খুজে না পেলে সার্চ করো

বর্ম রাজবংশ সম্পর্কে জানার উৎসগুলো কী কী

বর্ম রাজবংশ সম্পর্কে জানার উৎসগুলো কী কী
বর্ম রাজবংশ সম্পর্কে জানার উৎসগুলো কী কী

বর্ম রাজবংশ সম্পর্কে জানার উৎসগুলো কী কী

  • অথবা, বর্ম রাজবংশ সম্পর্কে জানার উপাদানসমূহ লিখ ।

উত্তর : ভূমিকা : দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় পাল শাসনের শেষের দিকে একটি স্বতন্ত্র রাজবংশের উদ্ভব হয়। শক্তিশালী চন্দ্রবংশের পতান ঘটিয়ে বর্মরাজবংশের উত্থান ঘটে। 

চন্দ্রবংশের শেষের দিকের দুর্বল শাসকদের দুর্বলতার সুযোগে বর্মরাজবংশের উদয় হয় এবং তারা বেশ কিছুদিন শৌর্যবীর্যের সাথে শাসনকার্য পরিচালনা করেছিল। 

তবে ইতিহাস জানার উৎসগুলোর অপ্রতুলতার কারণে এ বংশ সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়নি।

→ বর্মরাজবংশ সম্পর্কে জানান উৎসগুলো : বর্মরাজবংশের ইতিহাস জানার জন্য তেমন বিশেষ উল্লেখযোগ্য কোনো উৎস পাওয়া যায়নি। তারপরও সে রাজবংশ সম্পর্কে জানার জন্য চারটি লিপি পাওয়া গিয়েছিল। 

এ লিপি চারটি হলো ঢাকা জেলার বেলাব গ্রামে ভোজবর্মার তাম্রশাসন। ভট্টদেবের ভুবনেশ্বর শিলালিপি, ঢাকার বজ্রযোগিনী গ্রামে প্রাপ্ত সমল বর্মার তাম্রশাসন ও উড়িষ্যার পুরীতে প্রাপ্ত হরিবর্মার তাম্রশাসন থেকে বর্ম রাজবংশ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য জানা যায়। 

ঢাকার বজ্রযোগিনী গ্রামে প্রাপ্ত তাম্রশাসন ও উড়িষ্যার তাম্রশাসন অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে ৷ তবে বেলাব তাম্রশাসন বর্ম রাজবংশের ইতিহাস রচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে। তাছাড়াও সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিত গ্রন্থেও এ রাজবংশ সম্পর্কে জানা যায়।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি রাজবংশ ধর্ম রাজবংশের ইতিহাস রচনায় তাম্রশাসনগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। আর বাংলার ইতিহাস সম্পর্কে জানার জন্যও আমাদেরকে বর্ম রাজবংশের ইতিহাস জানা অত্যন্ত জরুরি। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
আরও পড়ুনঃ
আরও পড়ুনঃ