business loans, commercial loan, auto insurance quotes, motorcycle lawyer

যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা কর

 আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে বিষয় হলো যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা কর জেনে নিবো। তোমরা যদি পড়াটি ভালো ভাবে নিজের মনের মধ্যে গুছিয়ে নিতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে মনযোগ সহকারে পড়তে হবে। চলো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা জেনে নেই আজকের যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা কর ।

যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা কর
যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা কর

যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা কর

  • যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি উল্লেখ কর।

উত্তর : ভূমিকা : যক্ষ্মা এক প্রকার মারাত্মক সংক্রামক রোগ। যক্ষ্মা একটি জটিল রোগ। মাঝে মাঝে এ রোগ শনাক্ত করার জন্য চিকিৎসককে অনেক কিছু খুঁজে বের করতে হয়। 

যদি যক্ষ্মা পুরোপুরি ধরা পরে আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে তা সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব। হিসাব করে দেখা গেছে প্রতি বছর বিশ্বের মোট জনসংখ্যার শতকরা এক ভাগ নতুন সংক্রমণ হলে প্রতিবছর বহুসংখ্যক টিউবার কুলিন পজেটিভ হয় ।

→ যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় পদ্ধতি : যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় করবেন চিকিৎসক জন কেবলমাত্র রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ দেখে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যক্ষ্মা নির্ণয় করতে পারেন। তবে যক্ষ্মা নির্ণয়ে অনেকগুলো পরীক্ষা করতে হয়।

→ নিম্নে যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো :

১. কফ পরীক্ষা : সঠিকভাবে যক্ষ্মা নির্ণয়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত পরীক্ষা হলো কফ পরীক্ষা। কাঁচের লাইভে কফ সরাসরি বিস্তার করে পরীক্ষা করা (Smear) করা এটা Ziehl-Neelsen Staxning (ZN) পদ্ধতিতে পরীক্ষা করা হয়। নতুন Fluoroscopy এর সাথে আলট্রা ভায়োলেট (Ultra- Violet) আলো ব্যবহার করে রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়।

২. গলার ভেতরে থেকে শ্লেষা নিয়ে পরীক্ষা : যে সকল আক্রান্ত লোক কফ দিতে পারে না তাদের কাছ থেকে পরীক্ষাগারে এ ল্যরেন জিয়া লি সোয়ার নেওয়া যেতে পারে । 

এ ক্ষেত্রে রোগীর জিহ্বায় এক টুকরা নরম কাপড় দিয়ে ধরতে হবে এবং জিহ্বার পিছনে দিয়ে ল্যারিস্কস থেকে পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার কাপড় দিয়ে গলার শ্রেষা নিতে হবে।

৩. ব্রনকোস্কনি (Bronchoscopy) রোগ নির্ণয়ের : অন্যান্য প্রণালি ব্যর্থ হলে ব্রনকোস্কপির মাধ্যমে ব্রাংকিয়াল নমুনা সংগ্রহ করা যেতে পারে। 

ব্রাংকাইয়ের লাইনিং বায়োপসি করে হিমটলজি পরীক্ষা করলে অবিকল যক্ষ্মার পরিবর্তনগুলো লক্ষ করা যায়।

৪. পুরাল ফ্লায়িড : Piueral Fiui অনেক সময় সেন্ট্রিফিউজড ফ্লুয়িড যক্ষ্মার জীবাণু ধরা যায় কিন্তু কালচার করলেও পাওয়া যায় না। তরল পদার্থের পরিমাণ বেশি নিয়ে কালচার করলে পাওয়া যায় ।

৫. গ্যাস্টিক সাকশন (Gastric Suction) এটাকে অনেকসময় Gastric Lanage on washing বলে। রোগী কফ দিতে না পারলে এ পদ্ধতিও ব্যবহার করা যেতে পারে। 

যখন রোগ নির্ণয়ে জটিল সমস্যা হয় তখন এটা ব্যবহার করা হয়। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় কারণ তারা কফ দিতে পারে না ।

৬. পরুরাল বায়োপসি (Piueral Biopsy) : ফুসফুসের আবরণের মধ্যে পানি জমলে তখন ফুসফুসের আবরণে বায়োপসি করা হয় । কিন্তু এ বায়োপসির জমা সুনির্দিষ্ট সূচ ব্যবহার করা হয়। যেখানে অনেক সুবিধা আছে শুধু সেখানে এ সুযোগ রয়েছে যেখানে সুযোগ সেখানে এটা ব্যবহার করা যায় না।

৭. এক্সরে (রেডিওলোজিক্যাল) পরীক্ষা : এক্সরেতে যে সমস্ত পরিবর্তন থাকলে বুঝা যাবে যে যক্ষ্মা হয়েছে ঐ সেগুলো | হলো ফুসফুসের উপরের অংশ সামঞ্জস্যহীন বা নোডিওলার ছাড়া থাকলে গর্ত গর্ভ থাকলে কিন্তু চুনের ময় সাদা ছায়া দেখলে রোগ নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে ।

৮. ফুসফুস বায়োপসি : রোগ নির্ণয় করা যায় হিস্টোলজির মাধ্যমে খুব বেশি দক্ষ থাকলে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে নতুবা সম্ভব নয় ।

৯. টিউবার কুলিন পরীক্ষা : সমাজ যক্ষ্মা প্রতিরোধের জন্য টিউবার কুলিন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। অনেক সময় যক্ষ্মা ছাড়াও আরো অন্য কোন কারণে টিউবার কুলিন Positive পজেটিভ আসতে পারে। যেমন- নন প্যাথোেজনিক মাইক্রোব্যাকটেরিয়া ।

১০. Bloo test রক্ত পরীক্ষা : ফুসফুসে যক্ষ্মার কারণে রক্ত শূন্যতা হওয়া খুব কম দেখা যায়। কিন্তু মাঝে মাঝে ম্যলিরিয়া টিউবার- কুলোসিস রক্তশূন্যতা অন্য কারণে হয়। 

যেমন- কৃমি বা পরিবারিক দরিদ্রতার কারণে শ্রেত কনিকা সাধারণত চেয়ে কম থাকে। রক্ত । কনিকার তিথি বা ললিকা তলানি হার যক্ষ্মাতে বেড়ে যায় ।

১১. নতুন মলিকুলার রোগ নির্ণয় করা : কফের মধ্যে যক্ষ্মার মলিকুলার বের করতে বর্তমানে অনেক কাজ হয়েছে কিন্তু সাধারণতভাবে ব্যবহার করার জন্য পর্যাপ্ত ও সুলভ নয়। 

একই • পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে রক্তের শিরা এন্টিবডি পরীক্ষার জন্য। এটা আশা করা যাচ্ছে এটা অচিরেই ব্যবহার শুরু হবে।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, উপরিউক্ত পদ্ধতির ১ মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় করতে পারি যেমন চাকরি, বিবাহ, প্রতিবেশীদের বলা সেবিকা এবং ডাক্তারের মাধ্যমে ও নির্ণয় করা যায়, আমরা বলতে পারি যে যক্ষ্মা রোগ নিরাময় যোগ্য রোগ।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা কর

আমরা এতক্ষন জেনে নিলাম যক্ষ্মা রোগের নির্ণয় সম্পর্কে আলোচনা কর । যদি তোমাদের আজকের এই পড়াটিটি ভালো লাগে তাহলে ফেসবুক বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিতে পারো। আর এই রকম নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আরকে রায়হান ওয়েবসাইটের সাথে থাকো।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

Google News এ আমাদের ফলো করুন

fha loan, va loan, refi, heloc