আরকে রায়হান https://www.rkraihan.com/2022/02/b.html

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণি


প্রশ্নঃ দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি রচনা | দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা লিখ। 

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা - প্রিয় শিক্ষার্থী ভাই বোনেরা তোমাদের জন্য আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা নিয়ে আসছি। তোমরা যাতে খুব সহজে এখান থেকে পড়তে পারো দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা। এখন প্রায় সব পরিক্ষায় দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা আসে। 

তোমরা সবাই জানো বিজ্ঞান কি। তোমাদের যদি কারো জানা না থাকে তাহলে নিচের দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা পড়লেই তোমরা ভালো ভাবে জেনে যাবে। ক্লাস ৬ থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত সবাই এই দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা পড়তে পারবে। কোনো রকম সমস্যা হবে না দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা টি পড়তে ও লিখতে। তোমরা যেকোন পরিক্ষায় এই দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা টি লিখতে পারবে। রচনাটি পড়ার আগে জেনে নাও প্রবন্ধ রচনা লেখার নিয়ম। দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা টিতে কি কি থাকতেছে তা সুচিপত্রে দেখে নেই।

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণি
দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণি

সুচিপত্রঃ দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা | দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি রচনা

  • সচনা
  • দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান
  • শহুরে জীবনে বিজ্ঞান
  • গ্রামীণ জীবনে বিজন
  • দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রভাবের অপকারিতা
  • উপসংহার

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা

সূচনা: বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। আজ বিজ্ঞান আমাদের কাছে নিশ্বাস-প্রশ্বাসের মতােই অপরিহার্য। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটা মুহূর্তও বিজ্ঞানের সাহায্য ছাড়া আমরা চলতে পারি না। এখন যেকোনাে ধরনের জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষই বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল। সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত যাবতীয় কাজকর্মের মধ্যে বিজ্ঞানের অবদান লক্ষণীয়। বলা যায়, এখন বিজ্ঞানই মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের নিয়ন্ত্রক।

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান: বিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে মানুষের একটি মুহূর্তও কল্পনা করা যায় না। এখন প্রতি মুহুর্তে, প্রতি পদক্ষেপে সভ্য-মানুষ বিজ্ঞানের সাহায্য নিয়ে জীবন-ধারণ করছে। এই যে বসে লিখছি – হাতের কলম ও কালি, লেখার কাগজ, এমনকি বসার জায়গাটিতে পর্যন্ত বিজ্ঞানের প্রভাব রয়েছে। আমাদের পথেঘাটে অফিস-আদালতে, স্কুল-কলেজে সব জায়গায়ই বিজ্ঞানের অবদান অসীম। শুধু তাই নয়, আমাদের অন, বস্ত্র, বাসস্থানের এই প্রাথমিক প্রয়ােজনটুকুও বিজ্ঞান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি কাজেই আমরা বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল।

শহুরে জীবনে বিজ্ঞান: শহুরে জীবনে মানুষ আর বিজ্ঞান অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। শহরে আমার এলার্মঘড়ির শব্দে। ঘুম থেকে উঠে দিনের শুরু করি টুথপেস্ট আর টুথব্রাশ দিয়ে। এরপর আছে সংবাদ পত্র। তারপর গ্যাস অথবা হিটার কিংবা স্টোভে তাড়াতাড়ি রান্না করে খাই। রিক্সা, অটোরিক্সা, বাস, ট্রেন বা মােটরসাইকেলে চড়ে কর্মস্থলে পৌছাই। সিঁড়ির বদলে লিফটে উঠে অফিসকক্ষে যাই। টেলিফোন, টেলিগ্রাম, ফ্যাক্স, ই-মেইল ও ইন্টারনেট ইত্যাদির সাহায্যে দূর-দূরান্তে খবর পাঠাই। কম্পিউটারে কাজের বিষয় লিখে রাখি। ক্লান্ত দেহটাকে আরাম দেওয়ার জন্য এসি কিংবা ইলেকট্রিক পাখার নিচে বসি - এই ৩াৰে মান বিজ্ঞানের সাহায্যে আমরা জীবন চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে দিনের অন" "" মিউজিক প্লেয়ার কিংবা টিভি চালিয়ে মনটাকে সতেজ রাখতে চেষ্টা করি। ছেলে-মেয়েরা কম্পিউটারে তাদের নােট রাখে; কখনাে কখনাে ভিডিও গেমস খেলে। এমনিভাবে জীবনের প্রতি পদক্ষেপেই বিজ্ঞানের অবদান অনুভব করি।

গ্রামীণ জীবনে বিজনঃ যােগাযােগ ও যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের বিস্ময়কর অবদানের জন্য শ' শ' দরকে করেছে নিকট প্রতিবেশী। বাস রিক্সা, ভ্যান সাইকেল মােটরসাইকেল সবই এখন অংশ। ফলে বিজ্ঞান শহরজীবনকে অতিক্রম করে পৌছে গেছে গ্রামে। বর্তমানে গ্রাম্য জীবনেও আ ম নির্ভরতা বেড়েই চলেছে। টুথপেস্ট, টুথবাশ, টিভি, রেডিও, মােবাইল ফোন, টর্চ, স্নো, সাবান, , আয়না-চিরনি, রাসায়নিক সার, কীটনাশক দ্রব্য, ট্রাক্টর ইত্যাদি এখন গ্রামীণ মানুষের দৈনন্দন জানান মিশে গেছে। শহরের মানুষ যেমন নিজেদের জীবনযাত্রাকে সহজ করতে বিজ্ঞানকে নিত্যসঙ্গী করেছে, তেমনি গ্রামের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত মানুষের জীবনেও ইলেকট্রিক হিটার, রান্নার গ্যাস, প্রেসার কুকার, ফ্রজ, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রভাবের অপকারিতা; দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা মানুষের অনেক ক্ষতি করেছে। যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করতে গিয়ে মানুষ পরিশ্রম-বিমুখ হয়ে উঠছে। মানসিক পরিশ্রমের তুলনায় শারীরিক পরিশ্রম কম করছে। ফলে নানা জটিল রােগে আক্রান্ত হচ্ছে। মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা, মানুষের জীবনে কৃত্রিমতা ঘনীভূত হচ্ছে। মানুষের স্নেহ, মায়া, মমতার মতাে সগুণগুলাে হারিয়ে যাচ্ছে। মানুষে মানুষে বিভেদ বাড়ছে। বিজ্ঞান-নির্ভর যন্ত্রশক্তির ওপর অন্ধ। আস্থা স্থাপন করতে গিয়ে মানুষ যান্ত্রিক হয়ে উঠছে।

উপসংহার: আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রয়ােজনীয় বস্তু আজ একেবারে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। বিজ্ঞান। সকাল থেকে সন্ধ্যা, আবার সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত যা কিছু আমাদের প্রয়ােজনীয় তার সবই বিজ্ঞানের অবদান। বিজ্ঞান আজ আমাদের নিত্য সহচর। বিজ্ঞান আমাদের জীবন-যাপনকে করেছে সহজসরল। তবে দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রভাব শুধু যে কল্যাণ করছে তা নয়, অনেক ক্ষতিও করছে। তাই। বিজ্ঞানের অপব্যবহার না করে আমাদের আরও সচেতন হতে হবে।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা | দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি রচনা

শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে আমরা জানলাম দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা। যদি আজকের এই দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা টি ভালো লাগে তাহলে এখনি ফেসবুকে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন আর এই রকমই নিত্যনতুন আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

Please do not enter any spam link in the comment box.

আরকে রায়হান নোটিফিকেশন