business loans, commercial loan, auto insurance quotes, motorcycle lawyer

সাফারী বংশ সম্পর্কে আলোচনা কর

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে বিষয় হলো সাফারী বংশ সম্পর্কে আলোচনা কর জেনে নিবো। তোমরা যদি পড়াটি ভালো ভাবে নিজের মনের মধ্যে গুছিয়ে নিতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে মনযোগ সহকারে পড়তে হবে। চলো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা জেনে নেই আজকের সাফারী বংশ সম্পর্কে বর্ণনা কর ।

সাফারী বংশ সম্পর্কে আলোচনা কর
সাফারী বংশ সম্পর্কে আলোচনা কর

সাফারী বংশ সম্পর্কে আলোচনা কর

উত্তর : ভূমিকা : আব্বাসীয় শাসন আমলে নবম শতকের দিকে যে সকল রাজবংশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে তার মধ্যে অন্যতম একটি রাজবংশ হচ্ছে সাফারী রাজবংশ। এই রাজবংশটি প্রতিষ্ঠিত হয় ইরানের পূর্বে। 

আব্বাসীয় শাসন আমলে পূর্বাঞ্চলে এই সকল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজবংশ গড়ে ওঠার পিছনে যে কারণ ছিল তা হলো আব্বাসীয় শাসকগণের অযোগ্যতা তারা পূর্বের শাসকদের সাথে শৌর্যবীর্যের সাথে নিজ যোগ্যতা বলে আব্বাসীয় খিলাফত পরিচালনা করতে পারেননি। 

যার জন্য আব্বাসীয় খিলাফতের বিভিন্ন অঞ্চলে এরকম বেশ কয়েকটি রাজবংশ গড়ে ওঠে। আব্বাসীয় খিলাফতে গড়ে ওঠা সাফারী রাজবংশটি ছিল একটি স্বায়ত্তশাসিত রাজবংশ।

→ সাফ্ফারী বংশের প্রতিষ্ঠাতা : এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সাফফারী। তাঁর পূর্ণ নাম হলো ইয়াকুব ইবনে আল লায়েস আস সাফফার।

১. নামকরণ : এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ইয়াকুব ইবনে আল লায়েস আস সাফফার তাম্রকার অর্থাৎ তিনি পেশায় তাম্রকার ছিলেন বলে এ বংশের নামকরণ করা হয় সাফফার। P. K. Hitti বলেছেন, "A Saffar was a coppersmith by profession and brigand by avocation."

২. রাজবংশের অবস্থান : এই রাজবংশের অবস্থান ছিল ইরান ও আফগানিস্তানের সিজান প্রদেশ বা সিজিস্তানে ।

৩. রাজধানী : সাফারীদের রাজধানী ছিল জারানজ বা জারা । ৪. সময়কাল : সাফফারীদের সময় কালকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :

(ক) P. K. Hitti-এর মতে ৮৬৭ - ৯০৮ খ্রি. ও 

(খ) Boyworth-এর মতে ৮৬৭ - ৯৫০ খ্রি.।

৫. খলিফাদের সাথে সম্পর্ক : সাফারী রাজবংশের শাসকদের সাথে আব্বাসীয় খলিফাদের মধ্যে দুই ধরনের সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল । যেমন- (ক) প্রথম দিকে সুসম্পর্ক বিদ্যমান এবং

(খ) শেষের দিকে সাফফাদের অত্যাচার বৃদ্ধির ফলে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়।

৬. ক্ষমতা গ্রহণ : ইয়াকুব ইবনুল লায়েস ছিলেন খারেজী বিরোধী আয্যার বংশোদ্ভূত। দ্রুত নেতৃত্ব গুণের পরিচয় দিয়ে দুই আযগর দলপতি সালেহ ইবনে নসর ও দারহাম ইবনে নসরকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজেই ৮৬১ খ্রি. সিস্তানের ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, আব্বাসীয় সাম্রাজ্যের শেষ দিকের শাসকের দুর্বলতার সুযোগে এই সাফফারী রাজবংশ গড়ে ওঠে কিন্তু এই বংশের শাসকদের জনগণের প্রতি অত্যাচার ও আব্বাসীয় খলিফার বিরুদ্ধ মনোভাবের জন্য এই রাজবংশের পতন সংগঠিত হয়।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ সাফারী বংশ সম্পর্কে বর্ণনা কর

আমরা এতক্ষন জেনে নিলাম সাফারী বংশ সম্পর্কে আলোচনা কর। যদি তোমাদের আজকের এই পড়াটিটি ভালো লাগে তাহলে ফেসবুক বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিতে পারো। আর এই রকম নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আরকে রায়হান ওয়েবসাইটের সাথে থাকো। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

Google News এ আমাদের ফলো করুন