লেখালেখি করে মাসে ৬ হাজার টাকা ইনকাম

ফেসবুকে লিংক শেয়ার করে ১০০০ টাকা আয়

অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে বিষয় হলো অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম জেনে নিবো। তোমরা যদি অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম টি ভালো ভাবে নিজের মনের মধ্যে গুছিয়ে নিতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে মনযোগ সহকারে পড়তে হবে। চলো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা জেনে নেই আজকের অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম  টি।
অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম
অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম

প্রশ্ন- অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম

উত্তর: অন্ত্য-অ : শব্দান্তের অ বাংলা ভাষায় সংস্কৃত বা প্রাকৃতের মতাে উচ্চারিত হয় । এই অ ধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণে লিপ্ত বা মিশে থাকে বলে প্রায়শ হসন্তরূপে উচ্চারিত হয়ে থাকে। যেমন : নাক, কান্, হাত্, জাত্, মান্, ধান, কাম, ঘর, বর, ছ, জাম্, থান্, দাঁত, পাত ইত্যাদি। কিন্তু সর্বত্রই এরূপ উচ্চারিত হয় না, ক্ষেত্রবিশেষে এই অ রক্ষিত হয় এবং ও-কারান্ত উচ্চারিত হয়। যেমন :

০১. বাংলা ভাষায় বেশ কিছু বিশেষণে অথবা বিশেষণরূপে ব্যবহৃত পদের অন্তিম অ লুপ্ত হয়ে ও-কারান্ত উচ্চারণ হয়ে থাকে। যেমন : কাল (বিশেষণ কালাে কিন্তু বিশেষ্য কাল), ভাল (বিশেষণ ভালাে কিন্তু বিশেষ্য ভাল), খাট (বিশেষণ খাটো কিন্তু বিশেষ্য খাট), ছােট (ছােটো), বড় (বড়াে) ইত্যাদি।

০২. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বেশ কিছু দ্বিরুক্ত শব্দ বিশেষণরূপে ব্যবহৃত হলে প্রায়শ অন্তিম অ ও-কারান্ত উচ্চারণ হয়। যেমন : কাদ-কাদ (কাদো-কাদো), কল-কল। (কলাে-কলাে), পড়-পড় (পড়াে-পড়াে) ইত্যাদি। ব্যতিক্রম : করকর (কক) খড়খড় (খড়খড়), মড়মড় (মভূমড়), গরগর।
(গ ) ইত্যাদি। 

০৩, ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যাবাচক শব্দের শেষ অ রক্ষিত এবং ও-কারান্ত উচ্চারিত হয়ে থাকে। যেমন : (১১) এগার (এ্যাগারাে), (১২) বার (বারাে), (১৩) তের (ত্যারাে), (১৪) চৌদ্দ (চোউদো > চোদো), (১৫) পনের (পােনেরাে), (১৬) | ষােল (শােলাে)। 

০৪. আন (আনাে)-প্রত্যয়ান্ত শব্দের অন্তিম অ ও-কারান্ত উচ্চারিত হয়। যেমন : করান (করানাে), তাড়ান (তাড়ানাে), বলান (বলানাে), সাতরান (শতরানাে) ইত্যাদি। | তবে দেখান, পাঠান, চালান এগুলাে সর্বত্র অনুজ্ঞায় হসন্ত উচ্চারণ হয়ে থাকে। 

০৫. ত (ক্ত) এবং ইত প্রত্যয়যােগে সাধিত বা গঠিত বিশেষণ শব্দের অন্ত অ উচ্চারণে ও-কারান্ত হয়ে থাকে। যেমন : হত (হতাে), নিয়মিত (নিয়ােমিতাে), পঠিত (পােঠিতে), চলিত (চোলিতাে) ইত্যাদি। কিন্তু এর মধ্যে কোনাে শব্দ যদি বিশেষ্যরূপে ব্যবহৃত হয় তাহলে অন্তিম অ বিলুপ্ত হয়ে হসন্তরূপে উচ্চারিত হয়। যেমন : গীত (গিত), মত (মত), রক্ষিত [রােখিত্ (পদবি)], পালিত [পালিত (পদবি)] পরীক্ষিত [পােরিখিত্), জনমেজয়ের পিতার নাম, পা-বগণ একে রাজ্যভার দিয়ে মহাপ্রস্থান করেন।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম
আমরা এতক্ষন জেনে নিলাম অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম  টি। যদি তোমাদের আজকের এই অন্ত্য অ ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম  টি ভালো লাগে তাহলে ফেসবুক বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিতে পারো। আর এই রকম নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আরকে রায়হান ওয়েবসাইটের সাথে থাকো।
Next Post Previous Post