরূপ উপস্থাপন করেছেন। তিনি মনে করেন মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াসই হলো মানব-কল্যাণ। 

কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ এই সত্যটি ভুলে যায়। তারা সামান্য দান-খয়রাত করাকেও মানব কল্যাণ বলে মনে করে। 

লেখকের মতে, এটি মানব-মর্যাদার অবমাননা, যা তিনি তাঁর আশেপাশে তাকালেই দেখতে পান। এর জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না । মানব-মর্যাদার এরূপ অবমাননাকর পদ্ধতিকেই তিনি কুৎসিত বলেছেন । 

প্রশ্ন-১১. বর্তমানে রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা মানুষকে বিভক্ত করে কেন?

উত্তর: রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা বর্তমানে মানব কল্যাণের প্রধানতম অন্তরায় বলে তা মানুষকে বিভক্ত করে।

বর্তমান সময়ের মানুষ মানব-কল্যাণ কথাটার প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারে না। তারা এর ভুল অর্থ করে মানব-মর্যাদার অবমাননা ঘটিয়ে থাকে। 

তাদের এ উপলব্ধিহীনতা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে গেছে। ফলে রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা আজ মানুষকে মেলায় না, বরং বিভক্ত করে। 

সুতরাং রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা বর্তমানে মানব-কল্যাণের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে, যা মানুষের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করে ।

প্রশ্ন-১২. বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারও কল্যাণ করা যায় না কেন? 

উত্তর: বিভক্তিকরণের মনোভাব মানুষকে একসাথে মেলায় না বলে কারও কল্যাণ করা যায় না ।

বিভক্তিকরণের মনোভাব মানুষকে কেবল বিভক্তই করে থাকে। আর বিভক্তি কখনো কল্যাণ বয়ে আনে না। কল্যাণ বয়ে আনতে পারে একমাত্র সমতা আর সহযোগ-সহযোগিতার পথ। 

কিন্তু বর্তমানে এই পথের প্রধান অন্তরায় হয়ে উঠেছে রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা। এ চেতনা কেবল মানুষকে বিভক্তই করে, মেলায় না; কারণ এর দ্বারা মানব-কল্যাণ সাধিত হয় না। তাই বলা যায়, বিভক্তিকরণের মনোভাব মানুষকে একসাথে মেলায় না বলে কারও কল্যাণ করা যায় না।

প্রশ্ন-১৩. ‘মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধানুসারে মানুষের কল্যাণ করা যায় কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধানুসারে মানুষের কল্যাণ করা যায় সমতা আর পারস্পরিক সংযোগ-সহযোগিতার পথে।

আমাদের সমাজে মানব-কল্যাণ কথাটা সস্তা ও মামুলি অর্থে ব্যবহৃত হয়। এখানে একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও মানব-কল্যাণ বলে মনে করা হয়। 

আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের পরতে পরতে এরূপ নেতিবাচক ধারণা ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের মাঝে বিভক্তির সৃষ্টি হয়েছে। 

লেখকের মতে, এরূপ বিভক্তি দূর করতে প্রয়োজন সকলের মাঝে সমতা ও পারস্পরিক সংযোগ-সহযোগিতা। তিনি মনে করেন, কেবল এর মাধ্যমেই মানুষের কল্যাণ করা সম্ভব।

প্রশ্ন-১৪. ‘সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল'- করো । 

উত্তর: সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ প্রতিভাদের মহৎ চিন্তা-ভাবনার ফসল। মহৎ মানুষদের দ্বারাই পৃথিবীতে যাবতীয় মহৎকার্য সম্পাদিত হয়। 

যুগে যুগে আমাদের দেশেও অনেক মহৎ প্রতিভাবান ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটেছে। তাঁরা তাঁদের মহৎ চিন্তা-ভাবনার দ্বারা মানব-কল্যাণ সাধন করেছেন । 

আর সেই মানবিক চিন্তা ও আদর্শের উত্তরাধিকার, আমাদের জন্য রেখে গেছেন। তাই বলা যায়, সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ মানুষদের মহ‍ চিন্তা-ভাবনারই ফসল।

প্রশ্ন-১৫. “কিন্তু ভেতরে মানুষের মধ্যে রয়েছে এক অসীম ও অনন্ত সম্ভাবনার বীজ।” ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর: উক্তিটি দ্বারা অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষের শ্রেষ্ঠত্বকে বোঝানো হয়েছে। প্রাণিত্বের দিক থেকে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে কোনো পার্থক্য না থাকলেও অন্য গুণাবলির দিক বিচার করলে আকাশ-পাতাল পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। 

মানুষ বিকাশশীল ও সম্ভাবনাময় প্রাণী। মানুষের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান ও বিচক্ষণতা, যা অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষকে করেছে স্বতন্ত্র। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা এ বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্ন-১৬. লেখকের মতে, মানুষকে মর্যাদার আসনে কীভাবে প্রতিষ্ঠা করা যায়?

উত্তর: লেখকের মতে, মানুষের অস্তিত্বকে স্বীকৃতিদান এবং যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে মানুষকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা করা যায় । 

মানুষ বিবেকবোধসম্পন্ন প্রাণী। তাই তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কিংবা কোনো রকম অপমান-অবমাননা করলে সে নিজেকে ছোট মনে করে। 

ফলে মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় । মানুষের অস্তিত্ব তার স্বীকৃতি হারায়। আবার বল প্রয়োগ করে মানুষকে তাঁবেদার কিংবা চাটুকার বানানো যায়, কিন্তু মর্যাদার আসনে বসানো যায় না। 

কেবল মানুষের অস্তিত্বকে স্বীকৃতিদান এবং যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমেই মানুষকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা করা যায় ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ