লেখালেখি করে মাসে ৬ হাজার টাকা ইনকাম

ফেসবুকে লিংক শেয়ার করে ১০০০ টাকা আয়

রচনা স্বদেশপ্রেম | দেশপ্রেম রচনা Class 6, 7, 8, 9

হ্যালো বন্ধুরা রচনা স্বদেশপ্রেম বা দেশপ্রেম রচনা নিয়ে হাজির হয়েছি। যারা নিজ দেশকে ভালো বাসে তারা এই রচনা স্বদেশপ্রেম | দেশপ্রেম রচনা টি খুব সহজে লিখতে পারবে। তোমরা যারা আজো জানো না রচনা স্বদেশপ্রেম | দেশপ্রেম রচনা কি তারা নিচে থেকে রচনা স্বদেশপ্রেম | দেশপ্রেম রচনা টি পড়ে নাও। একবার যদি ভালো করে পড় তাহলে আমার মনে হয় আর কখনো এই রচনা স্বদেশপ্রেম | দেশপ্রেম রচনা টি তোমাদের পড়তে হবেনা।

রচনা স্বদেশপ্রেম  দেশপ্রেম রচনা Class 6, 7, 8, 9
রচনা স্বদেশপ্রেম  দেশপ্রেম রচনা Class 6, 7, 8, 9

রচনা স্বদেশপ্রেম/দেশপ্রেম রচনা

সুচনা: মানুষ স্বাভাবিকভাবেই তার জন্মস্থানকে ভালোবাসে। জন্মস্থানের আলাে-জল-হাওয়া, পশু-পাখি সবুজ প্রক্রতির এর সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এখানের প্রতিটি ধূলিকণা তার কাছে মনে হয় সােনার চেয়েও দামি। সে উপলদ্ধি করে

মিছা মণি মুক্ত-হেম --- স্বদেশের প্রিয় প্রেম

তার চেয়ে কিছু নাই আর। 

মানুষের এই উপলবিই হচ্ছে স্বদেশপ্রেম।

স্বদেশপ্রেমের সংজ্ঞার্থ: স্বদেশপ্রেম অর্থ হচ্ছে নিজের দেশের প্রতি জাতির প্রতি, ভাষান্তর প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুতন করা। দেশের প্রতি প্রবল অনুরাগ, নিবিড় ভালােবাসা এবং যথার্থ আনুগত্যকে দেশপ্রেম বলে। অনভূমির স্বার্থে সর্বষ ত্যাগের সাধনাই স্বদেশপ্রেম।

স্বদেশপ্রেমের স্বরূপ: স্বদেশ অর্থ নিজের দেশ। নিজের দেশকে সবাই ভালােবাসে। মাকে যেমন সবাই। নিঃস্বার্থভাবে ভালােবাসে, তেমনি স্বদেশের প্রতিও সবার ভালােবাসা সকল স্বার্থের উর্বে। প্রত্যেক মানুষেরই কথায় , চিন্তায় ও কাজে প্রকাশ পায় স্বদেশের প্রতি নিবিড় মমত্ববােধ। এই বােধ বা চেতনা হৃদয়ের গভীর থেকে উৎসারিত। তাই এডউইন আর্নল্ড বলেছিলেন, “জীবনকে ভালােবাসি সত্যি, কিন্তু দেশের চেয়ে বেশি নয়।' সংস্কৃত শ্লোকে আছে : “জননী জন্মভূমিশ্চ স্বাদপি গরীয়সী।” অর্থাৎ জননী ও জন্মভূমি স্বর্গের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।

স্বদেশপ্রেমের অনুভূতি: দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ থেকে জন্ম হয় স্বদেশপ্রেমের। পৃথিবীর সব জায়গার আকাশ, চাঁদ, সূর্য এক হলেও স্বদেশপ্রেমের চেতনা থেকে মানুষ নিজের দেশের চাঁদ-সূর্যআকাশকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে ভালােবাসে। স্বদেশপ্রেমের অনুভূতি সবচেয়ে বেশি প্রকাশিত হয় দেশের। স্বাধীনতা বিপন্ন হলে। তখন স্বদেশপ্রেমের প্রবল আবেগে মানুষ নিজের জীবন দিতেও দ্বিধা করে না। কেননা। সে জানে, দেশের জন্য “নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।”

ছাত্রজীবনে স্বদেশপ্রেম : ছাত্ররাই দেশের ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। দেশের উন্নতি ও জাতির আশা পূরণের আশয়থল। তাই দেশ ও জাতির প্রাত গতার মমত্ববােধ ছাত্রজীবনেই জাগিয়ে তুলতে হবে। দেশকে। ভালােবাসার উজ্জীবন মন্ত্রে দীক্ষিত হতে হবে। ছাত্রদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে পারলেই দেশের স্বার্থে প্রয়ােজনে জীবন উৎসর্গ করার আগ্রহ সৃষ্টি হবে। তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হবে বিদ্রোহী কবি কাজী ।

আমরা রচি ভালােবাসার আশার ভবিষ্যৎ, 

মোদের স্বর্গ-পথের আভাস দেখায় আকাশ-ছায়াপথ।

মােদের চোখে বিশ্ববাসীর স্বপ্ন দেখা হােক সফল।

বাঙালির স্বদেশপ্রেম: পৃথিবীতে যুগে যুগে অসংখ্য দেশপ্রেমিক জন্মেছেন। তারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে অমর হয়ে আছেন। বাংলাদেশেও তার অজস্র দান্ত রয়েছ। প্রাচীনকাল থেকে এ দেশে বিদেশি শক্তি প্রভুত্ব বিস্তারের চেষ্টা করেছে, আর স্বদেশপ্রেমিক বাঙালি দেশের স্বাধীনতা ও সম্মান রক্ষার্থে অকাতরে প্রাণ। বিসর্জন দিয়েছে। ১৯৫২ সালে পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের হাতে বালা-ভাষার জন্য রফিক, শফিক, সালাম, জবার, বরকতের আত্মদান দেশপ্রেমের ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা সংযােজন করেছে। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের। বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার সগ্রামে আত্মদান করেছে অসংখ্য ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক-শ্রমিক, সাংবাদিকবুদ্ধিজীবী, মা-বােনসহ সাধারণ মানুষ। অকুতােভয় শত-সহস্র এ সৈনিকের দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এখনাে এদেশের লক্ষকোটি জনতা দেশের সামান্য ক্ষতির আশঙ্কায় বস্ত্রকণ্ঠে গর্জে ওঠে।

স্বদেশপ্রেম ও বিশ্বপ্রেম: স্বদেশপ্রেম মূলত বিশ্বপ্রেমেরই একটি অংশ। কেননা বিশ্বের সব মানুষই পৃথিবী নামক এই ভূখণ্ডের অধিবাসী। তাই স্বদেশপ্রেমের মাধ্যমে সকলেরই বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মৈত্রী ও বিশ্ব-মানবতাকে উচ্চকিত করে তুলতে হবে। কারণ বিশ্বজননীর আঁচল-ছায়ায় দেশ জননীর ঠাই। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেজন্যই গেয়েছেন

ও আমার দেশের মাটি, তােমার 'পরে ঠেকাই মাথা, 

তােমাতে বিশ্বময়ীর - তােমাতে বিশ্ব মায়ের আঁচল পাতা

উপসংহার: দেশপ্রেম একটি নিঃস্বার্থ ও নির্লোভ আত্ন-অনুভূতি। কোনাে প্রকার লােভ বা লােভের বশবর্তী হয়ে দেশকে ভালােবাসা যায় না। প্রকৃত দেশপ্রেমিকের কাছে দেশের মঙ্গলই একমাত্র কাম্য। দেশের জন্য তারা। সক দান করতে পারেন। তালের শৌর্য-বীর্য ও চারিত্রিক দৃঢ়তা আবহমানকাল ধরে জাতিকে প্রেরনা যোগায়। কাজেই ব্যক্তিস্বার্থ নয়, দেশ ও জাতির স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দিতে হবে। দেশ গড়ার কাজে দেশে মঙ্গলজনক কাজে  আমাদের সকলকে নিবেদিতপ্রাণ হতে হবে। সবােপার দেশকে ভালােবাসার মধ্য দিয়ে বিশ্বকে ভালােবাসতে শিখতে হবে। তবেই অর্জিত হবে স্বদেশপ্রেমের চূড়ান্ত সার্থকতা।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ রচনা স্বদেশপ্রেম | দেশপ্রেম রচনা Class 6, 7, 8, 9

তোমাদের রচনা স্বদেশপ্রেম বা দেশপ্রেম রচনা Class 6, 7, 8, 9 ভালো লেগে থাকে তাহলে এই রচনা স্বদেশপ্রেম | দেশপ্রেম রচনা টি শেয়ার করে নিজের টাইম লাইনে রেখে দাও। দিনে একবার হলেও চোখে পড়বে। আর বন্ধুদের মাঝে এখনি শেয়ার করে জানিয়ে দাও। আমদের আর কে রায়হান ওয়েবসাইট টি ভিজিট করুন প্রতিদিন এই রকম নিত্য নতুন পড়াশোনা বিসয়ক পোস্ট পেতে।

Next Post Previous Post