business loans, commercial loan, auto insurance quotes, motorcycle lawyer

যৌন সংক্রামক রোগে কি কি মানসিক সমস্যা দেখা দেয়

 আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে বিষয় হলো যৌন সংক্রামক রোগে কি কি মানসিক সমস্যা দেখা দেয় জেনে নিবো। তোমরা যদি পড়াটি ভালো ভাবে নিজের মনের মধ্যে গুছিয়ে নিতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে মনযোগ সহকারে পড়তে হবে। চলো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমরা জেনে নেই আজকের যৌন রোগের কারণে সৃষ্ট মানসিক সমস্যা ও প্রতিকার উল্লেখ কর - yon sankraman rog kise kahate hain ।

যৌন সংক্রামক রোগে কি কি মানসিক সমস্যা দেখা দেয়
যৌন সংক্রামক রোগে কি কি মানসিক সমস্যা দেখা দেয়

যৌন সংক্রামক রোগে কি কি মানসিক সমস্যা দেখা দেয়

  • অথবা, যৌন রোগের কারণে সৃষ্ট মানসিক সমস্যা ও প্রতিকার উল্লেখ কর।
  • অথবা, যৌন সংক্রামককে কেন্দ্র করে সৃষ্ট মানসিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা কর ।

উত্তর : ভূমিকা : সঙ্গমজনিত রোগ Sexual Transmitted Disease-STD যৌন মিলনের ফলে এ রোগ হয়ে থাকে। এগুলোকে রতিজ ব্যাধিও বলা হয়। 

গবেষকরা এ পর্যন্ত অন্তত পঁচিশটি রোগ সরাসরি যৌন মিলনের ফলে সংক্রমিত হয় বলে মতামত দিয়েছে এ ব্যাধি ছোয়াচে অর্থাৎ সংক্রামক। 

কোনো কোনো সময় এ রোগ সঙ্গম ছাড়াও দূষিত কোনো রোগীর মাধ্যমে চতুর্দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়। কিন্তু এ রোগ নানা রকম মানসিক সমস্যা তৈরি করে।

→ যৌনরোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মানসিক সমস্যা : যৌনরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে যে মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয় তা মুখ্যত দুই প্রকার হয়ে থাকে । যেমন-

(ক) প্রাথমিক মানসিক সমস্যা ও

(খ) যৌনরোগাত্তর মানসিক সমস্যা।

(ক) প্রাথমিক মানসিক সমস্যা : অনেক ধরনের মানসিক সমস্যা দেখা যায়। নিম্নে কয়েকটি মানসিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো :

১. সাধারণ প্রতিক্রিয়া : জননেন্দ্রিয়ে কোনো রোগ বা রোগের চিহ্ন দেখা দিলে রোগী এতে করে তার সঙ্গমের উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। 

অন্যভাবে সে মনে করে যে সে যদি তার সাথীর সাথে এ অবস্থার যৌন সঙ্গম করে তবে তার সাথীরও এ রোগ হতে পারে। 

তাই সে এ অবস্থায় ভয়ে যৌনসঙ্গম থেকে বিরত থাকে । এতে করে আক্রান্ত ব্যক্তি বেশি মানসিক চাপে ভোগে ।

২. বৈবাহিক ছন্দপতন : অনেক নিরাপরাধ যৌন রোগী (যে যার স্বামী বা স্ত্রী অন্যের সাথে মিলিত হয়) অনেক সময় দেখা যায় তিনি চিকিৎসকের কাছে আসলেও তিনি চান না যে ডাক্তার তাকে যৌন রোগগ্রস্ত বলে আখ্যায়িত করুক। 

সুতরাং এ সকল ক্ষেত্রে রোগীর মানসিক অবস্থা বুঝে চিকিৎসা দিতে হবে। যদি সেটাও সম্ভব না হয় তবে রোগীকে চিকিৎসার পর তার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উপদেশ দিতে হবে।

৩. রাগ, উৎকণ্ঠিত অপরাধবোধ বিষণ্ণতা : সঙ্গমজনিত রোগ ধরা পড়ার পর অন্তর্মুখী ব্যক্তিরা খুবই উৎকণ্ঠিত ও বিষণ্নতাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু বহির্মুখী ব্যক্তিরা এ কাজ করার পর রাগান্বিত বোধ করেন বহির্মুখী ব্যক্তির এ রাগ যে, হাসপাতাল বা পরীক্ষাগারে রোগ ধরা পরে সেখানকার কর্মচারী এবং যে ব্যক্তি এ রোগ তার দেহে ছড়িয়েছে তাদের সকলের উপর বর্তাতে পারে। 

যিনি ঐ রোগীর চিকিৎসা করবেন তাকে এ রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। রোগী যদি হাসপাতালে কোনো ঝগড়া বা ভাংচুরে লিপ্ত হন তবে তাকে শাস্তি বা পুলিশে না দিয়ে বরং তাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে বলতে হবে এবং নিরস্ত্র করতে হবে এবং চিকিৎসককে রোগীর সাথে হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণ করতে হবে। 

তার রোগ সম্বন্ধে আলোচনা করতে হবে। রোগীর আবেগ ও দুঃখ ভাগ করে নিতে হবে। নতুবা রোগী হয়তো তার যৌন সঙ্গী (স্বামী বা স্ত্রী) কেও উৎপীড়ন বা আক্রমণ করে বসতে পারে। 

আমরা একজন ব্যক্তিকে অপরাধে দণ্ডিত করতে পারি। যদি অন্তর্মুখী ব্যক্তি বিয়ের নিয়মকানুন ভঙ্গ করে বাইরের কারো সাথে যৌন মিলনে লিপ্ত হয়। 

যৌন রোগকে তার শাস্তি হিসেবে গণ্য করে এমতাবস্থায় রোগীকে কথা বলতে দিতে হবে তার সাথে কথা বলে চিকিৎসা করতে হবে।

(খ) যৌনরোগত্তর মানসিক সমস্যাসমূহ : Gonococcus জাত বা Gonococcus বিহীন মূত্রপথে প্রদাহ সাধারণত তাড়াতাড়ি সারে এবং রোগগ্রস্ত ব্যক্তি অল্প দিনেই তার স্বাভাবিক যৌন জীবনে ফিরে যায়। 

কিন্তু মাঝে মাঝে দেখা যায় Gonococcus বিহীন মুত্রপথ প্রদাহ বার বার হতে থাকে এবং যৌন সংঙ্গম পালন করতে রোগী বা তার সাথী হতাশ হয়ে যেতে পারে। 

এমতাবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে একত্রে রোগ সম্পর্কে বা তাদের মাঝে অন্য কোনো সমস্যা থাকলে তা নিয়ে আলোচন করা। বস্তি প্রদেশে প্রদাহজনিত রোগ স্বাস্থ্যহীনতা তলপেটে ব্যথা সঙ্গকষ্ট ও স্বাভাবিক মিলনে ব্যর্থতা লক্ষ করা যেতে পারে। 

স্ত্রী চিরতরে সন্ত ান ধারণের ক্ষমতা হারিয়ে যেতে পারে। এমতাবস্থায় চিকিৎসকের উচিত তাদের উভয়ের সাথে আলোচনা করা এবং একটা পর্যায়ে চিকিৎসা করানো কোনো মহিলা বা সমকামী লোকদের অতীতে পায়ু ও মলাশয়ে হারপিস থেকে থাকলে ক্ষত সেরে যাওয়ার পর যোনিতে বা পায়ুতে আক্ষেপ Vagirimus anopasm থেকে যেতে পারে। এ রকম লোকদের ডেকে নিয়ে তাদের রোগ সেরে যাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত করতে হবে।

১. যৌনাঙ্গের ক্যান্ডিভাময়তা সমস্যা ও সমাধান : এ রোগের পুনরাবৃত্তি ঘটায় কারণে দম্পতি রাগান্বিত বা হতাশাগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে। 

যৌনিতে Candida albicansআবিষ্কার করে চিকিৎসক হয়তো ক্যান্ডি নির্ণয় করেই সন্তুষ্ট থাকবেন আসলে রোগিণীর প্রকৃত সমস্যা হয়তো যোনির আক্ষেপ Trichonomas Vaginals ও Gardenerlla Vaginals যোনি হতে দুগন্ধযুক্ত ক্ষরণ ঘটায়। 

ফলে স্বামী তার প্রতি নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ে। চিকিৎসার পর দুর্গন্ধমুক্ত হলে অনেক সময় রোগিণী তার আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

২. মনোদৈহিক উপসর্গ সমস্যা ও সমাধান : এ ক্ষেত্রে রোগী সঙ্গমজাত রোগের নানা উপসর্গের অভিযোগ নিয়ে আসে । কিন্তু তার কোনো রোগ থাকে না। 

এটাকে মনোদ্ভূত দৈহিক রোগ বা সাইকোসোমেটিক Psychosomatic disease বলে মাঝে মাঝে দেখা যায় হয়ত প্রথমে রোগ ছিল কিন্তু সেরে যাওয়ার পরও উপসর্গ থেকে গেছে। যেমন- মূত্রপথে চুলকানি অণ্ডকোষে ব্যথা। এ ক্ষেত্রে

(ক) রোগীকে তার উপসর্গের ব্যাপারে ভালোভাবে বুঝাতে হবে ও আশ্বস্ত করতে হবে ।

(খ) কিন্তু প্রস্টেট গ্রন্থিতে ব্যথা সারানো সত্যিই কষ্টকর এজন্য রোগীকে ফোনোক্রিবেঞ্জামিন ৪ মিলিগ্রাম দিনে দুবার এবং এমাইট্রিপ্টিলিন Amytriplytine ৫০ থেকে ১০০ মিলি গ্রাম রাতে সেবন করতে দেওয়া যেতে পারে ।

৩. যৌন স্পৃহা হ্রাস ও পুরুষত্বহীনতা : সাধারণতভাবে স্ত্রী সঙ্গমজনিত রোগে আক্রান্ত হলে বা দেখা দিলে বা স্ত্রী স্বামীর কাছে অবিশ্বস্ত হলে স্বামী যৌন স্পৃহা ও হ্রাস ও পুরুষত্বহীনতায় ভুগতে পারে। রোগীর উৎকণ্ঠা ও বিষণ্নতা দূর করে মানসিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনলে তার উপসর্গ বিলুপ্ত হতে পারে।

৪. বাতিকগ্রস্ত ব্যক্তি : আমাদের সমাজে কিছু বাতিক লোক রয়েছে যারা সুযোগ পেলেই বৈবাহিক সীমারেখা ভঙ্গ করে নিয়মিত বাইরের স্ত্রী বা পুরুষের সাথে মিলিত হয়। 

ফলে সহজেই তারা যৌন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়। ফলে (স্বামী/স্ত্রী) সতিই অসহায়। ছেলেমেয়েদের মুখ চেয়ে ঘর ভাঙ্গার ভয়ে তালাক দেয় না আবার এ পরিস্থিতি সহ্য করতে পারে না। 

এরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সম্ভব হলে স্বামী বা স্ত্রী উভয়কে ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা। নির্দোষ ব্যক্তিকে বলা উচিত চিকিৎসা গ্রহণ না করা পর্যন্ত যৌনসঙ্গীর সাথে মিলিত হবে না।

৫. রোগজনিত যৌন সমস্যা সমাধান: প্রান্তিক উপদংশে কখনও পৃষ্ঠদেশীয় দেহ ক্ষয় বা টেবিস ডসালিস (লিঙ্গজনিত ব্যর্থতা) উন্মত্ত ব্যক্তির সাধারণ পক্ষাঘাত বা জেপি আই (যৌন বাধালুপ্ত) হৃগুল ও রক্তসঞ্চালনতন্ত্রের উপদংশ বা কার্ডিও ভঙ্কুর সিফলিস যৌন ক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা) প্রভৃতি সমস্যা হতে পারে। 

রাতে এদেরকে ক্লমিপ্রামিন (Clomin pramine) ৫০-৬০ মিলিগ্রাম দেওয়া যেতে পারে। সেই সাথে মানসিক চিকিৎসা আলোচনা করা দরকার। 

যাতে তিনি তার বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে পারেন। অবশ্য কিছু ব্যক্তি আছে যারা এইডস, যকৃৎ প্রদাহ ইত্যাদি হতে পারে জেনেও কোনোভাবে তাদের অভ্যাস ত্যাগ করতে পারে না ।

৬. প্রাথমিক মনোযৌন সমস্যা : প্রাথমিক মনোযৌন রোগে যেসব ব্যক্তিরা ভোগে তাদেরকে দুভাগে ভাগ করা হয় ।

(ক) কল্পিত যৌন রোগের জন্য যাদের মানসিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় ।

(খ) যাদের সমস্যটা সম্পূর্ণ মানসিক বা মনোযৌন সমস্যা যথা- লিঙ্গোসন্তানে অক্ষমতা দ্রুতস্খলন ইত্যাদি যার সাথে যৌন রোগের কোনো সম্পর্কে নেই ।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, যৌন ব্যাধিতে যে সমস্ত রোগ সংক্রমিত তারা নানা ধরনের মনোদৈহিক সমস্যায় ভোগে। তাই তাদের সমস্যা সমাধানে সকলের এগিয়ে আসা উচিত। 

আমরা যদি রোগকে প্রতিষেধক ব্যবহার না করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া ভালো। যেমন আমাদের জানা আছে যে কথিত আছে রোগকে ঘৃণা করতে হয় রোগীকে ঘৃণা নয় । 

যদি এভাবে আমরা কোনো রোগীকে ঘৃণা করি বরং আমরা যদি তার পুনর্বাসন ব্যবস্থা করি তবে আমরা এ সকল যৌন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারি। বিশেষত অনিয়মিত যৌন মিলন আমাদের পরিহার করতে হবে।

আর্টিকেলের শেষকথাঃ যৌন সংক্রামক রোগে কি কি মানসিক সমস্যা দেখা দেয়

আমরা এতক্ষন জেনে নিলাম যৌন সংক্রামককে কেন্দ্র করে সৃষ্ট মানসিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা কর । যদি তোমাদের আজকের এই পড়াটিটি ভালো লাগে তাহলে ফেসবুক বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিতে পারো। আর এই রকম নিত্য নতুন পোস্ট পেতে আমাদের আরকে রায়হান ওয়েবসাইটের সাথে থাকো।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

Google News এ আমাদের ফলো করুন